Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৩ শ্রাবণ ১৪২১ বুধবার ৩০ জুলাই ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
খুশির ইদ ।। রাস্তায় ‘রুপো’! লুটতে হুটোপুটি ।। তাপসের কুৎসিত মম্তব্যের বিরুদ্ধে সরব দলের সাংসদ মুমতাজম ।। কলকাতা পুরভোট: অবাঙালিদের আস্হা তৃণমূলিদের ।। এনসেফেলাইটিসে এবার মৃত্যু নার্সিংহোমে ।। শুভেন্দু-অখিল গোষ্ঠীর সঙঘর্ষে উত্তপ্ত তমলুক ।। অন্ধ্রের চাল বাংলাদেশ ঘুরে ত্রিপুরায়--তাপস দেব, আগরতলা ।। মার্কিনি পড়ুয়ারা এবার পড়বেন কলকাতায়--ওবামা-মনমোহন উদ্যোগের সাফল্য ।। রক্তাক্ত ইদ, খেলার মাঠে ইজরায়েলি বোমা, হত ৯ শিশু ।। বিদেশে ব্যবসা বাড়াতে ফেসবুকে কুমোরটুলি ।। উত্তরে নামী শিল্পীর ঢল ।। কড়া নিরাপত্তা, মুখ্যমন্ত্রী আজ পুরুলিয়ায়
কলকাতা

উত্তরে নামী শিল্পীর ঢল

কলকাতা পুরভোট: অবাঙালিদের আস্হা তৃণমূলিদের

বিদেশে ব্যবসা বাড়াতে ফেসবুকে কুমোরটুলি

ভেঙে পড়ল কবি হেমচন্দ্রের বাড়ির একাংশ

এই লেখ্যাগারে স্হানাম্তর হবে মহাকরণের লাইব্রেরি

কলকাতায় গরিবদের হেল‍্থ কার্ড

ইদের সকালে রিজওয়ানুরের বাড়িতে মমতা

উত্তরে নামী শিল্পীর ঢল

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

শিখর কর্মকার




দুর্গাপুজোয় দক্ষিণের সঙ্গে উত্তরের লড়াই বহুদিনের৷‌ এক সময় রমরমা থাকলেও নানা কারণে ইদানীং এই লড়াইয়ে কিন্তু পিছিয়ে পড়েছে উত্তরের পুজোগুলো৷‌ পুরস্কারের দৌড়ে উত্তরের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে গেছে দক্ষিণ কলকাতা৷‌ ফিকে হওয়া গৌরব এবার গাঢ় করতে চায় উত্তর৷‌ পুজোর বাজারে কলকাতার প্রায় সব নামী শিল্পীকে এ বছর আসরে নামিয়ে দক্ষিণ কলকাতাকে টেক্কা দিতে চায় উত্তর কলকাতার পুজো কমিটিগুলো৷‌ নামী শিল্পীর দু’একজন আবার দক্ষিণ ছেড়ে এ বছর পুরোপুরি যুক্ত হয়েছেন উত্তরের পুজোর সঙ্গে৷‌ তিন বছর আগে পাকাপাকিভাবে দক্ষিণে পা রেখেছেন উত্তরের শিল্পী সনাতন দিন্দা৷‌ ১৯৯৮ সালে হাতিবাগান সর্বজনীন হয়ে পুজোর কাজ শুরু করেছিলেন সনাতন৷‌ বার বার ডাক এলেও ২০১১ সালের আগে কখনও দক্ষিণে পা রাখেননি পাঁচবারের সেরা প্রতিমা শিল্পীসহ আট এশিয়ান পেইন্টস পুরস্কার জয়ী কলকাতার অন্যতম ‘দামি’ এই শিল্পী৷‌ ২০১২-র পর আর উত্তরমুখী হননি তিনি৷‌ এবার উল্টোপথে হেঁটে দক্ষিণ ছেড়ে পুরোপুরি উত্তরে এসেছেন শিল্পী সুশাম্ত পাল৷‌ ১৯৯৮ সালে ছাত্রাবস্হায় শিল্পী দেবেন সাহার সঙ্গী হয়ে ‘সহযাত্রী’র পুজোয় যুক্ত হয়েছিলেন সুশাম্ত৷‌ তাঁদের গড়া মণ্ডপ বেহালাকে এনে দিয়েছিল প্রথম এশিয়ান পেইন্টসের পুরস্কার৷‌ ২০০৩ সালে একবারই উত্তরের হাতিবাগান সর্বজনীন পুজোয় যুক্ত হয়েছিলেন তিনি৷‌ ১৫ বছরের পুজোর শিল্পী হিসেবে ৭ বারের এশিয়ান পেইন্টস পুরস্কার জয়ী সুশাম্ত এতদিন পরিচিত ছিলেন দক্ষিণের শিল্পী হিসেবেই৷‌ ২০১৪-এর দুর্গাপুজোয় পুরোপুরি দক্ষিণ ছেড়েছেন সুশাম্ত৷‌ গড়ছেন উত্তরের কাঁকুড়গাছি মিতালি সঙঘ ও উল্টোডাঙা পল্লীশ্রীর মণ্ডপ ও প্রতিমা৷‌ ২০০৮ সালে পূর্ব কলকাতার অনামী পুজো ট্যাংরা ঘোলপাড়ার হয়ে এশিয়ান পেইন্টস পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে কলকাতাকে চমকে দিয়েছিলেন সুব্রত ব্যানার্জি৷‌ এরপর আর উত্তরমুখী হননি তিনি৷‌ যুক্ত হয়েছেন দক্ষিণ কলকাতার নামী পুজোগুলোর সঙ্গে৷‌ ৭ বছরের পুজোর শিল্পী হিসেবে পেয়েছেন ৫টি শারদ সম্মানসহ অসংখ্য পুরস্কার৷‌ সুরুচি সঙঘকে পরপর তিনবার শারদ সম্মান পুরস্কার এনে দেওয়া সুব্রত ব্যানার্জিকে এবার দক্ষিণের পাশাপাশি পাওয়া যাবে উত্তরেও৷‌ সিকদারবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপ গড়া ছাড়াও এবার এখানে দেখা যাবে তাঁর গড়া প্রথম দুর্গাপ্রতিমাও৷‌ ২০০৬ সালে বোসপুকুর শীতলামন্দিরে পাতকুয়া বেড়ের মণ্ডপ গড়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন নবীন শিল্পী শিবশঙ্কর দাস৷‌ পরবর্তী সময় মূলত দক্ষিণে নিজেকে সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন ২ বার এশিয়ান পেইন্টস জয়ী এই শিল্পী৷‌ ২০১১ সাল থেকে দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরে নজরকাড়া মণ্ডপ গড়ছেন শিবশঙ্কর৷‌ এবার পুরোপুরি উত্তরের শিল্পী বলা যায় তাঁকে৷‌ কাশী বোস লেন আর দমদম পার্ক ভারতচক্রের মণ্ডপ-ভাবনা তাঁর৷‌ শিল্পী অমর সরকারের সঙ্গী হয়ে ২০০১ সালে বড়িশার সৃষ্টির প্রতিমা গড়েছিলেন শিল্পী ভবতোষ সুতার৷‌ সৃষ্টির ঘরে এসেছিল শারদ সম্মান৷‌ ২০০৩ সাল থেকে দক্ষিণের পূর্ণাঙ্গ শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ভবতোষ৷‌ ২০০৫ ও ২০০৬ সালে উত্তরের কিছু কাজ করে ফিরে গিয়েছিলেন দক্ষিণে৷‌ ২০১১ সাল থেকে দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরের পুজো করে আসছেন কলকাতার অন্যতম ‘দামি’ এই শিল্পী৷‌ দক্ষিণের নাকতলা উদয়ন সঙেঘর সঙ্গেও ৮ বারের এশিয়ান পেইনটস জয়ী এই শিল্পীকে দেখা যাবে উত্তরের বনেদি পুজো আহিরিটোলা সর্বজনীনে৷‌ ১৯৯৯-তে পুজোর কাজ শুরু করে ২০০৬ সাল পর্যম্ত দক্ষিণের শিল্পী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন অমর সরকার৷‌ ২০০৭ সাল থেকে দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরের পুজো করছেন তিনি৷‌ এ বছর নিয়ে টানা ৬ বার উত্তরের টালা বারোয়ারির পুজোয় যুক্ত রয়েছেন ৮ বারের এশিয়ান পেইন্টস পুরস্কার জয়ী এই শিল্পী৷‌ ২০১১ সালে এককভাবে প্রথম আবির্ভাবেই বছরের বিস্ময় পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সঞ্জীব সাহা৷‌ গত বছর থেকে দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরেও কাজ করছেন তিনি৷‌ এ বছর দক্ষিণের সম্তোপুর লেকপল্লীর সঙ্গে উত্তরের হাতিবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপ গড়ছেন সঞ্জীব৷‌ ১৯৯৮-তে উত্তরের দর্পনারায়ণ অ্যাথলেটিক ক্লাবে প্রথম পুজো করেছিলেন প্রশাম্ত পাল৷‌ পরবর্তী সময়ে দক্ষিণের বহু নামী পুজোর সঙ্গে যুক্ত হলেও উত্তরকে কখনই ছাড়েননি ১০ বারের শারদ সম্মান জয়ী এই শিল্পী৷‌ এ বছরও তাঁর ৪ পুজোর মধ্যে ৩টিই উত্তর কলকাতার পুজো৷‌ এগুলো হল উল্টোডাঙা সংগ্রামী, লালাবাগান নবাঙ্কুর সঙঘ ও দমদম পার্ক তরুণ সঙঘ৷‌ দক্ষিণে মাঝে মধ্যে কাজ করলেও মূলত উত্তরের শিল্পী হিসেবে থেকে গেছেন রূপচাঁদ কুণ্ডু৷‌ এবার তাঁর তিন পুজোই উত্তরের৷‌ পুজোগুলো হল কেষ্টপুরের প্রফুল্লকানন সর্বজনীন, গোলাঘাটা সম্মিলনী আর সল্টলেকের বি জে ব্লক৷‌ শিল্পী সুতনু মাইতির কাজ এবারও যথারীতি দেখা যাবে উত্তরের চালতাবাগান সর্বজনীনে৷‌ কুমোরটুলির ঘরের ছেলে পরিমল পাল তাঁর ভাবনা ফোটাতে যুক্ত হয়েছেন নলিন সরকার স্ট্রিটের সঙ্গে৷‌ উত্তরের তিন পুজো দমদম তরুণ দল, কাঁকুড়গাছি যুবক বৃন্দ আর পাতিপুকুরের বসাকবাগান সর্বজনীনে দেখা যাবে অনির্বাণ দাস৷‌ রিন্টু দাসের কাজ দেখা যাবে এন্টালির ২০ পল্লীতে৷‌ সৌরজিৎ ব্যানার্জি দক্ষিণের পাশাপাশি কাজ করছেন উত্তরের বেলেঘাটা ৩৩ পল্লী এবং সি আই টি লাইট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনে৷‌ এশিয়ান পেইন্টস পুরস্কার এনে দেওয়া সোমনাথ মুখার্জিকে আবার কাজ করতে দেখা যাবে কাঁকুড়গাছির স্বপ্নার বাগানে৷‌ আর এক নামী শিল্পী পূর্ণেন্দু দে-র সঙ্গে বছরের গোড়ায় কথা হয়েছিল উত্তর কলকাতার এক বড় পুজো কমিটির সঙ্গে৷‌ শেষ পর্যম্ত অবশ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited