Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ২ েবশাখ ১৪২১ বুধবার ১৬ এপ্রিল ২০১৪
Aajkaal 33
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
‘দুবাই শেখর’ চন্দ্রর কাঁটা পরিবারতন্ত্র!--সব্যসাচী সরকার, হায়দরাবাদ ।। কাঁটায় ভরা আজ্জুর পথ--রাজীব চক্রবর্তী, সওয়াই মাধোপুর ।। বুখারির ভোট-ফতোয়ার কড়া প্রতিক্রিয়া রেজ্জাকের ।। জলপাইগুড়িতে এবারও তৃণমূল পেরে উঠবে না ।। স্লোগান নয়, কটূক্তি নয় শুধু হেসে, হাত নেড়ে... ।। গোর্খাল্যান্ড পেতেই মোদিকে সমর্থন: গুরুং ।। তৃণমূল গরিব পার্টি? কোথা থেকে আসছে প্রচারের এত টাকা? বিমান ।। মালদায় আজ থেকে দ্বিতীয় দফার প্রচার শুরু মমতার ।। হালখাতা, খুঁটিপুজোয় মুখরিত বাঙালি--ঝড়ের প্রত্যাশা নিয়ে শুরু নতুন বছর ।। থাকছেন মহম্তর বাড়ি, গেলেন কাজির কাছে--বারাণসীতে কেজরিওয়াল ।। বৃহন্নলারা তৃতীয় লিঙ্গ ।। লড়াইয়ে সোনিয়া, প্রিয়াঙ্কাও
কলকাতা

একবালপুর কাণ্ড: খুনের পর চেকবুক, ফ্ল্যাটের চুক্তিপত্র হাতায় সিকান্দর, ওসি ও তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

শুভেচ্ছা, মিষ্টিমুখ, পুজো

একবালপুর কাণ্ড: খুনের পর চেকবুক, ফ্ল্যাটের চুক্তিপত্র হাতায় সিকান্দর, ওসি ও তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

সোমনাথ মণ্ডল

একবালপুরে তিনজনকে খুনের পর গৃহকর্ত্রী পুষ্পা সিংয়ের ব্যাঙ্কের পাসবই, চেকবই, এ টি এম কার্ড, জীবন বিমার সার্টিফিকেট হাতিয়ে নেয় সিকান্দর৷‌ এমনকি ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ফ্ল্যাটের চুক্তিপত্রও চুরি করে খুনিরা৷‌ পুষ্পার সই নকল করে টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যেই এই নথিপত্র হাতানো হয়েছিল বলে জেরায় জানিয়েছে সিকান্দর ও আমিন৷‌ এদিকে খুনের ঘটনায় পুলিসি তদম্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলে একবালপুর থানার ওসি সিদ্ধার্থ দত্তকে অপসারণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্হানীয় বাসিন্দারা৷‌ উপনগরপাল (বন্দর) ভি সলমন নেশা কুমার জানিয়েছেন, পুষ্পা সিংয়ের বাবা পরেশনাথ সিং একটি অভিযোগ করেছেন৷‌ তাতে বলেছেন, একবালপুর থানার ওসি সিদ্ধার্থ দত্ত তাঁর মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর ঘটনার তদম্তে দেরি করেছেন৷‌ গাফিলতি রয়েছে৷‌ অভিযোগটিকে গুরুত্ব দিয়ে তার ভিত্তিতে তদম্ত শুরু হয়েছে৷‌ এদিন রাজ্য ছেড়ে উত্তরপ্রদেশে চলে যাওয়ার আগে তিনি এই অভিযোগ দায়ের করেন৷‌ পরেশবাবুর অভিযোগ, তদম্তে গাফিলতি করেছেন সিদ্ধার্থ দত্ত৷‌ খবর, তৃণমূলের স্হানীয় যুব নেতা বিশ্বজিৎ লালার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে৷‌ সিকান্দরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ওই যুব নেতার৷‌

সিকান্দর, আমিনকে নিয়ে তল্লাশি

সোমবার রাতে গোয়েন্দাপ্রধান পল্লবকাম্তি ঘোষ অভিযুক্ত সিকান্দরকে নিয়ে বন্দর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালান৷‌ মঙ্গলবার সকালে আমিনকে নিয়ে যাওয়া হয় খিদিরপুরে৷‌ যে তিনটি ট্রাঙ্কে দেহগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এখনও সেগুলিরহদিশ মেলেনি৷‌ যে দোকান থেকে প্লাস্টিক কেনা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল, তা নিয়েও ধন্দ তৈরি হয়েছে৷‌ সিকান্দরের বাড়ি থেকে দুটি মোবাইল এবং দুটি সিমকার্ডও উদ্ধার হয়েছে৷‌ এদিকে ময়নাতদম্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গেছে, মাথায় হাতুড়ি মারার পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা টিপে খুন করা হয় তিনজনকেই৷‌ যদিও সেই হাতুড়ি এখনও উদ্ধার করা যায়নি৷‌ এদিকে ঘটনায় দুই নাবালক অভিযুক্তকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিস৷‌ এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷‌ জানা গেছে, পুষ্পার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৬৫ লক্ষ টাকা ছিল৷‌ সিকান্দরের কাছ থেকে ২০১১ সালে ফ্ল্যাটটি সেলামিতে কেনা হয়৷‌ স্বামীর মৃত্যুর পর পুষ্পা ফ্ল্যাটটি বিক্রির ইচ্ছা প্রকাশ করলে, তা কিনতে চায় সিকান্দর৷‌ জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, ফ্ল্যাটের জন্য অগ্রিম ৬ লক্ষ টাকা নেওয়ার পরও তা বিক্রি করতে চাননি পুষ্পা৷‌ সেই আক্রোশেই খুন করা হয়েছে৷‌ যদিও ঘটনা পরম্পরায় এখনও বেশ কিছু ধন্দ রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর৷‌

একবালপুরে ভাঙচুর, বিক্ষোভ

বিক্ষোভ থামছেই না একবালপুরে৷‌ এদিনও স্হানীয় বাসিন্দারা ফের থানা ঘেরাও করেন৷‌ ওসি-র পদত্যাগের দাবি জানান৷‌ উত্তেজিত জনতা সিকান্দরের দোকানও ভাঙচুর করেন৷‌ আমিনের বাড়িতে চড়াও হন৷‌ তাঁদের দাবি, অভিযুক্তদের ফাঁসি চাই৷‌ ওসি-র মদতেই পুলিস তদম্তে গড়িমসি করেছে৷‌ স্হানীয় তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ সিকান্দর বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল৷‌ নেতাদের জন্যই এলাকায় এত বাড়বাড়ম্ত সিকান্দর ও তার দলবলের৷‌ এর আগেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল পুলিসের কাছে৷‌ কোনও ব্যবস্হা নেওয়া হয়নি৷‌ জানা গেছে, একবালপুর থানা যথাযথ ব্যবস্হা না নেওয়ায়, ফ্ল্যাটের লোভে মেয়ে এবং দুই নাতনিকে সিকান্দর অপহরণ করে খুন করতে পারে বলে উপনগরপাল (বন্দর) ভি সলমন নেশা কুমারকে চিঠি লিখেছিলেন পুষ্পার বাবা পরেশ সিং৷‌ ৪ এপ্রিল তিনি এই চিঠি লেখেন৷‌ চিঠিতে তিনি জানান, ২৭ মার্চ মেয়ের সঙ্গে ফোনে শেষ কথা হয়৷‌ ২৯ তারিখে বারবার ফোন করা হলেও, মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে না পেরে আশঙ্কিত হন পরেশবাবু৷‌ তিনি ৩১ তারিখ একবালপুর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন৷‌ সিকান্দরের বিরুদ্ধে অভিযোগও জানান৷‌এই ঘটনার কয়েক দিন পরে পাপ্পু নামে একজন ফোন করে বলে, মেয়ে ও দুই নাতনিকে অপহরণ করা হয়েছে৷‌ ফোনের বিষয়টিও তিনি জানান৷‌ তার পরেও অগ্রগতি না হওয়ায়, উপনগরপালকে চিঠি লেখেন তিনি৷‌ সেই চিঠিতেই ওই ফ্ল্যাট থেকে খোয়া-যাওয়া জিনিসপত্রের উল্লেখ ছিল৷‌ নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে যা যা ঘটেছে, সবই তিনি সেই চিঠিতে জানিয়েছেন৷‌






kolkata || bangla || bharat || editorial || post editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited