Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৩ কার্তিক ১৪২১ শুক্রবার ৩১ অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  খেলা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
গঙ্গাসাগরকে ঘিরে শিল্প ও পর্যটনকেন্দ্র--তারিক হাসান, গঙ্গাসাগর ।। ৫০০ কোটির সম্পত্তির নথি, দুই ক্লাবের সাড়ে ৬ কোটি--সব্যসাচী সরকার ।। যাদবপুরে গণভোট , সুর নামল উপাচার্যের ।। মিডিয়াকে অভিষেক, বাজে কথা বললেই দল থেকে বহিষ্কার ।। ক্ষমা চেয়ে চিঠি মমতাকে, মিছিল আরাবুল পম্হীদের--গৌতম চক্রবর্তী ।। সদিচ্ছা থাকলে সর্বদল বৈঠক ডাকুক রাজ্য--কেন্দ্র-রাজ্য দুই শাসকই দায়িত্বজ্ঞানহীন: সূর্য ।। না, কোনও কংগ্রেসি কালো টাকার লিস্টে নেই! ।। সুদীপ্তর কটকে ৫০ লাখের বাংলো! ।। বি জে পি সংসদীয় দলের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার ।। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জরিপে যেতেই তুমুল বিক্ষোভ ।। আজ মহাষ্টমীতে চন্দননগরে মমতা ।। দেবেন্দ্রর শপথ আজ
কলকাতা

যাদবপুরে গণভোট , সুর নামল উপাচার্যের

যাদবপুরে গণভোট , সুর নামল উপাচার্যের

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: দাবি ছিল লিখিতভাবে ঘটনার নৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে৷‌ তা না করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ওপর পুলিসের লাঠিচার্জের ঘটনাকে ফের দুর্ভাগ্যজনক ও অনভিপ্রেত বললেন উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী৷‌ অ্যাবুটাকে লেখা এক চিঠিতে অভিজিৎবাবু বলেছেন ওই ঘটনার পর তাঁর সম্তানতুল্য পড়ুয়াদের মান-অভিমান ও বেদনার দায় তাঁর৷‌ যা অভিভাবক হিসেবে তিনি অস্বীকার করেন না৷‌ ওই ঘটনায় পর পড়ুয়াদের গভীর অভিমান ও বেদনা স্বাভাবিক ও সঙ্গত বলেও জানিয়েছেন তিনি৷‌ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন৷‌ এদিকে ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্যের পদত্যাগ করা উচিত কি উচিত নয় এই দাবিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার শুরু হল পড়ুয়াদের গণভোট৷‌ এদিন কলা বিভাগের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়ারা এই গণভোটে অংশ নেন৷‌ ১৬ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে পড়ুয়াদের ঘেরাও তুলতে তাঁর প্রাণসংশয় হয়েছে, এই দাবি করে ক্যাম্পাসে পুলিস ডেকেছিলেন অভিজিৎবাবু৷‌ অভিযোগ, পড়ুয়াদের ওপর পুলিস বেধড়ক লাঠিচার্জ করে৷‌ আন্দোলনে নামে পড়ুয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জুটা৷‌ যে আন্দোলন এখনও চলছে৷‌ জুটা ওই ঘটনায় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি জানালেও অল বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা অ্যাবুটার দাবি ছিল লিখিতভাবে ঘটনার দায় স্বীকার করতে হবে উপাচার্যকে৷‌ এই প্রেক্ষিতে চিঠিটি দিয়েছেন অভিজিৎবাবু৷‌ চিঠিতে পুলিস ডাকার সাফাইয়ে বলেছেন, অবরুদ্ধ থাকার ফলে ই সি ও আই সি সি-র মহিলা-সহ কিছু সদস্য অসুস্হ বোধ করায় একাম্ত অসহায় ও নিরুপায় হয়ে এঁদের উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিসের সাহায্য চাওয়া হয়৷‌ কখনই চাইনি উদ্ধার করতে গিয়ে সম্তানতুল্য ছাত্রদের কোনও ক্ষতি হোক৷‌ আমি বিশ্বাস করি সে-রাতের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক ও অনভিপ্রেত৷‌ ঘটনার আকস্মিক অভিঘাতে আমি বিপর্যস্ত হয়েছি৷‌ আমার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এই বিপর্যস্ত অবস্হারই প্রতিফলন৷‌ কিছু পরে ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা আমাকে অস্হির করেছে৷‌ চিঠিতে উপাচার্য বলেছেন, বিগত ১১ মাস ছাত্রদের দাবি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি সহমর্মী হয়ে তাদের পাশে থেকেছি৷‌ তাই ওই ব্যতিক্রমী ঘটনায় তাদের অভিমান, বেদনা স্বাভাবিক ও সঙ্গত৷‌ আমি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিরোধী নই৷‌ চেয়েছিলাম আটকেপড়াদের উদ্ধার করে ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে৷‌ কিন্তু দুঃখজনক ও মর্মাম্তিক ওই ঘটনা এড়ানো গেল না৷‌ আমি বিশ্বাস করি আমার সম্তানদের (পড়ুয়া) মান- অভিমান ও বেদনার দায় আমার৷‌ অভিভাবক হিসেবে তা আমি অস্বীকার করি না৷‌ আমার এখনও বিশ্বাস আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে, যা আগেও হয়েছে৷‌ সবার সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষিত হবে৷‌ শেষে উপাচার্য জানিয়েছেন, তিনি গণতান্ত্রিকতায় বিশ্বাসী৷‌ এই বিষয়টি এবং অন্যান্য সকল বিষয় নিয়ে তিনি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী৷‌ উপাচার্যের এই চিঠিকে ‘ইতিবাচক’ভাবেই দেখছে অ্যাবুটা৷‌ এবং তারা সন্তুষ্ট৷‌ এই প্রসঙ্গে অ্যাবুটার সাধারণ সম্পাদক অলোক ঘোষ বলেন, তিনি সরাসরি নৈতিক দায় স্বীকার করেননি ঠিকই, কিন্তু ওই ঘটনায় তিনি যে গভীরভাবে দুঃখিত, সেটা তাঁর চিঠিতেই স্পষ্ট৷‌ আমরা মনে করছি তিনি পরোক্ষে দায় স্বীকার করেছেন৷‌ তাছাড়া আমাদের অন্যান্য দাবি নিয়েও আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন৷‌ চিঠিটি অভিজিৎবাবু অ্যাবুটার বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকাল চ্যাপ্টারের কনভেনার গৌতম মাইতি, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি সায়েন্সের শিক্ষক, তাঁকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন৷‌ ক্যাম্পাসের অ্যাবুটার সদস্য সংখ্যা ১৫০-এর কাছাকাছি৷‌ তবে অ্যাবুটাকে চিঠি দিলেও জুটাকে কিছু জানাননি তিনি৷‌ ফলে আগের সিদ্ধাম্তে অনড় থেকে ৩ নভেম্বর সমাবর্তন নিয়ে উপাচার্যের ডাকা বৈঠক বয়কট করছে জুটা৷‌ এদিকে এদিনের গণভোটে কলা বিভাগের স্নাতক ও স্নাতকোত্তের ১৬টি বিভাগের দিবা ও সান্ধ্যবিভাগের ৩ হাজার পড়ুয়ার মধ্যে সব মিলিয়ে ভোট দিয়েছেন ৭৫ শতাংশ৷‌ ছাত্রদের সিদ্ধাম্ত অনুযায়ী পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব সামলান সুজাত ভদ্র, অনুরাধা তলোয়ার ও আইনজীবী রুবি মুখার্জি৷‌ উপাচার্যের ইস্তফা, ওই রাতের ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদম্ত , শ্লীলতাহানির ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদম্ত, আই সি সি পুনর্গঠন ও ক্যাম্পাসে পুলিসি নজরদারি– এই পাঁচটি বিষয়কে সামনে রেখে গণভোট হয়৷‌ আজ, শুক্রবার বেলা ১টা পর্যম্ত ভোট গ্রহণ চলবে৷‌ তারপর শুরু হবে গণনা৷‌ বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গণভোট হবে ১১ ও ১২ নভেম্বর৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || khela || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited