Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৪ কার্তিক ১৪২১ বুধবার ২২ অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
শুভার চ্যানেলের তল্লাশি ।। দল ঐক্যবদ্ধ: নবান্নে নেতাদের নিয়ে বৈঠক মমতার ।। কেন্দ্র, সি বি আই-কে হুঁশিয়ারি মমতার--দীপঙ্কর নন্দী ।। সারদা: কমিশনে বুধবারই শেষ শুনানি?--সারদার উদ্ধার-করা টাকার কী হবে! ।। মহারাষ্ট্রে হঠাৎ গাডকারি-কাঁটা, ঝুলে থাকল মুখ্যমন্ত্রী বাছাই ।। খট্টর হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী খট্টর ।। উপাচার্যকে চান? এবার গণভোট নেবেন পড়ুয়ারা ।। শহরে শব্দবাজির দাপট, মোকাবিলায় পুলিসের ‘ড্রোন’ ।। দীঘায় নাশকতা রুখতে বাংলা-ওড়িশা সীমাম্তে ক্যামেরা ।। ইউসুফ, বোরহানের স্হাবর সম্পত্তির হিসেব চেয়ে চিঠি এন আই এ-র ।। পশু হাসপাতাল করবে পুরসভা ।। জাতীয় দলের স্বীকৃতি যাবে মায়ার দলের?
কলকাতা

জুটার কনভেনশনে হঠাৎ অন্ধকার কেন?

শহরে শব্দবাজির দাপট, মোকাবিলায় পুলিসের ‘ড্রোন’

পশু হাসপাতাল করবে পুরসভা

ভোগ ভাগ

জুটার কনভেনশনে হঠাৎ অন্ধকার কেন?

উপাচার্যকে চান? এবার গণভোট নেবেন পড়ুয়ারা

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: ‘হোক কলরব’ আন্দোলনের পর এবার উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে গণভোটের আয়োজন করতে চলেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা৷‌ চলতি মাসেই ৩০-৩১ তারিখ এই গণভোট নেওয়া হবে৷‌ এদিকে, ক্লাস বয়কট উঠে যাওয়ার পর মঙ্গলবার অনেকটাই স্বাভাবিক ক্লাস হল যাদবপুরে৷‌ তবে শিক্ষক সংগঠন জুটার কনভেনশনে আচমকাই আলো নিভে যাওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷‌ এই আলো নেভার পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে৷‌ এদিন সকালে উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন৷‌ তবে এদিন কোনও ছাত্রছাত্রী তাঁকে কোনও প্রশ্ন করেননি৷‌ বিব্রতও করেননি৷‌ সকাল ১১টা ৪০ নাগাদ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন৷‌ দুপুর দেড়টার মধ্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যান৷‌ সাংবাদিকরা তাঁর কাছে জানতে চান আবার আসবেন কি না৷‌ উপাচার্য বলেন, একটা কাজে যাচ্ছি৷‌ এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক অবস্হা ফিরিয়ে আনার দাবি নিয়ে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গান্ধী ভবনে শিক্ষক সংগঠন জুটার পক্ষ থেকে কনভেনশনের আয়োজন করা হয়েছিল৷‌ দুপুর আড়াইটে নাগাদ কনভেনশন শুরু হয়৷‌ সংগঠনের সম্পাদক নীলাঞ্জনা গুপ্ত প্রস্তাব পেশ করেন৷‌ মূলত ৫টি প্রস্তাব পেশ করা হয়৷‌ এক, শিক্ষক সংগঠন জুটা এই উপাচার্যের পদত্যাগ চায়৷‌ দুই, ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগের আইনানুগ তদম্ত করতে হবে৷‌ তিন, ছাত্র নিগ্রহ এবং ক্যাম্পাসে পুলিসি নির্যাতনের বিচারবিভাগীয় তদম্ত করতে হবে৷‌ চার, গণতন্ত্র-বিরোধী ও অসম্মানজনক সমস্ত সার্কুলার প্রত্যাহার করতে হবে৷‌ পাঁচ, ক্যাম্পাসে পুলিসের অনুপ্রবেশ ও নজরদারি বন্ধ করতে হবে৷‌ জুটার এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করেন প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরা৷‌ তার পর তাতে যোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা, অভিভাবকেরা এবং সমাজের বিশিষ্টজনেরাও৷‌ অধ্যাপকদের তরফ থেকে প্রস্তাবের সমর্থনে বলতে গিয়ে উপাচার্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার পর তিনি যে-সব কাজ করেছেন এবং করতে চাইছেন তার তালিকা তুলে ধরা হয়৷‌ উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গিয়ে তাঁরা বলেন, এত বড় ঘটনা তিনি ঘটালেন, ছাত্রছাত্রীদের মারধর ও শ্লীলতাহানি করালেন কিন্তু তাঁর মধ্যে কোনও অনুতাপ বা খেদ নেই৷‌ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরকে বিভক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন৷‌ ভেতর আর বাহির– এই দুই ভাগে ভাগ করার কথা ভাবছেন৷‌ এর পর এক-এক করে বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য পেশ করতে থাকেন৷‌ যশোধরা বাগচী, সুকাম্ত চৌধুরি, শ্রুতিনাথ প্রহরাজ, পবিত্র সরকার, সুজন চক্রবর্তীও এই কনভেনশনে অংশ নেন৷‌ যশোধরা বাগচী বিশ্ববিদ্যালয়ের উওমেন স্টাডিজ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা-অধ্যাপক৷‌ তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় তার গবেষণার জন্য বিখ্যাত৷‌ যোগসূত্র এই গবেষণাকে কেন্দ্র করেই৷‌ এই উপাচার্য যোগ দেওয়ার পর সেই গবেষণা স্কুলগুলির ২১টির ডিরেক্টরদের পদত্যাগ করিয়ে নতুন কোনও ডিরেক্টর নিয়োগ করেননি৷‌ তাতেই বুঝতে পারি উপাচার্য নন-একাডেমিক মনোভাবের৷‌ গবেষক সুকাম্ত চৌধুরি বলেন, ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে গিয়ে ক্লাস করলেই বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক হয়েছে বলে মনে করব না৷‌ যতক্ষণ না এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার কাজ-সহ আনুষঙ্গিক কাজ স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের পরিবেশ ফিরে এসেছে বলে মনে করা যাবে না৷‌ তাঁর মতে, যাদবপুরের শিক্ষার ক্ষেত্রে বড় আঘাত হানার চেষ্টা হচ্ছে৷‌ গত কয়েকটি ঘটনা তার ইঙ্গিত মাত্র৷‌ গবেষণার পরিবেশকে শেষ করে দিতে পারলেই সব নষ্ট হয়ে যাবে৷‌ ওয়েবকুটার তরফে শ্রুতিনাথ প্রহরাজ বলেন, এই আন্দোলনে শুধু জুটা নয়, পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সংগঠনের ৮ হাজার শিক্ষকও তাঁদের সঙ্গে আছেন৷‌ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতে তাঁরাও পথে নামবেন৷‌ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি মানে রাজ্যের ক্ষতি, দেশের ক্ষতি, ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি৷‌ এদিন কনভেনশনে উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে শিক্ষকদের অভিযোগ সংবলিত একটি ‘অভিযোগনামা’ বের করা হয়৷‌ জুটার পক্ষ থেকে সম্পাদক জানান, এই অভিযোগ নিয়ে তাঁরা আচার্য কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে যাবেন৷‌ তাঁর সঙ্গে দেখা করে উপাচার্যের বিরুদ্ধে আনা ‘অভিযোগনামা’ তাঁর হাতে দেবেন৷‌ খুব শিগগিরই তাঁরা আচার্য রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবেন৷‌





kolkata || bangla || bharat || khela || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited