Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৬ ফাল্গুন ১৪২১ রবিবার ১ মার্চ ২০১৫
 প্রথম পাতা   বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  নেপথ্য ভাষন  খেলা  রবিবাসর    পুরনো সংস্করন  বইঘর 
নেপথ্য ভাষন -অশোক দাশগুপ্ত--সি পি এম ‘শেষ’? ।। বড়লোকের পৌষমাস--দেবারুণ রায়, দিল্লি ।। ছিন্নমূল মুকুল--দীপঙ্কর নন্দী ।। পুরভোটের আগেই চূড়াম্ত সিদ্ধাম্ত মুকুলের?--রাজীব চক্রবর্তী, দিল্লি ।। মানুষের খরচ বাড়ল: অসীম ।। কেন্দ্রীয় বাজেটকে স্বাগত রাজ্যের শিল্পমহলের ।। বাংলাকে আর্থিক প্যাকেজ, পক্ষাম্তরে বুজরুকি: তৃণমূল ।। প্যাকেজ আসলে ‘ভেলকি’: অমিত ।। কমল না কর, চাকুরেদের মাথায় হাত! ।। হাসতে হাসতে আরও ২ পয়েন্ট ।। ডিজেল, পেট্রলের দাম চড়ল ।। বুদ্ধদেব ৭১
বাংলা

ছিন্নমূল মুকুল

মানুষের খরচ বাড়ল: অসীম

অবাস্তব, বিভ্রাম্তিকর রাজ্য বাজেট: সরকারকে আক্রমণ কং, বামেদের

জুতো বদল নিয়ে ঝামেলা, ক্রেতা দম্পতিকে মার, দোকান ভাঙচুর

কেন্দ্রীয় বাজেটকে স্বাগত রাজ্যের শিল্পমহলের

প্যাকেজ আসলে ‘ভেলকি’: অমিত

দোলের আগে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি!

ব্রিগেডের প্রস্তুতি, অর্থ সংগ্রহে পথে নামলেন বিমান

রাজ্য বি জে পি যথারীতি...

অভিজিৎ-হত্যা, প্রতিবাদে যুবরা

মহার্ঘ ভাতা: আন্দোলনে তৃণমূলের কর্মী সংগঠন

যৌথ মঞ্চ গড়ে আন্দোলনে শিক্ষকরা

বুদ্ধদেব ৭১

সোয়াইন ফ্লুয়ে মৃত ১ শিশু

বোকা বানানোর বাজেট: প্রবোধ

ছিন্নমূল মুকুল

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

দীপঙ্কর নন্দী




মুকুলের সমস্ত ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হল৷‌ এখন তিনি শুধুমাত্র দলের রাজ্যসভার সদস্য৷‌ তাঁর এমন পরিণতি হবে, এটা বেশ কিছুদিন ধরেই দলের সকলে আঁচ করতে পেরেছিলেন৷‌ একসময় মমতা এই মুকুলকে দল চালাবার ক্ষমতা দিয়েছিলেন৷‌ দল চালাতে গিয়ে মুকুল দলের মধ্যেই অনেকের ঈর্ষার পাত্র হয়ে উঠেছিলেন৷‌ সারদা কেলেঙ্কারির পর সি বি আই মুকুলকে ডাকে৷‌ সি বি আই অফিসে হাজিরা দেওয়ার পর থেকেই দল থেকে দূরে সরতে থাকেন তিনি৷‌ দলে মমতার পরেই ক্ষমতা ছিল মুকুলের৷‌ তিনি যা বলতেন, মমতা শুনতেন৷‌ সেইমতো মুকুল কাজ করতেন৷‌ শোনা যায়, সি বি আই-তে গিয়ে যে সব কথা তিনি বলেছেন, তা দলের মধ্যে অনেকেই ঠিকভাবে মেনে নেননি৷‌ মমতাও মুকুলের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন৷‌ ধীরে ধীরে মুকুলের ডানা ছাঁটা হয়৷‌ কালীঘাটে মমতার ডাকা কয়েকটি বৈঠকে মুকুল কলকাতায় থেকেও আসেননি৷‌ মমতা মুকুলের ওপর আরও চটে যান৷‌ শুক্রবার দিল্লিতে শুভেন্দু সম্পর্কে মুকুল যে-সব মম্তব্য করেছেন, তা মমতার কানে যাওয়ার পরেই মমতা দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে মুকুলকে সরিয়ে দেওয়ার চূড়াম্ত সিদ্ধাম্ত নিয়ে ফেলেন৷‌ দলের মধ্যে ছেলে বিধায়ক শুভ্রাংশু, শিউলি সাহা, শীলভদ্র দত্ত, সব্যসাচী দত্ত-কে নিয়ে মুকুল প্রকাশ্যেই গোষ্ঠীবাজি শুরু করেন৷‌ মুকুলের নিজাম প্যালেসে গিয়ে এঁরা বসে থাকতেন৷‌ শীলভদ্র দিল্লিতে গিয়েও মুকুলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন৷‌ সেই অভিযোগে, শীলভদ্রের পরিষদীয় সচিবের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে৷‌ শুক্রবার বিধানসভায় শুভ্রাংশু মমতাকে প্রণাম করার পর মমতা শুভ্রাংশুর ওপর দুর্বল হয়ে পড়েন৷‌ অনেকেই মনে করছেন, মুকুলের পরামর্শেই শুভ্রাংশু বিধানসভায় এসে নেত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছেন৷‌ মুকুল ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক৷‌ পরে মমতা সুব্রত বক্সিকে মুকুলের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক করেন৷‌ শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে দলের বর্ধিত কর্মসমিতির বৈঠকে মমতা জানিয়ে দেন, এখন থেকে দলে একজনই সাধারণ সম্পাদক থাকবেন৷‌ তিনি এই পদের জন্য সুব্রত বক্সির নাম ঘোষণা করেন৷‌ এ ছাড়া ২১ জনকে নিয়ে কর্মসমিতি তৈরি করে দেন মমতা৷‌ এই কর্মসমিতিতে নিয়ে আসেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস ও নির্মল মাজিকে৷‌ অন্য সদস্যরা হলেন, চেয়ারপার্সন মমতা ব্যানার্জি, সুব্রত বক্সি, পার্থ চ্যাটার্জি, সুদীপ ব্যানার্জি, দীনেশ ত্রিবেদী, অমিত মিত্র, সুব্রত মুখার্জি, সৌগত রায়, শুভেন্দু অধিকারী, শোভন চ্যাটার্জি, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ, রত্না দে নাগ, কল্যাণ ব্যানার্জি, জাভেদ খান, পূর্ণেন্দু বসু, গৌতম দেব, তমোনাশ ঘোষ৷‌ সহ-সভাপতি করা হয়েছে দীনেশ ত্রিবেদী ও সুলতান আহমেদকে৷‌ এ ছাড়া যুগ্ম্মসাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম ও ডেরেক ও’ব্রায়েন৷‌ মমতার দীর্ঘদিনের সঙ্গী বিধায়ক তমোনাশকে এবার অনেকটাই গুরুত্ব দেওয়া হল৷‌ মমতার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তমোনাশ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন৷‌ মমতা তাঁকে তমা বলে ডাকেন৷‌ এবার তাঁকে দলের কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে৷‌ মমতাকে শ্রদ্ধা করেন৷‌ অনুগত সৈনিকের মতো সংগঠনের কাজ করেন তমোনাশ৷‌ মুকুল রাজ্যসভায় দলের নেতা ছিলেন৷‌ রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হামিদ আনসারিকে লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজ্যসভায় মুকুলের জায়গায় দলনেতা হয়েছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন৷‌ মুখ্য সচেতক করা হয়েছে সুখেন্দুশেখর রায়কে৷‌ শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে মমতা কর্মসমিতির সদস্যদের নাম নিজেই ঘোষণা করেন৷‌ মুকুল সম্পর্কে বলেন, খুব কাজের ছিলেন৷‌ আগে কাজ ভাল করত৷‌ আজকের বৈঠকে আসার জন্য মুকুলকে আমি চিঠি দিয়েছিলাম৷‌ ও জানিয়েছে, আসতে পারবে না৷‌ ইদানীং ও দলের কাজে সময় দিতে পারছিল না৷‌ বৈঠক শুরুর আগে দোলা সেনকে মমতা বলেন, যাঁরা এসেছেন তাঁদের ডেকে আনো৷‌ দোলা সকলকে বলেন, আপনারা নিজের জায়গায় গিয়ে বসুন৷‌ দিদি মিটিং শুরু করবেন৷‌ কালীঘাটে অভিষেক ব্যানার্জিকে দেখে দোলা মমতাকে বলেন, অভিষেক এসেছে৷‌ ওকে কি ডাকব? মমতা বলেন, না৷‌ ছোটরা ছোটদের মতো থাকুক৷‌ কালীঘাটের অফিসেই অভিষেক বসে থাকেন৷‌ সুদীপকে নিয়ে এসেছিলেন স্ত্রী নয়না৷‌ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্হ ছিলেন সুদীপ৷‌ সুদীপ বৈঠকে থাকলেও নয়না কিন্তু অফিসঘরে বসে ছিলেন৷‌ শিশির অধিকারী, অমিত মিত্র, ব্রাত্য বসু, পূর্ণেন্দু বসু, দীনেশ ত্রিবেদী, দেবব্রত ব্যানার্জি, তাপস রায় বৈঠকে ছিলেন৷‌ এ ছাড়াও প্রথম সারির নেতারা সকলেই আসেন কালীঘাটে৷‌ আধঘণ্টার বৈঠক৷‌ বৈঠকের পর হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের মুখে দাঁড়িয়ে সুব্রত মুখার্জি ও পার্থ চ্যাটার্জি সাংবাদিকদের কাছে কর্মসমিতির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন৷‌ এও বলেন, মুকুলের জায়গায় সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সুব্রত বক্সি৷‌ মমতা বৈঠক চলাকালীন অমিত মিত্রকে বলেন, অমিতদা, কেন্দ্রের বাজেট নিয়ে এদের কিছু বলে দিন৷‌ অর্থমন্ত্রী বলেন, জনবিরোধী বাজেট৷‌ মমতা নেতাদের বলেন, সোমবার নবান্নে বাজেট নিয়ে মিডিয়াকে বলব৷‌ তিনি শুধু বলেন, মহাত্মা গান্ধী নরেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কেন্দ্র কমিয়ে দিয়েছে৷‌ মমতা এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷‌ কর্মসমিতিতে বিধায়ক, শাখা সংগঠনের প্রধান, জেলা সভাপতি ও মন্ত্রীরা স্হায়ী ও আমন্ত্রিত সদস্য হয়ে থাকবেন৷‌





bangla || bharat || editorial || nepathya bhasan || khela || sunday || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited