Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ২ আশ্বিন ১৪২১ শুক্রবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
শুভেন্দু, রবীনকে ডাকল সি বি আই ।। ‌ট্যাক্সি নেই পথে, আজও নাকাল হবেন যাত্রীরা ।। যাদবপুর: উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছাত্রছাত্রীরা ।। পুলিস আইন মেনেই কাজ করেছে: নগরপাল ।। শিক্ষামন্ত্রীকে রাজ্যপাল: যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটিয়ে ফেলুন ।। ছোট ঘটনাকে তিল থেকে তাল করে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী ।। বাড়ছে বাণিজ্য, সীমাম্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানে রাজি চীন-ভারত ।। সুদীপ্ত, দেবিকা হাজিরা দেবেন বালেশ্বরের আদালতে ।। ব্রিটেন থেকে বিচ্ছিন্ন? ভোট দিল স্কটল্যান্ড ।। বকেয়া বিষয়ে উদ্যোগী হোক দিল্লি, চায় ঢাকা ।। সারদা তদম্তে সি বি আই আমাকে ডাকে না কেন? সূর্য ।। যাদবপুর-কাণ্ডে প্রতিবাদ
বাংলা

‌ট্যাক্সি নেই পথে, আজও নাকাল হবেন যাত্রীরা

শুভেন্দু, রবীনকে ডাকল সি বি আই

শিক্ষামন্ত্রীকে রাজ্যপাল: যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটিয়ে ফেলুন

মধ্যমগ্রাম গণধর্ষণ মামলা: ১১ মাসেই দোষী সাব্যস্ত ৫ অভিযুক্ত

ছোট ঘটনাকে তিল থেকে তাল করে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী

কাল তৃণমূলের সভায় দল ছাড়ছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ মান্নান

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চেক রাষ্ট্রদূত

বোনাস কম, বিক্ষোভ, ভাঙচুর হাওড়ার গ্লস্টার জুট মিলে

জামাইকে বাঁচাতে মত্ত যুবকদের হাতে খুন শ্বশুর

রাজ্যের ব্যাঙ্কহীন গ্রামে কানাড়া ব্যাঙ্কের ৫১টি শাখার উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রক্তের খোঁজ দিক অ্যাপস

সারদা তদম্তে সি বি আই আমাকে ডাকে না কেন? সূর্য

কামদুনি-কাণ্ড: ১৫ মাস পরে এখনও দোষীরা সাজা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

‌ট্যাক্সি নেই পথে, আজও নাকাল হবেন যাত্রীরা

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



আজকালের প্রতিবেদন: ‌ট্যাক্সি ধর্মঘটের প্রথম দিনেই চরম নাকাল হলেন সাধারণ মানুষ৷‌ সিটু রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তীর হিসেব, ১০০ শতাংশ সফল৷‌ শুক্রবারও একই চেহারায় জারি থাকবে এই ধর্মঘট৷‌ সেই সঙ্গে চলবে পরিবহণ ধর্মঘটও৷‌ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ী রাজ্য সরকারের অনমনীয় মনোভাব এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা না করে প্রতিহিংসার পথ নেওয়া৷‌ প্রায় একই কথা রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে গিয়ে বলে এসেছেন বিরোধী দলনেতা ডাঃ সূর্যকাম্ত মিশ্র৷‌ তিনি বলেন, ‌ট্যাক্সিচালকরা অনেকদিন ধরে ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করছেন৷‌ রাজ্য সরকারকে বার বার জানানো সত্ত্বেও কোনও স্হায়ী সমাধানের চেষ্টা করছে না৷‌ ফলে, ‌ট্যাক্সিচালকদের পাশাপাশি রাজ্যের সাধারণ মানুষ প্রবল অসুবিধেয় পড়ছেন বার বার৷‌ উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের অসুবিধের কথা বিবেচনা করে আপনি আপনার সরকারকে বলুন এই সমস্যার সমাধান করতে আলোচনায় বসার জন্য৷‌ এদিন সকাল থেকে শহরের কোথাও চোখে পড়েনি সাদা ‘নো রিফিউজাল’ বা হলুদ ‌ট্যাক্সি৷‌ বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, ধর্মঘটের কথা তো ৭ দিন আগে প্রকাশ্য সভায় ঘোষণা করা হয়েছিল৷‌ রাজ্য পরিবহণ দপ্তরকে লিখিতভাবে জানিয়েছিল চালকদের সব ক’টি সংগঠন৷‌ কিন্তু ধর্মঘট এড়াতে বা শ্রমিকদের সমস্যা মেটাতে কোনও রকম সদিচ্ছা দেখায়নি সরকার৷‌ ফলে ওঁরা বাধ্য হয়েছেন ধর্মঘটে যেতে৷‌ যতক্ষণ না সরকার ‌ট্যাক্সিচালকদের এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেবে, ততক্ষণ এই ধর্মঘট লাগাতার চলবে৷‌ সেই সঙ্গে শুক্রবার সিটু, এ আই টি ইউ সি, আই এন টি ইউ সি, এ আই টি ইউ সি সি, এ আই সি সি টি ইউ, টি ইউ সি সি, বি এম এস, এইচ এম এস যৌথভাবে রাজ্যে পরিবহণ ধর্মঘটেরও ডাক দিয়ে রেখেছিল ৭ দিন আগেই৷‌ শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, ৩ বছরে রাজ্যে ২০ হাজার বাস বসে গেছে৷‌ মানে ৫ লক্ষ মানুষের পেটে টান পড়েছে৷‌ সরকারি পরিবহণ কর্মীদের বেতন কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷‌ পরিবহণ কর্মীদের জমা দেওয়া মহার্ঘ ভাতার টাকা জমা পড়েনি৷‌ তার কোনও হিসেব নেই৷‌ ইতিমধ্যে ৮ জন পরিবহণ শ্রমিক আত্মহত্যা করেছেন৷‌ তা নিয়েও কোনও হেলদোল নেই এই সরকারের৷‌ অটো রিকশার ওপর এই সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই৷‌ যেখানে যা খুশি ভাড়া নিচ্ছে অটোচালকরা৷‌ বার বার এই সমস্ত কথা জানিয়ে পরিবহণ কর্মীরা আন্দোলন করেছেন৷‌ সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন৷‌ কোনও হেলদোল নেই সরকারের৷‌ তাই বাধ্য হয়ে তাঁরা ধর্মঘটের পথে গেছেন৷‌ শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে যে সরকারের পুলিস আলো নিভিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মারে, সেই সরকারের পুলিস ‌ট্যাক্সিচালকদের সঙ্গে কী ব্যবহার করে বুঝুন৷‌ সিটু নেতা সুভাষ মুখার্জি বলেন, সরকার সমাধান না করে দমন-পীড়নের পথে আন্দোলন ভাঙার চেষ্টা করছে৷‌ এতে সাধারণ মানুষের হয়রানি আরও বাড়বে৷‌ আমরা শ্রমিকরা কিন্তু সরকারের এই লাল চোখকে ভয় পাচ্ছি না৷‌ উল্লেখ্য, শুক্রবার পরিবহণ ধর্মঘটের ফলে রাজ্যের পরিবহণ পরিস্হিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকছে৷‌ কারণ, ‌ট্যাক্সিচালকদের সমর্থনে বন‍্ধে সামিল হবেন বিভিন্ন বেসরকারি পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা৷‌ বৃহস্পতিবার নিয়ে ৭ দিন ‌ট্যাক্সি না পেয়ে হয়রান হতে হল যাত্রীদের৷‌ ভাড়া বাড়ানো ও পুলিসি জুলুম বন্ধের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সিটু, এ আই টি ইউ সি-সহ ৬টি সংগঠন৷‌ তবে ধর্মঘটে নেই বেঙ্গল ‌ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন ও তৃণমূল সমর্থিত ‌ট্যাক্সি ইউনিয়ন৷‌ কিন্তু ওই দুই সংগঠনের সদস্যদেরও রাস্তায় দেখা যায়নি৷‌ বুধবার ছিল বিশ্বকর্মা পুজো৷‌ বৃহস্পতিবারও তাই রাস্তায় যানবাহন কম ছিল৷‌ অনেক বাসই এদিন সকালের দিকে রাস্তায় নামেনি৷‌ ‌ট্যাক্সিও নেই৷‌ যে ক’টি বাস চলেছে, তাতে ছিল বাদুড়ঝোলা ভিড়৷‌ তবু বাধ্য হয়েই ওই সব বাসে উঠতে হয়েছে৷‌ ট্রামেও অন্য দিনের থেকে বেশি ভিড় ছিল৷‌ এই সমস্ত দিনে শাট‍্ল গাড়ি আর অটোর দৌরাত্ম্য সবসময়ই চোখে পড়ে৷‌ রুট ভেঙে অটো যেখানে-সেখানে গিয়েছে৷‌ ভাড়াও নিয়েছে অনেক বেশি৷‌ মেট্রোর ভিড়ের কথা আলাদা করে না বললেও চলবে৷‌ এখানে উল্লেখ্য, এর আগে যেদিন ‌ট্যাক্সি ধর্মঘট হয়েছিল, সেদিন মেট্রোয় ভিড়ের রেকর্ড হয়েছিল৷‌ সেদিন মেট্রোয় উঠেছিলেন ৬ লাখ ৫৬ হাজার যাত্রী৷‌ তার আগে সংখ্যাটা ছিল ৬ লাখ ৪৬ হাজার৷‌ পরের সপ্তাহে মহালয়া৷‌ এ অবস্হায় ‌ট্যাক্সি না থাকায় পুজোর বাজার করতেও সমস্যা হয়েছে৷‌ হাতে দুটির বেশি ব্যাগ থাকলে অটোচালকরাও বাড়তি ভাড়া চাইছেন৷‌ কেউ কেউ আবার উঠতেও দিচ্ছেন না৷‌ রাসবিহারী, হাতিবাগান, গড়িয়াহাট, বড়বাজার সর্বত্রই চোখে পড়েছে হাতে বেশ কয়েকটি ব্যাগ নিয়ে বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন অনেকে৷‌ শিয়ালদা, হাওড়া, বিমানবন্দরের ছবিটা গত কয়েকদিনের মতোই একইরকম করুণ৷‌ অন্য রাজ্য ও বিদেশ থেকে কলকাতায় এসে চরম সমস্যায় পড়েছেন যাত্রীরা৷‌ শহরের ভেতরে ঢুকতে না পেরে অনেককেই হতাশ হয়ে হাওড়া-শিয়ালদা স্টেশনে বসে পড়তে দেখা গেছে৷‌ কেউ কেউ আত্মীয় বা বন্ধুদের ফোন করে গাড়ির ব্যবস্হা করেছেন৷‌ অনেকেই সেটা করতে পারেননি৷‌ বাধ্য হয়ে কাউকে কাউকে দেখা গেছে ভারী ব্যাগ নিয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে বাসে উঠতে৷‌ অফিস যাত্রীরা লোকাল ট্রেন থেকে স্টেশনে নেমে হাঁটা লাগিয়েছেন অফিসের উদ্দেশে৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited