Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৪ পৌষ ১৪২১ শনিবার ২০ ডিসেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  সংস্কৃতি  ঘরোয়া  পর্দা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
অবশেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদি-মমতা মুখোমুখি ।। যাদবপুর: সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শংসাপত্র নেওয়া সম্মানের ।। মদনের ১৪ দিনের জেল হেফাজত--সোমনাথ মণ্ডল ।। না জানিয়ে গ্রেপ্তার: রাজ্যপালকে নালিশ তৃণমূলের--দীপঙ্কর নন্দী ।। ২ মেয়েকে খুন, বাবাকে ফাঁসি দিল আদালত ।। সাহিত্য আকাদেমি উৎপলকুমার বসুকে ।। লাকভিকে আটকে মুখ বাঁচাল পাকিস্তান ।। ২ রাজ্যে শেষ দফার ভোট আজ, ফল ২৩শে ।। আজ শচীনের বিশ্বকাপ-গল্প, তাতাবেন সৌরভও ।। ভেন্টিলেশন থেকে স্বাস্হ্যে ফিরছে অস্ট্রেলিয়া ।। ৪৮ ঘণ্টায় ৩ হাজার জঙ্গির ফাঁসি চান পাক সেনাপ্রধান ।। বড়দিনেই আবার টয়ট্রেনে পাহাড়ে
বাংলা

মদনের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

না জানিয়ে গ্রেপ্তার: রাজ্যপালকে নালিশ তৃণমূলের

সাহিত্য আকাদেমি উৎপলকুমার বসুকে

চুরির অভিযোগে ছাত্রকে খুন করে দেহ লোপাট!

বড়দিনেই আবার টয়ট্রেনে পাহাড়ে

ধর্মঘটে শহর থেকে উধাও ৫০ হাজার ‌ট্যাক্সি

কিছুটা দুর্বল হল উত্তুরে হাওয়া

জেলে বসে মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে টাকা চেয়ে পুলিস কর্তাকে ফোন!

অনাস্হায় হেরে দলেরই সদস্যের ওপর হামলা তৃণমূলিদের!

মঙ্গলবার শাম্তিনিকেতনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

আজ শহিদ মিনার ভরিয়ে চমক দিতে চায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

বিশ্বভারতীতে অচলাবস্হায় আলোচনাই পথ: সোমনাথ

সি পি এমের নাম জড়িয়ে পার পেতে চাইছেন মদন: বিমান

জুটার কাজকর্মজ্ঞ নেতৃত্বকে চিঠি দিলেন দুই অধ্যাপক

২ মেয়েকে খুন, বাবাকে ফাঁসি দিল আদালত

চিটফান্ড নিয়ে ম্যাজিক!

৬ দল নিয়ে রেজ্জাকের ভোটের মঞ্চ ‘গণফ্রন্ট’

সালিশি সভায় অপমান, জরিমানা, আত্মঘাতী বধূ

ঠিকা প্রজা ও ভাড়াটিয়া চিহ্নিতকরণে কর্মশালা

বড়দিনের আবাহনে পথে টেকনো-ছাত্ররা

কাল থেকে শিশু চলচ্চিত্র উৎসব

গঠিত ৫৫ জনের কমিটি

ক্ষতিপূরণ দিলে পণ্য পরিষেবা করে সম্মতি: অমিত মিত্র

প্রতিবাদী সমাবেশ ‘মানুষের অধিকারে’

মদনের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে ভর্তি এস এস কে এমে

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

সোমনাথ মণ্ডল




জামিনের আর্জি খারিজ করে সারদা-কাণ্ডে ধৃত পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্রকে জেলেই পাঠাল আদালত৷‌ দু’দফায় ৭দিন পুলিস হেফাজতে থাকার পর মদন মিত্রকে শুক্রবার দুপুরে আলিপুর আদালতে বিচারক হারাধন মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে তোলা হয়৷‌ সওয়াল-জবাব শেষে মামলার গুরুত্ব পর্যালোচনা করে বিচারক মদন মিত্রকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন৷‌ নতুন বছরের ২ জানুয়ারি মদন মিত্রকে ফের আদালতে তোলা হবে৷‌ যদিও আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে মদনবাবুকে বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি৷‌ জেলে পৌঁছানোর পরই তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন৷‌ জেলের চিকিৎসক তাঁর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন৷‌ নিয়ে যাওয়া হয় এস এস কে এম হাসপাতালে৷‌ জানা গেছে, মদন মিত্রকে কার্ডিওলজি বিভাগে রাখা হয়েছে৷‌ সৃঞ্জয় বসুর পাশের কেবিনেই মদনবাবু রয়েছেন৷‌ হাসপাতাল চত্বরেও কড়া পুলিস নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে৷‌ এখানেই মদনের অনুগামীরা ভিড় করে রয়েছেন৷‌ এদিকে, এদিন দুপুরে সি জি ও কমপ্লেক্স থেকে মদন মিত্রকে কড়া পুলিসি পাহারায় নিয়ে যাওয়া হয় আলিপুর আদালতে৷‌ গতদিনের মতো এদিনও আদালত চত্বরে ছিল ব্যাপক পুলিসি নিরাপত্তা৷‌ ছিলেন পদস্হ পুলিস কর্তারাও৷‌ প্রথমদিকে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক ও মদন-অনুগামীদের ভিড় না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালত চত্বরে ভিড় বাড়তে শুরু করে৷‌ মদন মিত্রের জেল হয়েছে এই খবর রটে যেতেই, বহু অনুগামী আদালতের কাছে চলে আসেন৷‌ এদিনও তাঁরা স্লোগান দেন৷‌ মদন মিত্রকে পুলিসের গাড়িতে তোলার সময় শুরু হয় পুষ্পবৃষ্টি৷‌ অনুগামীরা গাড়ির সামনে চলে আসেন৷‌ যদিও এদিন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই৷‌ সি জি ও কমপ্লেক্স থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মদন বলেন, হ্যাঁ, সি বি আইকে বলেছি, রবীন দেব, সুজন চক্রবর্তী ও মহম্মদ সেলিমের নাম৷‌ তবে আদালতে বলতে উঠে সে সমস্ত নাম আর নেননি মদন মিত্র৷‌ যদিও সি পি এম নেতাদের দাবি, যেহেতু মদনের কীর্তি ফাঁস হয়ে যাচ্ছে, তাই আমাদের নাম নিয়ে জনগণকে বিভ্রাম্ত করার চেষ্টা করছেন মদন৷‌ মিথ্যা কথা বলছেন৷‌ মদন মিত্র এজলাসে দাঁড়িয়ে বিচারককে বলেন, আমাকে একা ঘরে রাখা হয়েছিল৷‌ একজন এসে বলে, ভয়েস স্যাম্পল রেকর্ড করব৷‌ আমি তা করতে বারণ করি৷‌ তখন আমাকে ওরা বলে, সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার আছে৷‌ আমাকে জোর করে বলে, দিতেই হবে৷‌ না দিলে পরে ঝামেলায় পড়বেন৷‌ একটু থেমে মদন মিত্র ফের বলেন, সি বি আই বলছে, আমি সারদার সভায় গেছি, বক্তৃতা দিয়েছি৷‌ সেজন্য নাকি ২৬ লাখ আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷‌ কিন্তু ১৭ নভেম্বর সারদা রিয়েলটি মামলার চার্জশিট হয়েছে৷‌ কিন্তু কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেননি! মদন মিত্রের আইনজীবী অশোক মুখার্জি আদালতে বলেন, সারদা রিয়েলটি মামলায় ১৭ তারিখ চার্জশিট হয়েছে৷‌ সেখানে মদন মিত্রের নাম নেই৷‌ এমনকি কেস ডায়েরিতেও মদন মিত্র জড়িত, এমন প্রমাণ নেই৷‌ কেস ডায়েরি পেশ করা হোক৷‌ সি বি আইয়ের আইনজীবী আদালতে কেস ডায়েরি পেশ করছেন না কেন? কীসের ভিত্তিতে মদন মিত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে? মাননীয় মন্ত্রী সমাজের বিশিষ্ট মানুষ, জনপ্রতিনিধি৷‌ তাঁকে জামিন দেওয়া হোক৷‌ প্রায় দেড়ঘণ্টা আদালতে বক্তব্য পেশ করেন মদন মিত্রের আইনজীবী৷‌ বিভিন্ন মামলার রেফারেন্স দিয়ে কেন মদন মিত্র জামিন পাবেন– তার আইনি ব্যাখ্যা দেন৷‌ সি বি আইয়ের আইনজীবী পার্থসারথি দত্ত আদালতে বলেন, নিয়মিত সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল মদন মিত্রর৷‌ তাঁর তথ্যপ্রমাণ সি বি আইয়ের কাছে আছে৷‌ আমরা গত দু’বার মদন মিত্রকে আদালতে হাজির করেছি৷‌ উনি ‘পাওয়ারফুল’ ব্যক্তি৷‌ এই মামলা থেকে যদি জামিন দেওয়া হয়, তা হলে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷‌ মামলার গুরুত্ব বিচার করে ওঁকে যেন জামিন না দেওয়া হয়৷‌ ১৪ দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানাচ্ছি৷‌ এর পর মদন মিত্রকে আদালত থেকে আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়া হয়৷‌ জানা গেছে, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে জেলের ৩নং সেলে তাঁকে রাখা হয়েছিল৷‌ আদালতে মদন মিত্রের আইনজীবী প্রথম শ্রেণীর বন্দীর মর্যাদা এবং তাঁর যাবতীয় চিকিৎসারব্যাপারে নজর দেওয়ার আবেদন জানান৷‌ সি বি আইয়ের সমালোচনা করে অভিযুক্তের আইনজীবী বলেন, জবানবন্দী নেওয়া হয়েছে৷‌ কিন্তু যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর নাম বলানোর চেষ্টা হচ্ছে, সেই রেকর্ড রাখা হচ্ছে না৷‌ গুরুত্ব দিয়ে যেন আদালত যেন বিষয়টি নথিভুক্ত করে রাখেন৷‌ আইনজীবী বলেন, সি বি আইকে নাকি আমরা বলতে দিচ্ছি না, বিষয়টি ঠিক নয়৷‌ সি বি আইয়ের আইনজীবী নিজেই কোর্টকে বলুন,আমরা কোনওরকম বাধা দিচ্ছি কি না৷‌ তিনি মদনের শারীরিক অসুস্হতার কথা ফের তুলে ধরেন৷‌ বলেন, আগে তো মানুষটা বেঁচে থাকুক৷‌ পরে বিচার৷‌ মানুষ যদি বেঁচেই না থাকে, বিচার হবে কী করে৷‌ আদালতে হাজির ছিলেন মদন মিত্রের দুই ছেলে৷‌ অন্যদিকে, এদিন সি বি আইয়ের আইনজীবী বিচারককে জানান, বন্দী দেবব্রত সরকার, সন্ধির আগরওয়াল, রজত

মজুমদার-সহ ৫ জনকে যাতে জেলে গিয়ে জেরা করা যায়, তার অনুমতি দেওয়া হোক৷‌ তখনই অভিযুক্তদের আইনজীবী বাধা দেন৷‌ বলেন, এ বিষয়ে এখন আলোচনার দরকার নেই৷‌ যেদিন শুনানি হবে, সেদিন আবেদন করবেন৷‌ বিচারক বলেন, আগামী ৩১ তারিখ এ বিষয়ে রায় দেওয়া হবে৷‌ রাতে হাসপাতালে দেখতে যান মদনবাবুর স্ত্রী, পুত্রবধূ এবং দুই ছেলে৷‌ তাঁর শারীরিক পরিস্হিতি আপাতত স্হিতিশীল বলে জানা গেছে৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
sangskriti || ghoroa || tv/cinema || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited