Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১১ চৈত্র ১৪২১ বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডু গ্রেপ্তার ।। বি জে পি রাজ্য দপ্তরে বুধবার ধুন্ধুমার কাণ্ড! ।। চোখে চোখ রেখে কথা বলব: রোহিত--দেবাশিস দত্ত, সিডনি ।। বিদায়ের ঘণ্টা ফ্লেচারের!--দেবাশিস দত্ত, সিডনি ।। অস্ট্রেলিয়াই ফেবারিট--গ্লেন ম্যাকগ্রাথ ।। ভারত জিতলে অবাক হবেন বুকানন!--দেবাশিস দত্ত, সিডনি ।। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ দমনে বাহিনী হবে রাজ্যে ।। ক্রিকেট জুয়া চক্রে কলকাতার সঙ্গে জড়িয়ে গেল কেরল থেকে সিঙ্গুর ।। সাহারা প্রধানের জামিনের চেষ্টা ফের মুখ থুবড়ে পড়ল ।। স্বাধীনতা দিবসে গ্রেপ্তারের ভয়ে শহিদ মিনারে যাবেন না খালেদা ।। বাংলাদেশ ৪৫: শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির ।। গৌতম দেব বাড়ি গেলেন
বাংলা

বি জে পি রাজ্য দপ্তরে বুধবার ধুন্ধুমার কাণ্ড!

ব্যাপম-দুর্নীতিতে জড়িত শৈলেশের রহস্যমৃত্যু?

রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডু গ্রেপ্তার

নবদিগম্তের বাজেট: তৈরি হচ্ছে লিঙ্ক রোড, ভূগর্ভস্হ কেব‍্ল লাইন, বহুতল পার্কিং

আলুচাষীদের আত্মহত্যা: রাজ্যপালকে স্মারকলিপি বামফ্রন্ট বিধায়কদের

বি জে পি অসভ্য, মোদি গব্বর: ফিরহাদ

উচ্চমাধ্যমিকে অঙ্কের প্রশ্নে তিনটি ভুল?

ব্যারাকপুরে বি জে পি-র হয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন প্রাক্তন ফুটবলার স্বপন

বল ভেবে বোমা নিয়ে লোফালুফি, মৃত্যু ছাত্রের

পর্ষদ প্রধান কার্যত ঘেরাও

মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ দমনে বাহিনী হবে রাজ্যে

নীতু ভর্তি হলেন মেডিকো নার্সিংহোমে

প্রার্থী হলেন মন্ত্রীর স্ত্রী

বাংলাদেশ ৪৫: শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

গৌতম দেব বাড়ি গেলেন

বি জে পি রাজ্য দপ্তরে বুধবার ধুন্ধুমার কাণ্ড!

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: বি জে পি রাজ্য দপ্তরে বুধবার ধুন্ধুমার কাণ্ড! হাতাহাতি, মাথা ফাটা, লাঠিপেটা কিছুই বাকি ছিল না৷‌ তবে এ ক’দিন বি জে পি রাজ্য দপ্তরে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ, প্রতিবাদ হয়েছিল৷‌ বুধবার তা নয়৷‌ বুধবারের বিক্ষোভ প্রতিবাদের মূল ইস্যু ছিল ‘দুর্নীতি’৷‌ আর যাঁরা বিক্ষোভ করতে এসেছিলেন, তাঁদের অন্যতম অভিযোগ ছিল, রাজ্য নেতৃত্ব দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্হা নিচ্ছে না৷‌ এদিন হাতাহাতি হয় বিক্ষুব্ধ বি জে পি বনাম দায়িত্বে-থাকা বি জে পি৷‌ বি জে পি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বুধবার এক পৃথক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য দপ্তর থেকে বিক্ষুব্ধ বি জে পি কর্মীদের যে মেরে তাড়ানো হয়েছে, তা সমর্থন করেন৷‌ তিনি বলেন, নেতারা নিগৃহীত হলে কর্মীরা কি হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবে! এদিকে, বুধবার শিলিগুড়িতে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিক্ষোভ চরমে ওঠে৷‌ প্রতিবাদে কোনও বিক্ষোভকারী দলীয় প্রতীক ছিঁড়ে ফেলেন, কোনও বিক্ষুব্ধ আত্মহত্যার হুমকি দেন, কেউবা আবার প্রতিবাদে বলেন, বামপ্রার্থীকে ভোট দেব, কেউ কেউ আবার নির্দল হয়ে দাঁড়িয়ে যান৷‌ বুধবার দুপুর ১-৫০ নিমিট নাগাদ রাজ্য দপ্তরে জনা ৩৫ কর্মী বিক্ষোভ করতে আসেন৷‌ তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাক্তন সভাপতি জয়ম্ত বসু৷‌ ২০০১-০৫ পর্যম্ত তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি ছিলেন৷‌ তাঁর নেতৃত্বে বুধবার তাঁর অনুগামীরা রাজ্য দপ্তরে আসেন৷‌ তাঁদের হাতে ছিল পোস্টার, মুখে ছিল স্লোগান৷‌ তাঁরা বলছিলেন, তাঁদের জেলার দলীয় নেতৃত্ব ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে, রাজ্য নেতৃত্ব কোনও ব্যবস্হা নিচ্ছে না৷‌ পরোক্ষভাবে বিক্ষোভকারীরা রাজ্য নেতৃত্বকে দুর্নীতির দায়ে জড়িয়ে দেয়৷‌ এই জয়ম্ত বসুকে ৩ মাস আগে শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করা হয়৷‌ সেজন্য জয়ম্তবাবুকে বলা হয়, ‘আপনি দল থেকে বহিষ্কৃত৷‌ এখন আপনাকে দলের সম্পর্কে কিছু বলতে গেলে আপনার জেলা নেতৃত্বের মাধ্যমেই বলতে হবে, তাঁদের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে হবে৷‌’ জয়ম্ত বসুকে বহিষ্কার করার আগে শোকজ করা হয়৷‌ কিন্তু তিনি সেই শোকজের জবাব দেননি৷‌ শোকজ উপেক্ষা করার জন্য তাঁকে শেষ পর্যম্ত দল থেকে ৬ বছরের জন্য বের করে দেওয়া হয়৷‌ বিক্ষোভ চলার সময় অসীম সরকার-সহ বেশ কয়েকজন নেতা নিচে নেমে আসেন৷‌ তাঁরা বিক্ষোভকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁরা ব্যর্থ হন৷‌ বিক্ষোভকারীরা লাঠি নিয়ে তেড়ে যান৷‌ তাতে বিধাননগরের বি জে পি নেতা অশোক সরকারের ছেলে অভীক সরকারের মাথা ফেটে যায়৷‌ তাঁকে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷‌ অভীক সরকারের মাথা ফেটে যাওয়ার খবরে আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে৷‌ তখন রাজ্য দপ্তরে থাকা কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে হইহই করে নেমে আসেন৷‌ দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে যায়৷‌ তখনও বিক্ষোভকারীদের মুখে স্লোগান– ‘রাহুল সিনহা জবাব দাও, দুর্নীতি বন্ধ করো’৷‌ বিক্ষোভকারীরা হুমকি দিয়ে বলেন, তাঁদের দাবি না মেটানো হলে তাঁরা শ্যামাপ্রসাদের মূর্তির সামনে অনশন করবেন৷‌ তখন অসীম সরকার ও প্রতাপ ব্যানার্জি রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষে বলেন, আপনি যে প্রতিবাদই করুন না কেন, তা করতে হবে আপনার জেলায় গিয়ে৷‌ এখানে আপনার কথার কোনও গুরুত্ব নেই৷‌ তাতেও বিক্ষোভকারীরা দমেননি৷‌ তার পর দু’পক্ষই লাঠি নিয়ে মারামারি শুরু করে দেয়৷‌ অবশেষে রাজ্য কর্মীদের লাঠিপেটায় বিক্ষোভকারীরা দলীয় দপ্তর ছেড়ে চলে যান৷‌ এর আগে ক্যালকাটা জার্নালিস্ট ক্লাবে বি জে পি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার রাজ্য দপ্তরে যে বিক্ষোভ হয়েছে, তাতে তৃণমূলের লোকই বেশি ছিল৷‌ বি জে পি-র কর্মী ছিলেন গুটিকয়েক৷‌ যারা আমাদের অফিস আক্রমণ করছে, আমাদের নেতাদের নিগ্রহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্হা নিতেই হবে৷‌ আর যতক্ষণ আমাদের দলীয় দপ্তরে গোলমাল চলেছে, ততক্ষণ পুলিস ছিল নীরব৷‌ বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যম্ত বিক্ষোভ চলেছে৷‌ তাতেও কি আমাদের কর্মীরা হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবে! ৩৮ নং ওয়ার্ডের বিশাল জয়সওয়ালের বিরুদ্ধে পুলিসের খাতায় মামলা আছে৷‌ আমরা এ ধরনের দাগ-লাগা কাউকে প্রার্থী করতে চাই না৷‌ তাই সেখানে মদনলাল গুপ্তাকে প্রার্থী করা হয়েছে৷‌ আমাদের সহিষ্ণুতার সুযোগ নিয়ে বিক্ষোভকারীরা যথেচ্ছাচার করবে, তা মানা যায় না৷‌ তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এখন নির্বাচন ফেলেছে৷‌ যাতে বিরোধীরা মাইক না ব্যবহার করতে পারে৷‌ মাইকের মাধ্যমে ঘরে ঘরে আমাদের বক্তব্য পৌঁছে যেত৷‌ এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার বি জে পি-র ৫ নেতা দিল্লি যাচ্ছেন৷‌ সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে কথা বলবেন৷‌ ২০১৬ সালের নির্বাচন নিয়ে যে রোডম্যাপ তৈরি হবে, তারই আলোচনায় তাঁরা দিল্লি যাচ্ছেন৷‌ এদিকে, খড়গপুর পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৬টি ওয়ার্ডে গোঁজ প্রার্থী দাঁড় করাল বিক্ষুব্ধরা৷‌ দু’দিন ধরে খড়গপুরে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে লাগাতার বিক্ষোভ চলছে৷‌ রাহুল সিনহা ও খড়গপুরের সভাপতি প্রেমচাঁদ ঝা-র কুশপুতুল পোড়ানো হল৷‌ জেলা বি জে পি নেতা সুকুমার ভুঁইয়া জানান, ৩৫টি ওয়ার্ডের জন্য ১৫০ জন দাবিদার৷‌ সুতরাং আমাদের যোগ্য প্রার্থী কে, কে জিততে পারেন, তা খতিয়ে দেখে প্রার্থী বাছাই করতে হয়েছে৷‌ এদিকে, শিলিগুড়িতে প্রার্থী নিয়ে বিক্ষোভ চরমে৷‌ তার জেরেই বি জে পি-তে ভাঙন দেখা দিতে শুরু করল৷‌ মনোনয়ন জমা করার শেষ দিনে খোদ শিলিগুড়ি জেলা বি জে পি-র সহ-সভাপতি দলের প্রতীক ছিঁড়ে হাওয়ায় ওড়ালেন৷‌ নির্বাচনী দপ্তরের সামনে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে জানিয়ে রাখলেন, তিনি দলের সব পদ ছেড়ে দেবেন৷‌ বি জে পি দলের প্রার্থী পর্যম্ত হবেন না৷‌ তবে কেউ যাতে মনে না করে যে পালিয়ে গেলাম, তাই নির্দল হয়েই শিলিগুড়ির ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে লড়াই করব৷‌ অন্যদিকে, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের বি জে পি সমর্থকেরা স্হানীয় বি জে পি নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে জানালেন, ওঁরা তৃণমূলের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে৷‌ এর প্রতিশোধ ভোটে দেব৷‌ আমরা দুই দলকে শায়েস্তা করতে বামপ্রার্থীকে ভোট দেব৷‌ বি জে পি-র দলীয় কোন্দল নিয়ে এদিন শিলিগুড়ি আদালত চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে৷‌ ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে বি জে পি-র প্রার্থী করার জন্য নাম ঘোষণা করা হয় সন্টু দাসের৷‌ সেইমতো সন্টু দাস মনোনয়ন জমাও করেন৷‌ এলাকায় বেশিরভাগ দেওয়াল লিখন হয়ে গেছে সন্টুর নামেই৷‌ এদিন ছিল মনোনয়নের শেষ দিন৷‌ হঠাৎ জেলা সভাপতি জানিয়ে দেন, সন্টুকে তাঁরা দলীয় প্রতীক দেবেন না৷‌ কারণ হিসেবে পাওয়া গেল, সন্টুর স্ত্রী মীনাক্ষী দাস চিটফান্ড সংস্হার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷‌ সেই সূত্রে স্বামী সন্টুও তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন৷‌ তেমন কাউকে দল প্রতীক দেবে না বলে সিদ্ধাম্ত হয়েছে৷‌ শেষ মুহূর্তে আর নতুন প্রার্থী দেওয়া যাবে না বলে, ওই ওয়ার্ড ফাঁকাই রাখা হবে৷‌ মীনাক্ষী দাস জানান, এটা একটা আত্মসম্মানের ব্যাপার৷‌ দলের ছাড়পত্র না পেলে আত্মহত্যা করব৷‌ সন্টু দাস জানান, তাঁর স্ত্রী র্যামেলের এজেন্সি নিলেও কাজ করেননি৷‌ এটা তো বড় টাকার খেল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে৷‌ ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বি জে পি প্রার্থী মনোরঞ্জন সাহা (তুফান) দলের সহ-সভাপতি৷‌ ৩৮ নম্বরের প্রার্থী বাছাই তিনিই করেছিলেন৷‌ এভাবে হঠাৎ দল সিদ্ধাম্ত নেওয়ায় তিনিও দলের প্রতীক ছিঁড়ে ফেলে নির্দল হয়ে যান এবং পদ ছাড়ার কথা জানান৷‌ এখানকার সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া এবং রাজ্য নেতারা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছেন৷‌ ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে অর্পিতা দাসকে প্রার্থী করা হবে বলে জানান অর্পিতা এবং সমর্থকেরা৷‌ পরে ঘোষণা করা হয় প্রার্থী হবেন অরুণিমা বর্মন৷‌ প্রতিবাদ করলে অর্পিতাকেই মনোনয়ন জমা করতে বলা হয়৷‌ কিন্তু মনোনয়ন জমা করতে গেলে দেখা যায় তাঁকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না দল৷‌ ফলে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের লোকজনও বিক্ষোভে সামিল হন৷‌ পরে সব বি জে পি কর্মী ঠিক করেন, জেলা সভাপতিকে এদিনই ঘেরাও করে জবাব চাইবেন৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited