Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৮ শ্রাবণ ১৪২১ শুক্রবার ২৫ জুলাই ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
শিশুকে গণধর্ষণ! তান্ত্রিক মরল গণপিটুনিতে ।। ব্যাঙ্কের কর্মী পরিচয় দিয়ে ছাত্রীকে অ্যাসিড ছুঁড়ে পলাতক যুবক ।। সারদায় আমিই প্রতারিত: ই ডি-কে বললেন মিঠুন ।। ই সি এলের চুনীলাল সাসপেন্ড হতেই গ্রেপ্তার ।। পাক-বধূ বলে সানিয়াকে অপমান বি জে পি-র! ।। বিদেশি পুঁজি বাড়ল, বিমা বিল এবার? ।। শপথ নিয়ে কেশরীনাথ: মমতার সঙ্গে সঙঘাত নয় ।। কুমোরটুলিতে মশাসুরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পুরসভা ।। এবার আফ্রিকায়! বিমান ধ্বংস ১১৬ আরোহী নিয়ে ।। পূজার খোঁজে ভিন রাজ্যে হানা পুলিসের ।। উত্তম-সুচিত্রা চলচ্চিত্র উৎসব শুরু নন্দনে ।। দুটি ফিল্মসিটি হবে রাজ্যে: মুখ্যমন্ত্রী
বাংলা

শপথ নিয়ে কেশরীনাথ: মমতার সঙ্গে সঙঘাত নয়

পূজার খোঁজে ভিন রাজ্যে হানা পুলিসের

সরকার মারণ জ্বর রুখতে ব্যর্থ: বিমান বসু

প্রেমের সাজা মৃত্যু? অগ্নিগর্ভ বাগডোগরা

শিশুকে গণধর্ষণ! তান্ত্রিক মরল গণপিটুনিতে

সেবি-র শোকজের পরেও সুদীপ্তর কারবার চলছিল কাদের সাহায্যে? চিহ্নিত করছে সি বি আই

দুটি ফিল্মসিটি হবে রাজ্যে: মুখ্যমন্ত্রী

পার্থ বিশ্ববিদ্যালয়কেই দুষলেন ভক্তবালা-কাণ্ডে

ই সি এলের চুনীলাল সাসপেন্ড হতেই গ্রেপ্তার

গৃহশিক্ষকের তথ্য জানিয়ে রাখুন থানাতে

এনসেফেলাইটিসে ফের মৃত্যু, আসছে কেন্দ্রের দল

সারদায় আমিই প্রতারিত: ই ডি-কে বললেন মিঠুন

ব্যাঙ্কের কর্মী পরিচয় দিয়ে ছাত্রীকে অ্যাসিড ছুঁড়ে পলাতক যুবক

তৃণমূল নেতাকে ধরায় সরতে হল শিবানীকে?

খরাপ্রবণ ৫০ হাজার হেক্টর সেচের আওতায় আনছে রাজ্য

গোদালাকে ই ডি-র ৬ ঘন্টা জেরা

শপথ নিয়ে কেশরীনাথ: মমতার সঙ্গে সঙঘাত নয়

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সবরকম সঙঘাত এড়িয়ে চলবেন৷‌ বৃহস্পতিবার শপথগ্রহণের পর তিনি তা স্পষ্ট করে দেন৷‌ শুধু তাই নয়, তিনি মমতা ব্যানার্জিকে পাশে রেখে তাঁকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন এবং জানালেন, রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর মনোভাব হবে সমঝোতার৷‌ তিনি মমতা ব্যানার্জি সম্পর্কে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু দক্ষতার সঙ্গে সামলান৷‌ তবে রাজ্যপাল এ কথা বলতে ভুললেন না যে, হিংসা বরদাস্ত করা হবে না তিনি৷‌ মুখ্যমন্ত্রী এদিন শপথগ্রহণের পর চা-পানের সময় হাসিমুখে রাজ্যপালের পাশে ছিলেন৷‌ দু’জনের মধ্যে টুকটাক কথাও হয়েছে৷‌ এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস বা সি পি এমের কোনও প্রতিনিধি হাজির ছিলেন না৷‌ কংগ্রেস এবং সি পি এমের কোনও বিধায়ককেও দেখা যায়নি৷‌ কারণ, তাঁরা আমন্ত্রিতই ছিলেন না৷‌ তবে সরকারের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ডাঃ সূর্যকাম্ত মিশ্রের কাছে৷‌ পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির জন্য তিনি এই অনুষ্ঠানে যে থাকতে পারবেন না, তা চিঠি দিয়ে জানিয়েও দিয়েছিলেন সূর্যকাম্ত মিশ্র৷‌ এদিন তিনি দলীয় কর্মসূচিতে উত্তরবঙ্গে রয়েছেন৷‌ এদিকে, রাজ্যপাল প্রায় ৯০ জন সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন৷‌ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুধা ত্রিপাঠী, মেয়ে-জামাই, নাতি-নাতনিরা৷‌ মূল অনুষ্ঠানের পর রাজ্যপালের এক নাতনিকে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি তুলতে৷‌ মমতা ব্যানার্জিও হাসিমুখে মেয়েটির সামনে পোজ দেন৷‌ শপথে যোগ দেওয়ার জন্য এলাহাবাদ থেকে কলকাতায় এসেছেন রাজ্যপালের বেশ কয়েকজন চেনাশোনা ও পরিজনবর্গ৷‌

এদিন দুপুর দেড়টায় রাজভবনের থ্রোন রুমে কেশরীনাথ ত্রিপাঠীকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অসীমকুমার ব্যানার্জি৷‌ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মুখ্য সচিব সঞ্জয় মিত্র৷‌ অনুষ্ঠান শুরুর আগেই চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ব্যানার্জি, পার্থ চ্যাটার্জি, অমিত মিত্র, মণীশ গুপ্ত, ববি হাকিম, মদন মিত্র, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা৷‌ অনুষ্ঠানে প্রথম থেকেই উপস্হিত ছিলেন বি জে পি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা-সহ রাজ্য বি জে পি নেতারা৷‌ বিদেশি দূতাবাসের প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর প্রতিনিধি-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন৷‌ সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের পর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা চা-পানের জন্য ইয়েলো ড্রয়িংরুমে উপস্হিত হন৷‌ তখন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল রায়ের সঙ্গে রাজ্যপালের পরিচয় করিয়ে দেন৷‌ চা-চক্রে রাহুলবাবু নতুন রাজ্যপালের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন৷‌ চা-পানের পর রাজ্যপাল দু’দফায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন৷‌ একবার ইয়েলো ড্রয়িংরুমে, তার পর রাজ্যপালের স্টাডিতে৷‌ তিনি বলেন, তাঁর মূল দায়িত্ব সংবিধানের মধ্যে থেকে কাজ করা৷‌ তিনি জানান, ‘আমি মন্ত্রী, বিধায়ক ছিলাম৷‌ এখন এটা আমার নতুন কাজ৷‌ রাজ্যপালের কী কাজ, তা সংবিধানে বলা আছে৷‌ আমি সেই সংবিধান মেনে চলব৷‌ সঙঘাত ডেকে আনা রাজ্যপালের কাজ নয়৷‌’ এই সুযোগে তিনি নিজের সম্পর্কে একটি ছোট্ট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন৷‌ তিনি বলেন, আমি কম কথা বলি৷‌ আইনের পাঠ নেওয়ার সময় আমাদের শেখানো হয়েছিল কী বলতে হবে, কী বলতে হবে না, কতটুকু বলতে হবে, কতটুকু বলা যাবে না৷‌

ল্তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনার সঙ্গে এই সরকারের কীরকম সম্পর্ক হবে?

রাজ্যপাল: আমি কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে, কথা বলে রাজ্যপালের দায়িত্ব পালন করব৷‌ এক্ষেত্রে আমার ভূমিকা হবে সমন্বয়কারীর৷‌ রাজ্যের উন্নতির দিকে লক্ষ্য রেখে সব কাজ করব৷‌ রাজ্যের যাতে কল্যাণ হয়, সেদিকে নজর রাখাই হবে আমার প্রাথমিক দায়িত্ব৷‌ কেন্দ্রীয় সরকারি যেসব প্রকল্প আছে, রাজ্য চাইলে সেগুলির ব্যাপারে আমি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলব৷‌ কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প আটকে থাকলে বা তা নিয়ে কোনও সমস্যা থাকলে রাজ্য চাইলে আমি সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেব৷‌ আমি উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলার মানুষের ইচ্ছের মর্যাদা দেব৷‌

ল্যদি কোনও বিতর্ক হয়, তখন কী ভূমিকা নেবেন?

রাজ্যপাল: যদি কোনও বিতর্ক হয়, তবে আমি মধ্যস্হতাকারীর ভূমিকা নেব৷‌ কোনও বিষয়ে সঙঘাত ডেকে আনা রাজ্যপালের কাজ নয়৷‌ কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব৷‌ আমার মনে হয় না, কোনও সমস্যা হবে৷‌ সমস্যা হলে পারস্পরিক আলোচনা হবে৷‌ আমি সংবিধানের মধ্যে থেকেই সমস্যার সমাধান করব৷‌ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্যার মোকাবিলায় যথেষ্ট দক্ষ৷‌

ল্সন্ত্রাস হলে আপনি কী ব্যবস্হা নেবেন?

রাজ্যপাল: আমি সমস্ত রকম সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে৷‌ হিংসা বরদাস্ত করব না৷‌ আমি সন্ত্রাসের নিন্দা করি৷‌ সব রাজনৈতিক দলেরই উচিত শাম্তিপূর্ণভাবে, সংবিধান মেনে তাদের কাজকর্ম করা, হিংসা থেকে দূরে থাকা৷‌ সব রাজনৈতিক দলের উচিত, অন্য মতামতের প্রতি ধৈর্যশীল থাকা৷‌ সন্ত্রাস দূরে রাখার ক্ষেত্রে এর থেকে বড় সমাধান আর হয় না৷‌

ল্কেন্দ্রীয় ঋণের জন্য রাজ্যকে যে সুদ দিতে হয়, তা মকুব করার কথা মুখ্যমন্ত্রী বলে থাকেন৷‌ এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে কি মুখ্যমন্ত্রীর কোনও কথা হয়েছে?

রাজ্যপাল: কোনও সমস্যা নিয়েই এখনও কোনও কথা হয়নি৷‌ তবে পরে নিশ্চয় হবে৷‌

ল্কংগ্রেস এবং সি পি এম আপনার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করেছে৷‌

রাজ্যপাল: আমি এসব জানি না৷‌ ওঁরা ওঁদের কাজ করেছেন৷‌ সরকারেই থাকুন বা বিরোধী দলে, সংবিধানের মধ্যে থেকেই প্রত্যেকের কাজ করা উচিত৷‌ কেউ যদি বলেন, সংবিধান মানব না, তবে বিশৃঙ্খলা হবে৷‌ আমি মনে করি, সাংবিধানিক ক্ষমতায় যিনিই থাকুন, তাঁর সম্মান প্রাপ্য৷‌ এ রাজ্যের কংগ্রেস বা সি পি এম-কে আমি জানি না৷‌ তাঁরাও আমাকে জানেন না৷‌ ওঁদের বয়কট করার কারণ জানি না৷‌ বয়কট করে যদি তাঁরা খুশি থাকেন, তবে তাই থাকুন৷‌

ল্বাংলার সঙ্গে আপনার কি কোনও সম্পর্ক জড়িয়ে আছে?

রাজ্যপাল: বিষ্ণুকাম্ত শাস্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল৷‌ সেবার আমি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলাম৷‌

ল্গোপালকৃষ্ণ গান্ধী রাজ্যের রাজ্যপাল হওয়ার পর বাংলা শিখেছিলেন৷‌ আপনি কি শিখবেন?

রাজ্যপাল: আমি বেশ কয়েকটি বাংলা বইয়ের হিন্দি অনুবাদ আনাচ্ছি৷‌

এদিন বিধানসভায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলের ঘরে ছিলেন দলনেতা মহম্মদ সোহরাব, মানস ভুঁইয়া, অপূর্ব সরকার৷‌ সোহরাবের সামনেই মানসবাবু অভিযোগ করেন, রাজভবনে নতুন রাজ্যপালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস পরিষদীয় দলনেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি৷‌ আগে এই ধরনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর রেওয়াজ ছিল৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited