Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৬ মাঘ ১৪২১ শনিবার ৩১ জানুয়ারি ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  সংস্কৃতি  ঘরোয়া  পর্দা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
ডাকলে ফে র যাবেন মুকুল--সব্যসাচী সরকার ও সোমনাথ মণ্ডল ।। চুপ, কোনও স্লোগান নয়: মুকুল--দীপঙ্কর নন্দী ।। নিন্দুকেরা নিন্দে করবেই, কিন্তু আমাদের কাজ বন্ধ হবে না: মুখ্যমন্ত্রী ।। আজ বন‍্ধ পাহাড়ে, সাশ্রু বিদায় ঘিসিংকে--সঞ্জয় বিশ্বাস ও অর্ঘ্য দে ।। ক্ষমতায় এসেই যা খুশি করলে মানুষ ছুঁড়ে ফেলে দেবে: মমতা ।। ৬ই নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে মহামিছিলের ডাক বামফ্রন্টের ।। বি জে পি-তে ঝুঁকে, রাহুলকে দুষে কং ছাড়লেন জয়ম্তী ।। আন্না-কার্টুনে কিরণকেই বেকায়দায় ফেলল বি জে পি ।। আজ থেকে ‘স্মার্ট’ বইমেলা--সম্রাট মুখোপাধ্যায় ।। সঙঘ পরিবার হানাহানি রক্তগঙ্গার পথে নিয়ে যেতে চাইছে দেশকে ।। মুকুল সব বলে দেওয়ায়... ।। মদন ফের জেলেই
বাংলা

ডাকলে ফে র যাবেন মুকুল

নিন্দুকেরা নিন্দে করবেই, কিন্তু আমাদের কাজ বন্ধ হবে না: মুখ্যমন্ত্রী

আজ বন‍্ধ পাহাড়ে, সাশ্রু বিদায় ঘিসিংকে

সম্প্রীতি সভায় বিমান বসু

ক্ষমতায় এসেই যা খুশি করলে মানুষ ছুঁড়ে ফেলে দেবে: মমতা

চুপ, কোনও স্লোগান নয়: মুকুল

তথ্য চেয়ে কেন কোর্টে তাঁর এলাকার মানুষ! শিক্ষিকাকে সন্দেহ করে হেনস্হা

শেষপ্রহরে একটু শীত

বেআইনিভাবে চলছে বাদুর সর্পোদ্যান, অভিযোগ পুরসভার

চেয়ারে তাঁরই পুত্র?

শ্রীরামপুরে আদালত বয়কটে অনড় আইনজীবীরা, ফেরালেন রাজ্য বার কাউন্সিলকে

৬ই নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে মহামিছিলের ডাক বামফ্রন্টের

১১ কোটি খরচ কেন হল? বিমান

অভিযুক্তদের বাড়িঘর ভাঙচুর করুন, পুলিসকে নির্দেশ দিয়ে বিতর্কে মনিরুল

তৃণমূলের ৪১ নেতা-মন্ত্রীর নাম জড়িত সারদা কেলেঙ্কারিতে: সূর্য

এস এস সি দপ্তরে অনশন চলছে

টাকার জুলুম, চলম্ত ট্রেন থেকে যুবককে ফেলে দিল বৃহন্নলারা

নাবালিকার বিয়ে রুখলেন বি ডি ও

মদন ফের জেলেই

বনগাঁ: ভোট প্রচারে এগিয়ে তৃণমূল-সি পি এম

বি জে পি কর্মীদের মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

ধর্মাম্তরকরণ: ভি এইচ পি-র ৫ নেতাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ

কোর্টে এবার জবানবন্দী নির্যাতিতার মায়ের

দঃ ২৪ পরগনা সম্মেলন শুরু

মুকুল সব বলে দেওয়ায়...

আদালত অবমাননার দায়ে স্বরাষ্ট্র সচিব, ডি জি

পার্থ ঘোষের বাড়ি হামলা: অধরা বান্না

বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অজিত পতি

মাখড়ার স্কুলে ক্যাম্প একমাসে সরাতে হবে

ব্যারাকপুরে ৩ দিনের বই উৎসবের উদ্বোধন

সুন্দরবন আদিবাসী টুসু মেলা

ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো: এখনও জট খোলেনি

ডাকলে ফে র যাবেন মুকুল

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

সব্যসাচী সরকার ও সোমনাথ মণ্ডল




সারদা-কাণ্ডে সি বি আইয়ের প্রশ্নের জবাব দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়৷‌ পরে সি বি আই দপ্তর থেকে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, আমি চাই সত্য উঞ্জাটিত হোক৷‌ সবরকম সহযোগিতা করব৷‌ তদম্তকারী সংস্হা যখনই ডাকবে, আমি আসব৷‌ তদম্তে সবারই সহযোগিতা করা উচিত৷‌ গরিব আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাক৷‌ শুক্রবার পৌনে ১১টা নাগাদ মুকুল রায় বিধাননগরের সি জি ও কমপ্লেক্সে যান৷‌ বাইরে তখন অসংখ্য তৃণমূল কর্মী-সমর্থক অপেক্ষা করছেন৷‌ ভেতরে সংবাদমাধ্যমের ভিড়৷‌ দুধসাদা স্করপিও থেকে মুকুল রায় নেমে সাংবাদিকদের দু-একটি প্রশ্নের উত্তর দেন৷‌ বলেন, আমি আগেই বলেছিলাম, নির্দিষ্ট দিনে সি বি আই দপ্তরে যাব৷‌ এসেছি৷‌ আবারও বলছি, আমি কোনও অনৈতিক কাজে জড়িত নই৷‌ সি বি আই দপ্তরে পৌঁছনোর পর তাঁকে যুগ্ম্মঅধিকর্তা রাজীব সিংয়ের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়৷‌ সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন তিনজন সি বি আই কর্তা৷‌ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ছিল সি জি ও কমপ্লেক্স জুড়ে৷‌ মুকুল রায়কে একটি চেয়ারে বসতে বলা হয়৷‌ সি বি আইয়ের কর্তারা তাঁকে স্যর বলে সম্বোধন করেন৷‌ দেওয়া হয় চা-বিস্কুট৷‌ একটু বিশ্রাম নেন তিনি৷‌ ১১টা ১৫ মিনিট থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়৷‌ ছিলেন যুগ্ম্মঅধিকর্তা ছাড়াও ডি আই জি, এস পি পদমর্যাদার অফিসাররা৷‌ ছিলেন স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের কয়েকজন আধিকারিক৷‌ উল্লেখ্য, ১২ জানুয়ারি সারদা-কাণ্ডে মুকুল রায়কে প্রথম নোটিস দেয় সি বি আই৷‌ তিনি ১৫ দিন সময় চেয়ে নেন৷‌ পরে সি বি আই ৭ দিন মঞ্জুর করে৷‌ মুকল রায় তখনই জানিয়েছিলেন, তদম্তে সহায়তা করবেন৷‌ বলেছিলেন, আমি কোনও অনৈতিক কাজ করিনি৷‌ এর পর সি বি আই তাঁকে ফের ই-মেল করে৷‌ তখন মুকুল রায় দিল্লিতে৷‌ সি বি আইকে উত্তরে ২৮, ২৯, ৩০ জানুয়ারি তিনটি তারিখ জানান৷‌ সি বি আই তাঁকে ৩০ জানুয়ারি আসতে বলে৷‌

সি বি আই যা জানতে চাইল....৷‌

দু’দফায় সি বি আই জেরা করে মুকুল রায়কে৷‌ সকাল ১১টা ১৫ মিনিট থেকে জেরা শুরু হয়৷‌ ছিলেন যুগ্ম্মঅধিকর্তা-সহ চার জন৷‌ সি বি আই সূত্রে জানা গেছে, ১- প্রথমেই তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় সারদার আমানতকারীদের বিক্ষোভের বিষয়ে৷‌ তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের কথা শুনেছিলেন বলে জানিয়েছেন৷‌ কেন আমানকারীরা বিক্ষোভ করছেন, তখনই তিনি জানতে পারেন৷‌ এ বিষয়ে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে তদম্তকারীদের জানান মুকুল রায়৷‌ ২- প্রশ্ন করা হয়, সারদা চিটফান্ডের বিষয়ে তিনি কী জানেন? মুকুল রায় বলেন, সংবাদমাধ্যমের থেকেই বেশির ভাগটা জেনেছি৷‌ পরে আমানতকারীদের কাছ থেকে বাকি বিষয়টি জানি৷‌ ৩- সারদা-কর্তার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, জানতে চাওয়া হয়৷‌ ৪- পাশাপাশি ডেলো বাংলো-সহ বিভিন্ন বৈঠকের কথা জানতে চাওয়া হয়৷‌ দুটি ক্ষেত্রেই তিনি নাকি সরাসরি উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান বলে সি বি আই সূত্রে খবর৷‌ তদম্তকারীদের মুকুল বলেন, আমি কোনও অনৈতিক কাজে জড়িত নই৷‌ এর পর প্রশ্ন করা হয়, সুদীপ্ত রাজ্য ছেড়ে পালানোর সময় তাঁর সঙ্গে কি যোগাযোগ করেছিলেন? এ বিষয়টি তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন৷‌ যদিও সি বি আই কয়েক দিন ধরে সারদা কর্তা-সহ বেশ কয়েকজনকে জেরা করে এই প্রশ্নগুলির উত্তর বার করার চেষ্টা করেছে৷‌ সি বি আই যে তথ্য পেয়েছে, তার সঙ্গে মুকুল রায়ের বয়ানের একটি রিপোর্ট এদিন রাতেই দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে৷‌ রাতে সি বি আইয়ের মুখপাত্র কাঞ্চন প্রসাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় মুকুল রায়কে ফের নোটিস দেওয়া হবে কি না৷‌ এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, তদম্ত চলছে৷‌ তদম্তকারীরা এটা ঠিক করবেন৷‌ সি বি আই সূত্রে খবর, কয়েক দিনের মধ্যেই ফের তাঁকে ডাকা হতে পারে, নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য৷‌

উদ্বিগ্ন শুভ্রাংশুকে ফোন, বাবা আসছি....৷‌

মুকুল রায়কে যখন জিজ্ঞাসবাদ করা হচ্ছে, তখন সি জি ও কমপ্লেক্সের অদূরে বি এফ ব্লকের একটি সুইমিং ক্লাবে উদ্বিগ্ন মুখে অপেক্ষা করছিলেন ছেলে বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়, বিধায়ক শিউলি সাহা, সব্যসাচী দত্ত, পরেশ পাল-সহ তৃণমূল নেতারা৷‌ সি জি ও কমপ্লেক্সের বাইরে বেলা যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে সমর্থকের ভিড়৷‌ প্রত্যেকেরই চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ ছিল স্পষ্ট৷‌ প্রত্যেকেই ঘন ঘন ফোন করে পরিস্হিতির জানান দিচ্ছেন৷‌ চেনা সাংবাদিকদের ফোন করে জানতে চেয়েছেন, কিছু খবর পাওয়া গেল? বাইরে বেলা যত গড়িয়েছে, সি বি আই কী জানতে চাইছে, মুকুল রায় কী উত্তর দিচ্ছেন– এই ‘ভেতরের খবর’ জানার জন্য ঘন ঘন সবাই কোথায় কোথায় যেন ফোন করছেন৷‌ এরই মধ্যে সি বি আইয়ের আইনজীবী পার্থসারথি দত্ত দপ্তরের বাইরে এসে তাঁর গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান৷‌ আরও এক দফা পরিস্হিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়৷‌ বেলা ২টো নাগাদ হঠাৎ রটে যায় মুকুল রায় বেরিয়ে আসছেন৷‌ সি জি ও কমপ্লেক্সের বাইরে থাকা কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়৷‌ কিন্তু মুকুল রায় তখনও বেরোননি৷‌ বেলা ৩টে ১০ মিনিটে সব্যসাচী দত্তের মোবাইলে একটি ফোন আসতেই তিনি সি বি আই দপ্তরের গেটের কাছে ছুটে যান৷‌ সঙ্গে সঙ্গে অজস্র টিভি ক্যামেরা ও সাংবাদিক, চিত্রসাংবাদিকরা ছুটে যান৷‌ মুকুল রায় বেরিয়ে আসছেন৷‌ বাইরে তখন হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে গেছে৷‌ অন্যদিকে সি জি ও কমপ্লেক্সের বাইরে অপেক্ষমাণ কর্মী-সমর্থকেরা জেনে গেছেন, মুকুল রায় বেরিয়ে আসছেন৷‌ তাঁরা ‘মুকুল রায় জিন্দাবাদ’ ধ্বনি দেন৷‌ ঠিক যেভাবে সি বি আই দপ্তরে তাঁরা স্লোগান দিয়েছিলেন৷‌ পরস্পর পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেন আনন্দে৷‌ কিন্তু সংবাদমাধ্যমের হুড়োহুড়ি, পুলিসের সঙ্গে সমায়িক ধাক্কাধাক্কি, এ সমস্ত দেখে মুকুল রায় আবার ভেতরে চলে যান৷‌ ছিলেন প্রায় ২০ মিনিট৷‌ পাশে এক অনুগামীকে বলেন, ছেলের ফোনটা ধরিয়ে দে৷‌ তিনি ফোন করেন শুভ্রাংশুকে৷‌ বলেন, আমি আসছি৷‌ সুইমিং পুলের কাছে থাকো৷‌ বিধায়ক শিউলি সাহার সঙ্গেও তিনি ফোনে কথা বলেন৷‌ তিনি পরিবারের সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করেন৷‌ এর পর পরিস্হিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তিনি বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, আমার যা বলার সুইমিং পুলের কাছে আসুন, বলব৷‌ মুকুল রায়কে প্রায় ঘিরে ধরে অনুগামীদের কয়েকজন ও পুলিসকর্মীরা গাড়িতে তুলে দেন৷‌ গাড়ি এসে সি জি ও কমপ্লেক্সে থমকে দাঁড়ায়৷‌ তখন ঘন ঘন চলছে ‘মুকুল রায় জিন্দাবাদ’ স্লোগান৷‌ ফুলের পাপড়ি উড়ে আসে গাড়িতে৷‌ আবির খেলা শুরু হয়৷‌ গাড়ি রওনা হয় সুইমিং পুলের দিকে৷‌ পেছনে কাতারে কতারে কর্মীরা আসতে থাকেন৷‌

মুকুল যা বললেন৷‌...৷‌

বি এফ ব্লকের সুইমিং পুলের পাশে সমর্থকদের ভিড়ের মধ্যে গাড়ি থামল মুকুল রায়ের৷‌ তিনি নামলেন৷‌ অনুগামীরা তাঁর হাতে মাইক এগিয়ে দিলেন৷‌ সেখানে হাজির ছিলেন সাংবাদিকরা৷‌ মুকুল রায় বললেন, মানুষ যেভাবে উজাড় করে ভালবাসা দিয়েছেন, কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ, কর্মীদের যে ভালবাসা পেয়েছি, আমি কৃতজ্ঞ৷‌ প্রথম দিন থেকে যা বলছি, আজও তা-ই বলছি, আমি কোনও অনৈতিক, বেআইনি কাজ করিনি৷‌ জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনায়েড. আগামী দিনেও সি বি আইকে সবরকম সাহায্য করব৷‌ দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছে৷‌ তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, আপনি কী বলেছেন৷‌ তিনি বলেন, তদম্তের স্বার্থে এ সমস্ত গোপন রাখাই ভাল৷‌ রাজনৈতিক এবং আইনি– দু’ভাবেই লড়াই চলবে৷‌ তদম্তেও সাহায্য করব৷‌ তিনি বলেন, সি বি আই সূত্র উল্লেখ করে যা বলা হচ্ছে, সব মিথ্যে৷‌ বিধাননগর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির অফিসে তিনি আসেন৷‌ প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সেখানে ছিলেন৷‌ ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সব্যসাচী দত্ত তাঁর সঙ্গে সর্বক্ষণ ছিলেন৷‌ এ ছাড়াও ছিলেন ছেলে শুভ্রাংশু, সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিধায়ক পার্থ ভৌমিক, তৃণমূল নেতা অলোক দাস, শাম্তনু সেন, হাজি নুরুল ইসলাম, সৌরভ চক্রবর্তী৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
sangskriti || ghoroa || tv/cinema || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited