Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৪ ফাল্গুন শুক্রবার ২৭ ফব্রুেয়ারি ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
বেচে দিলেন প্রভু! ।। রেল বাজেট: বোকা বানাচ্ছে ওরা: মমতা ।। রেল বাজেটে বাংলার প্রাপ্তি শূন্য ।। সারদা: চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী ।। বাম রক্তক্ষরণ অব্যাহত!--অসিত দাস ।। ধাক্কা খাবে অর্থনীতি বলছেন বিশেষজ্ঞরা ।। ভারতীয় রেল নাম সার্থক করলেন প্রভু: রাহুল সিনহা ।। কার্যত প্রভুর প্রশংসা মুকুলের ।। হুমায়ুনকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করল দল ।। চিটফান্ড নিয়ে বিধানসভায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী এখন আলোচনা চাইছেন, চার বছরে হুঁশ ফিরল? - সূর্যকাম্ত ।। এই টিম ভারতকে রোখা কঠিন: গাভাসকার--দেবাশিস দত্ত ।। কাল কোচহীন ভারত
বাংলা

সারদা: চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

রেল বাজেটে বাংলার প্রাপ্তি শূন্য

চিটফান্ড নিয়ে বিধানসভায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী এখন আলোচনা চাইছেন, চার বছরে হুঁশ ফিরল? - সূর্যকাম্ত

এস এস সি: চতুর্থ দফার কাউন্সেলিংয়ের দিন ঘোষণা

মাঝরাতে ফোন করে ডেকে খুন ব্যবসায়ীকে

হুমায়ুনকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করল দল

শিবপুর আই আই ই এস টি: রাজ্যের পড়ুয়াদের আসন সংরক্ষণ নিয়ে জট কাটল না

চিটফান্ড ডিরেক্টরের বাড়িতে ভাঙচুর

কার্যত প্রভুর প্রশংসা মুকুলের

চা-বাগান শ্রমিকদের জন্য ১০০ কোটির তহবিল

আমি অন্যায় মেনে নেব না: স্বপন

বহিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে উঠে গেল হুমায়ুনের নিরাপত্তারক্ষীও

ফুরফুরা শরিফে উন্নয়ন পর্ষদ গড়ে ত্বহার ক্ষোভ কমালেন মমতা

ভরদুপুরে শিলাবৃষ্টি

রোজভ্যালির সম্পত্তি বেচে টাকা ফেরত

সারদা: চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

অরূপ বসু

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

‘আমি ছবি এঁকে, লিখে দল চালাই৷‌ ছবি বিক্রির এক টাকাও আমার অ্যাকাউন্টে গেছে প্রমাণ করতে পারলে পদ ছাড়ব৷‌ না প্রমাণ করতে পারলে অভিযোগকারীকে জেলে পাঠাব৷‌ আমি সব টাকা চেকে বা ড্রাফটে নিয়েছি৷‌ আমার শিল্পীসত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না৷‌’ সারদা প্রসঙ্গে বিধানসভায় এভাবে সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷‌ বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ সারদা নিয়ে প্রথম থেকেই তিনি ছিলেন আক্রমণাত্মক৷‌ অধ্যক্ষের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সারদা-সহ সব চিটফান্ড সংস্হা নিয়ে একটা গোটা দিন আলোচনার অনুমতি দিন৷‌ শুধু সারদা নয়, ১৯৮০ সাল থেকে এ রাজ্যের সব চিটফান্ড সংস্হা নিয়ে একটা গোটা দিন বিধানসভায় আলোচনা হোক৷‌ তখন প্রমাণ হয়ে যাবে ‘পর্দে কে পিছে কেয়া হ্যায়’৷‌ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, কেন ২০০৯ সাল থেকে এ রাজ্যে চিটফান্ডের তদম্ত হচ্ছে? কেন সঞ্চয়িতা, ফেভারিট, ওভারল্যান্ড, টাওয়ার, এম পি এস-সহ সব চিটফান্ডের, যা বামফ্রন্ট আমলের অনেক আগে শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে তদম্ত হবে না৷‌ আমি কোনও বিচারব্যবস্হার সমালোচনা করছি না৷‌ বলছি যে, জগাই-মাধাই সুপ্রিম কোর্টে অ্যাপিল করেছিল, তারা কেন পুরোটার তদম্ত চায়নি? মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখার্জিকে উদ্দেশ করে বলেন, সুব্রতদা জগাই-মাধাইয়ের নামটা বলে দিন তো৷‌ সুব্রত বলেন, মান্নান-বিকাশ৷‌ এই সময় বিরোধী বিধায়কদের মধ্যে থেকে নানা জনে নানা মম্তব্য ছুঁড়ে দিতে থাকেন৷‌ সি পি এম বিধায়ক আমজাদ বলেন, ডেলো পাহাড়ে কী হয়েছিল? শাহজাহান চৌধুরি বলেন, ৫০ টাকার ছবি কী করে অত কোটি টাকায় বিক্রি হল? ১১ কোটি টাকা খরচ করে কেন সি বি আই তদম্ত আটকানোর চেষ্টা হল? রাজ্য সরকার তো সুপ্রিম কোর্টেই বলতে পারত, ১৯৮০ সাল থেকে সব চিটফান্ড সংস্হার তদম্ত চাই৷‌ তৃণমূল বিধায়কেরা চিৎকার করতে শুরু করেন৷‌ বিরোধী দলনেতা ডাঃ সূর্যকাম্ত মিশ্র দাঁড়িয়ে উঠে কিছু বলতে চান৷‌ মুখ্যমন্ত্রী চিৎকার করে বলেন, জ্ঞান দেবেন না৷‌ আমরা চোর নই৷‌ চোর আপনারা৷‌ সারদা, এম পি এসের কত টাকার বিজ্ঞাপন কোন দলে কোন কাগজে থাকে, ছিল, সব ফাঁস করে দেবো৷‌ জাগো বাংলায় ওরকম কোনও বিজ্ঞাপন ছাপা হয়নি৷‌ এই সময় বাম বিধায়কদের কেউ সারদার অনুষ্ঠানে মদন মিত্রের প্রসঙ্গটি তোলেন৷‌ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একজন কোনও অনুষ্ঠানে গেছে বলেই সে দোষী! তাকে জেলে পুরে দেবে! আপনারাও তো কত অনুষ্ঠানে যান৷‌ আমাকেও যেতে হয়৷‌ কোন অনুষ্ঠান, কোন মঞ্চে, কে আছে তা কি জানা যায়৷‌ সারদা, এম পি এস-কে এ রাজ্যে সুজন চক্রবর্তী নিয়ে আসেনি? যত দোষ নন্দ ঘোষ! স্পনসর তো কেউ কোনও ক্লাবের জন্য চাইতেই পারে৷‌ তার জন্য সে দোষী? সাহারা ক্রিকেট, সাহারা ফুটবল৷‌ সাহারা দোষ করলেই খেলোয়াড়দের দোষ হয়ে যাবে৷‌ চিটফান্ড নিয়ে টোটাল আলোচনা হোক, সব ধরা পড়ে যাবে৷‌ আমার কাছে কোনও কিছু ‘হাইড অ্যান্ড সিক’ নেই৷‌ সারদায় ক্ষতিগ্রস্ত গরিব মানুষদের কথা আমরাই প্রথম ভেবেছি৷‌ ৫ লক্ষ পরিবারকে নিজেদের টাকা দিয়েছি৷‌ যারা পায়নি তারা সি বি আই, সেবি, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে টাকা নিক৷‌ এই সব চিটফান্ড যখন এ রাজ্যে জন্মেছিল, বড় হচ্ছিল, তখন আপনারা কী করছিলেন? কলা চুষছিলেন! আমাদের দাবি, চিটফান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সব মানুষকে টাকা দিতে হবে৷‌ চিটফান্ডের আইন কেন্দ্রের৷‌ সেবি, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এগুলো দেখে৷‌ এই সব চিটফান্ডের সম্পত্তি নিলাম করে ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দিক ওরা৷‌ ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যবস্হা করতে আমি শ্যামল সেন কমিশন গঠন করেছিলাম৷‌ তার একটা রিপোর্ট এর আগে জমা পড়েছে৷‌ ফাইনাল রিপোর্ট জমা পড়েছে টাইম এ‘টেন্ড হয়ে যাওয়ার পর৷‌ তাছাড়া সেই রিপোর্টে একা শ্যামল সেন স্বাক্ষর করেছেন৷‌ বাকি মেম্বাররা স্বাক্ষর করেননি৷‌ এই রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য কিনা সেজন্য লিগাল ওপিনিয়ন নেওয়া হচ্ছে৷‌ সময়মতো ঠিকই বিধানসভায় রিপোর্ট পেশ করে দেব৷‌ আপনাদেরই একজন পলিটিক্যাল লিডার নরেন্দ্র মোদির কাছে গিয়েছিলেন৷‌ সারদা-কাণ্ডে যাতে আমাকে জেলে পোরা যায়৷‌ চিটফান্ড নিয়ে এখন রাজনৈতিক খেলা চলছে৷‌ চিটফান্ড নিয়ন্ত্রণে আগেকার সরকার ত্রুটিপূর্ণ আইন করেছিল৷‌ আমরা তা দ্রুত সংশোধন করে দিল্লিতে পাঠিয়েছিলাম৷‌ ৩-৪ দিন আগে দিল্লি থেকে চিঠি পেয়েছি৷‌ বলেছে, একটা কন্ডিশন ঢোকালে এই আইনটা অনুমোদন করবে৷‌ আমরাও জবাব দিয়ে দিয়েছি৷‌ ওটা হাতে পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে তা সংশোধন করে দিল্লিতে পাঠিয়ে দেব৷‌ কোথাও কেউ হাজির থাকলেই সে দোষী? সে তো রবীন্দ্রনাথও কত জায়গায় হাজির ছিলেন! এখন তো দেখছি যা হচ্ছে কোনও অনুষ্ঠানে কোনও এম পি, এম এল এ যাবে না৷‌ আমি তো রাস্তায় ঘুরে বেড়াই৷‌ কোনও দোকানে হয়ত চা খেতে দাঁড়ালাম৷‌ আমাকে না জানিয়ে, অনুমতি না নিয়ে ছবি তুলে নিল৷‌ তারপর সুপার ইম্পোজ করে দিল৷‌ আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে তিনি কেন্দ্রের তথ্য তুলে ধরে দেখিয়ে দেন, সংগঠিত অপরাধের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অনেক ওপরে ভারতের বহু রাজ্য৷‌ অনেক শিক্ষাক্ষেত্রে কোনওরকম অন্যায়, নৈরাজ্য বরদাস্ত করছি না৷‌ যাদবপুরে একটা ঘটনা ঘটেছিল৷‌ আমি ছুটে গিয়ে মিটিয়ে দিয়েছি৷‌ কল্যাণীর ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীকে পাঠিয়েছিলাম৷‌ এখানে শিক্ষক-ছাত্রের মধ্যে সম্মানজনক সম্পর্ক থাকবে৷‌ কোনওরকম অন্যায় বরদাস্ত করব না৷‌ পুলিসকে বলেছি, দোষীদের গ্রেপ্তার করতে৷‌ সোয়াইন ফ্লু নিয়ে নানারকম কথা শোনা যাচ্ছে৷‌ কেউ বলছে শুয়োর থেকে ছড়ায়, কেউ বলছে মানুষের নিঃশ্বাস থেকে৷‌ আমরা যে পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রেখেছি তার প্রমাণ এ রাজ্যে মৃতের সংখ্যা মাত্র ৫৷‌ গুজরাটের অবস্হা সবচেয়ে খারাপ৷‌ আবার এটাও বলেছি, কোনও বেসরকারি হাসপাতালও রোগীকে ফেরাতে পারবে না৷‌ ফেরালে শাস্তিমূলক ব্যবস্হা নেব৷‌ আমাদের রাজ্য কৃষকদের পাট্টা দেওয়ার ক্ষেত্রে অলটাইম বিগেস্ট রেকর্ড করেছে৷‌ শিল্পের ক্ষেত্রে অলরেডি হিউজ ইনভেস্টমেন্ট এসেছে৷‌ কন্যাশ্রী প্রকল্প পৃথিবীর গর্ব৷‌ উর্দু আকাডেমি আগের সরকার চালু করলেও বহু কোটি টাকা খরচে তাকে আমরা উন্নত করেছি৷‌ সংখ্যালঘু উন্নয়নে আমাদের ব্যয়বরাদ্দ আগেকার সরকারের চার গুণ৷‌ কেন্দ্রের কাছে আমরা এ রাজ্যের প্রাপ্য বুঝে নিতে যাচ্ছি৷‌ আশা করি, এ ব্যাপারে সব বিরোধী দলই আমাকে সহযোগিতা করবে৷‌ তেমন হলে আমার সঙ্গে দিল্লিতে যেতেও পারেন৷‌







kolkata || bangla || bharat || editorial || post editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited