Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১২ চৈত্র ১৪২১ শুক্রবার ২৭ মার্চ ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
বিরাটকে নিয়ে তিল থেকে তাল বানাতে চাইবেন না: ধোনি--দেবাশিস দত্ত, সিডনি ।। ছবি পুড়ল, কেউ কাটলেন জিভ, ধোনির বাড়িতে পুলিস--করবী দত্ত, রাঁচি ।। জামিন খারিজ গৌতম কুণ্ডুর, ই ডি হেফাজত ।। মুম্বই, হাবড়া থেকে রানাঘাট-কাণ্ডে গ্রেপ্তার ২ ।। বি জে পি প্রার্থী এলেন তৃণমূলে--দীপঙ্কর নন্দী ।। রাজনৈতিক দল গঠনের পথে নজরুল ইসলাম--অভিজিৎ বসাক ।। আপ: সরে গেলেন যোগেন্দ্র, প্রশাম্ত--রাজীব চক্রবর্তী, দিল্লি ।। বোরোল দলের নির্বাচনী নির্ঘণ্ট--সেপ্টেম্বর-শেষে রাহুল কংগ্রেসের সভাপতি? ।। যাদবপুরে শ্লীলতাহানি: ছাত্র প্রতিনিধি থাকবে না তদম্তে? ।। ককপিটে নিজেকে আটকে ইচ্ছে করে বিমান-ধ্বংস! ।। হাসিনাকে মমতার শুভেচ্ছা ।। ফের বিস্ফোরক কুণাল
বাংলা

বিধানসভা ভোটে বি জে পি-র কৌশল ঠিক করবে দুই কমিটি

জামিন খারিজ গৌতম কুণ্ডুর, ই ডি হেফাজত

মুম্বই, হাবড়া থেকে রানাঘাট-কাণ্ডে গ্রেপ্তার ২

মন্দারমণিতে রোজভ্যালির হোটেল রক্ষায় প্রতারিতরাই

বি জে পি প্রার্থী এলেন তৃণমূলে

রাজনৈতিক দল গঠনের পথে নজরুল ইসলাম

কলকাতার রিজওয়ানুর কাণ্ডের ছায়া বর্ধমানেও!

বামেরা পুর-ক্ষমতায় এলে বিক্ষোভ দমন শিথিল হবে

বারাসত পুরসভা: ৪ ওয়ার্ডে বামফ্রন্ট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, অম্তর্ঘাতের অভিযোগ

ফের সি বি আই হেফাজত এম পি এস কর্তার

বারাসত পুরসভা: সি পি এমের কনিষ্ঠতম প্রার্থী সৌরভী

মেয়ের মৃত্যুতে মাকেই বকেয়া দেওয়ার নির্দেশ

হাসিনাকে মমতার শুভেচ্ছা

ফের বিস্ফোরক কুণাল

বিধানসভা ভোটে বি জে পি-র কৌশল ঠিক করবে দুই কমিটি

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: রাজ্যে বি জে পি সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য কেন্দ্রীয় বি জে পি একটি বিশেষ কমিটি গঠন করল৷‌ সেই কমিটিতে ৭ জন রাজ্যনেতার সঙ্গে রয়েছেন তিন কেন্দ্রীয় স্তরের নেতা৷‌ অর্থাৎ মোট ১০ জনের কমিটি৷‌ তিনজন কেন্দ্রীয় স্তরের নেতারা হলেন– সিদ্ধার্থনাথ সিং, নির্মলা সীতারামন এবং শিবপ্রকাশ৷‌ সিদ্ধার্থনাথ কেন্দ্রীয় বি জে পি-র তরফ থেকে পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক, নির্মলা সীতারামন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং শিবপ্রকাশ বি জে পি-র কেন্দ্রীয় সংগঠনের যুগ্ম্মসম্পাদক৷‌ কমিটিতে যে ৭ জন রাজ্যনেতা রয়েছেন তাঁরা হলেন– দুই সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া, বাবুল সুপ্রিয়, বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা, রাজ্যনেতা অমলেন্দু চ্যাটার্জি, দিলীপ ঘোষ ও তথাগত রায়৷‌ পুরনির্বাচন নিয়ে রাজ্য বি জে পি যেভাবে নাকাল হয়েছে তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের একটি কমিটি করে দিল কেন্দ্রীয় বি জে পি৷‌ কেউ কেউ মনে করছেন, এতে রাহুল সিনহার ক্ষমতা কমল৷‌ বি জে পি-র কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, রাজ্য বি জে পি-কে শক্তিশালী করার জন্য যৌথ নেতৃত্বের ব্যবস্হা করা হল৷‌ ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এই কমিটি তৈরি করে দেওয়া হল৷‌ এ ছাড়া এদিন আরও ২টি কমিটি গঠন করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বি জে পি৷‌ ২০১৬-র নির্বাচনে বি জে পি-র কী কৌশল হবে, তার প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হয়ে গেল বৃহস্পতিবার, দিল্লিতে৷‌ এদিন রাজ্যনেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি বৈঠক হয়৷‌ সেই বৈঠকে এই সিদ্ধাম্ত হয়েছে৷‌ বৈঠকে উপস্হিত ছিলেন রাজ্য বি জে পি-র পাঁচ নেতা৷‌ তাঁরা হলেন– রাহুল সিনহা, শমীক ভট্টাচার্য, তথাগত রায়, অমলেন্দু চ্যাটার্জি ও দিলীপ ঘোষ৷‌ ছিলেন কেন্দ্রের তিন নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং, নির্মলা সীতারামন ও শিবপ্রকাশ৷‌ কেন্দ্রীয় বি জে পি-র নির্দেশে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ২টি কমিটি– আন্দোলন কমিটি ও প্রচার কমিটি৷‌ এ রাজ্যে বি জে পি-র পর্যবেক্ষক সিদ্ধার্থনাথ সিং৷‌ তিনি সাংগঠনিক বিষয়টি ওপর থেকে নজরদারি করেন৷‌ এবার থেকে দিল্লির আরেক নেত্রী মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হয়েছেন৷‌ যেসব ইস্যুতে প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া দরকার, তিনি তার ওপর নজরদারি করবেন৷‌ এই বৈঠকে ঠিক হল, রাজ্যের ২০টি জেলাকে ৭ ভাগে ভাগ করা হবে৷‌ ৭ জন নেতা এক-একটি ভাগের দায়িত্বে থাকবেন৷‌ এই ৭ নেতা হলেন– রবীন চ্যাটার্জি, প্রতাপ ব্যানার্জি, দিলীপ ঘোষ, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরি, অসীম সরকার, প্রভাকর তেওয়ারি ও সুভাষ সরকার৷‌ জেলার ৭টি ভাগের কাজের তদারকির জন্য ওপরে যে টিমটি কাজ করবে, তাতে আছেন ৪ জন– সিদ্ধার্থনাথ সিং, রাহুল সিনহা, অমলেন্দু চ্যাটার্জি ও সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া৷‌ বি জে পি-র কেন্দ্র-রাজ্য নেতৃত্ব মিলিয়ে ১০ জনের কমিটি এবং ওই দুই কমিটি পুরোপুরি আলাদা৷‌ সংগঠনকে কীভাবে চালানো হবে, প্রচারের কৌশল কী হবে, কী করে আন্দোলন সংগঠিত করা হবে, এ সবই তাঁরা বিবেচনা করবেন৷‌ রাজ্যর দুই কমিটি ওপর থেকে নজরদারি করবে৷‌ আন্দোলন কমিটি ১০ মে-র পর কাজ শুরু করবে৷‌ খুব স্বাভাবিকভাবেই সারদা দুর্নীতিকে কী করে কাজে লাগিয়ে ভোটে ফায়দা তুলতে হয়, তার রূপরেখা তৈরি হবে৷‌ গত দুটি উপনির্বাচনে বি জে পি সারদা কেলেঙ্কারি থেকে বিশেষ রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে পারেনি৷‌ আন্দোলন কমিটি তা খতিয়ে দেখবে৷‌ কলকাতা-সহ রাজ্যের ২০টি জেলাকে যে ৭ ভাগে ভাগ করে ৭ নেতার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের অন্যতম কাজ হবে প্রার্থী বাছাইয়ে অসম্তোষ দূর করা৷‌ সাংগঠনিক দিক থেকে এটাই হবে তাঁদের চ্যালেঞ্জ৷‌ পুরনির্বাচনকে ঘিরে বি জে পি-তে যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হল, তা দলের পক্ষে ক্ষতিকর হয়েছে৷‌ রাহুল সিনহা মেনে নিয়েছেন, এর ফলে দল থেকে ভুল বার্তা গেল৷‌ এই ভুল যাতে না হয়, তা দেখার দায়িত্বে থাকবেন ৭ নেতা৷‌ শীর্ষে থাকা ৪ নেতা সব কিছুর ওপর নজরদারি রাখবেন৷‌ উত্তরবঙ্গে নিজেদের সংগঠনকে বাড়িয়ে নিতে চা-বাগানের ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে৷‌ ১০ মে-র পর নির্মলা সীতারামন উত্তরঙ্গে গিয়ে চা-বাগিচার মালিক, বাগান প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, চা-শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন৷‌ চা-বাগান খোলা, চা-শিল্পের কর্মীদের দুর্দশা দূর করার চেষ্টা হবে৷‌ মূল চেষ্টা হবে চা-শিল্পের পুনর্জাগরণ করে উত্তরবঙ্গে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়ে নেওয়া৷‌ প্রচার কমিটি তৈরি হলে সেই প্রচার কমিটি জনগণের মতামত নেবে৷‌ কোন ইস্যুতে জনগণ কী বলতে চান, তা প্রচার কমিটি খতিয়ে দেখবে৷‌ প্রকৃতপক্ষে এবারের পুরনির্বাচনে বি জে পি ইন্টারনেটে যে পেজটি করেছে, তাতে জনগণের মতামত চেয়েছে৷‌ সেই মতামতের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনী ইস্তাহার তৈরি হচ্ছে৷‌ বিধানসভা নির্বাচনে জনগণ অর্থাৎ ভোটারদের বক্তব্য মন দিয়ে শুনবেন বি জে পি নেতারা৷‌ জেলায় জেলায় স্হানীয় ইস্যু ধরে প্রচার কমিটি বিষয় তৈরি করবে৷‌ আর জেলার সমস্যা বা কেলেঙ্কারি নিয়ে আন্দোলন কমিটি আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করবে৷‌ এভাবে বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠন বাড়ানোর চেষ্টা হবে৷‌ এদিনের বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে, লোকসভা ভোটের সময় রাজ্যে বি জে পি-র অনুকূলে যে হাওয়া ছিল, এখন কি তা একটু হলেও স্তিমিত হয়েছে? সেই হাওয়া যাতে আবার বি জে পি-র পক্ষে ওঠে, তার জন্যই সংগঠনকে এভাবে সাজাল কেন্দ্রীয় বি জে পি৷‌

আলুচাষী

দিল্লিতে এদিনের বৈঠক মূলত ছিল রাজ্য সংগঠন নিয়ে৷‌ কিন্তু আলুচাষীদের বিষয়টি রাজ্যে এত বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে যে, বি জে পি-র কেন্দ্রীয় সংগঠন তার ওপর আলাদা গুরুত্ব আরোপ করেছে৷‌ আলুচাষীদের দুর্দশা দেখতে ৩০ মার্চ নির্মলা সীতারামন এ রাজ্যে আসছেন৷‌ তিনি একা নন, তিনি একটি সরকারি টিম নিয়ে আসবেন৷‌ তৃণমূল সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন৷‌ রাজ্যের কী প্রয়োজন, তা জিজ্ঞেস করবেন৷‌ তার আগে ২৯ মার্চ সিদ্ধার্থনাথ সিং এ রাজ্যে আসবেন৷‌ তিনি এবং রাহুল সিনহা হুগলিতে আলুচাষীদের সঙ্গে কথা বলবেন৷‌ হিমঘর মালিকদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন৷‌ আলুচাষীদের দুর্দশার জন্য নির্মলা সীতারামন ও সিদ্ধার্থনাথ সিং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷‌

মানস কর

কলকাতা পুরসভার ৮ নং ওয়ার্ড থেকে বি জে পি প্রার্থী মানস কর তাঁর নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন৷‌ কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের একটা বোঝাপড়া হয়েছে৷‌ রাহুল সিন‍্হা সে-কথা মানতে চাননি৷‌ তিনি উল্টে বলেছেন, তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি মানস করকে ভয় দেখিয়েছেন৷‌ বুধবারও মানস কর তাঁর এলাকা রাজবল্লভপাড়ার দিকে পোস্টার মারেন, প্রচার করেন৷‌ কিন্তু শেষ পর্যম্ত তৃণমূলের ভয়ে তিনি বাধ্য হয়ে নাম প্রত্যাহার করলেন৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited