Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১২ শ্রাবণ ১৪২১ মঙ্গলবার ২৯ জুলাই ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
তৃণমূলি বোমায় জখম সেই পুলিসকর্মী মারাই গেলেন ।। তাপস পাল: হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে সি আই ডি তদম্তের নির্দেশ ।। আগস্টে শুরু সারদা-ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালীদের জেরা, তৈরি তালিকা ।। রোজভ্যালির সম্পত্তির একাংশ বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ।। মাঝ আগস্টেই মোদির রদবদল ।। ডিজেলের দাম কমাতে রাজ্যের ওপর শুল্কহ্রাসের চাপ কেন্দ্রের ।। এনসেফেলাইটিস নিয়ে বিমান: মুখ্যমন্ত্রীকে শাস্তি দেবে কে? ।। এনসেফেলাইটিসের উপসর্গ নিয়ে মেডিক্যালে রেফার কেস বাড়ছে ।। রাষ্ট্রপুঞ্জের ডাকে গাজায় যুদ্ধবিরতি, তবু শিশুহত্যা ।। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন মঞ্জুলা চেল্লুর ।। আজ ইদ উৎসব ।। লক্ষ্মণ-তমালিকা বি জে পি-র দিকে!
বাংলা

খবরদারি নয়, নজরদারি: শিক্ষামন্ত্রী

তাপস পাল: হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে সি আই ডি তদম্তের নির্দেশ

তৃণমূলি বোমায় জখম সেই পুলিসকর্মী মারাই গেলেন

এনসেফেলাইটিস নিয়ে বিমান: মুখ্যমন্ত্রীকে শাস্তি দেবে কে?

আজ ইদ উৎসব

জ্বরে আক্রাম্ত মেডিক্যালের সুপার

লক্ষ্মণ-তমালিকা বি জে পি-র দিকে!

দার্জিলিঙে নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন

রোজভ্যালির সম্পত্তির একাংশ বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট

আগস্টে শুরু সারদা-ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালীদের জেরা, তৈরি তালিকা

মনোরম পরিবেশের মধ্যে দিয়েই কাটবে ইদ

আরামবাগে কলেজছাত্রীর গায়ে অ্যাসিড

আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা

ইদের বোনাস মেটানোর দাবি জানাল শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা

বি এড কলেজে কড়া নজরদারি

দিদির স্নেহের ভাইরা বাংলার সর্বনাশ করবে, বললেন অধীর

মশাবাহিত রোগ: সচেতন করতে শহরে দেখানো হবে তথ্যচিত্র

রবীন্দ্রনাথের পাওয়া...

খুলল জগদ্দলের অকল্যান্ড জুটমিল

ইদের শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রী, বিমানের

২ দিনের সফরে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি

খবরদারি নয়, নজরদারি: শিক্ষামন্ত্রী

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



আজকালের প্রতিবেদন: নজরদারি রাখুন, কিন্তু খবরদারি নয়৷‌ শিক্ষক, ছাত্র, শিক্ষাকর্মী-সহ শিক্ষার সঙ্গে জড়িত সকল সংগঠনকে এমনটাই নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জির৷‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে যে শিক্ষকরা আছেন, তাঁরা মাঝেমধ্যেই নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সংগঠনের খবরদারিতে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন৷‌ এই প্রশাসকদের আরও ভাল প্রশাসক হয়ে ওঠার জন্য ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্হা করতে চান শিক্ষামন্ত্রী৷‌ পাশাপাশি তাঁর আরও নির্দেশ, যাঁরা এই মুহূর্তে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নন, কিন্তু ছাত্র সংগঠনের পদাধিকারী, তাঁরা কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থাকবেন৷‌ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনে মাথা গলাবেন না৷‌ কোনও বিষয়ে উপাচার্যের কাছে আসতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে৷‌ ৫ জনের বেশি প্রতিনিধি নিয়ে আসা যাবে না৷‌ এটা অবশ্য শুধু ছাত্র নয়, সব সংগঠনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷‌ কারণ পার্থবাবু মনে করেন, এতে বিষয়টির মাধুর্য বজায় থাকে৷‌ সোমবার শাসক দলের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপা-র তরফে শিক্ষামন্ত্রীকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট হলে সংবর্ধনা দেওয়া হয়৷‌ এই অনুষ্ঠানেই শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষক, ছাত্র, শিক্ষাকর্মী– সব সংগঠনকেই বলছি নজরদারি রাখতে, কিন্তু খবরদারি করবেন না৷‌ শিক্ষকরা দেখবেন ঠিকমতো ক্লাস হচ্ছে কি না৷‌ ছাত্ররা ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে থাকবে৷‌ প্রশাসনে মাথা গলাবে না৷‌ এটা কেন হল, ওটা কেন হল বলে খবরদারি চলবে না৷‌ যাঁরা পড়াশোনা করছেন না কিন্তু বাম, অ-বাম ছাত্র সংগঠনগুলির মাথায় আছেন, তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকবেন৷‌ উপস্হিত শিক্ষকদের উদ্দেশে এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কাজটা দুঃসাহসের৷‌ কিন্তু ডান্ডা দিয়ে নয়, ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে, বুঝিয়ে এটা করতে হবে৷‌ ছাত্রদের বোঝাতে হবে, যেখানে পড়াশোনা হয় সেটা পীঠস্হান৷‌ বিক্ষোভ বা অবস্হানের জায়গা নয়৷‌ আমরা কি মন্দির-মসজিদকে নোংরা করি? তেমনি শিক্ষার জায়গাকেও সুন্দর রাখতে হবে৷‌ এদিন এই অনুষ্ঠানে আসার আগে তৃণমূল ভবনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী৷‌ জানা গেছে, সেখানে তিনি দলের ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বকে বলেছেন, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন, ঘেরাও বন্ধ করতে হবে৷‌ পড়ুয়া নয় এমন কেউ উপাচার্য বা অধ্যক্ষদের সঙ্গে দেখা করার আগে অনুমতি নিতে হবে৷‌ ছাত্র নয় এমন কেউ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকে যেন আন্দোলন না করেন৷‌ পাশাপাশি তিনি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যাদের বয়স একটু বেশি, অনেক দিন আগেই পড়াশোনা ছেড়েছেন, তাঁদের কাউকে আর ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে রাখা হবে না৷‌ এই কারণেই মালদা, নদীয়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংগঠনের জেলা সভাপতিদের বদল করা হবে৷‌ রাজাবাজারে শিক্ষক নিগ্রহকে কেন্দ্র করে কুটা-র অবস্হান, সিন্ডিকেট রুমের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভ এবং স্মারকলিপির নামে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ওয়েবকুপা-র হুমকি ও হুঁশিয়ারির পর এভাবে প্রকাশ্যে বিষয়গুলি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর মম্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে শিক্ষকমহল৷‌ তবে তাঁর নির্দেশ কতটা মান্যতা পাবে, তা নিয়েও সংশয়ে অনেকে৷‌ কারণ, তিনি যখন এ কথা বলছেন তখন কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি শঙ্কুদেব পন্ডাকে স্বপার্ষদ ঘুরতে দেখা যায়৷‌ শঙ্কুদেব কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নন৷‌ যদিও শঙ্কুদেবের বক্তব্য, তিনি ছাত্রনেতা, তাই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন৷‌ সম্প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে কয়েকটি ঘটনায় শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে৷‌ তবে তিনি যে শিক্ষাক্ষেত্রে কোনও ‘রাজনীতি’ চান না, তা এদিন স্পষ্ট করেছেন পার্থবাবু৷‌ বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও ধরা পড়েছে তাঁর বক্তব্যে৷‌ ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, আলাপ-আলোচনা করতে হবে৷‌ সরাসরি উপাচার্য কেন, রেজিস্ট্রার আছেন, অন্য আধিকারিকেরা আছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে৷‌ কলেজের ক্ষেত্রে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে হবে৷‌ শিক্ষকদের অবস্হান নিয়ে তিনি বলেন, এটা শিক্ষার জায়গা, অবস্হান ক্ষেত্র নয়৷‌ দাবি থাকতে পারে, কিন্তু দায়িত্ববোধ সম্পর্কেও সচেতন থাকতে হবে৷‌ এরপরই খবরদারি-নজরদারি নিয়ে বলেন, ওয়েবকুপাকে বলেছি নজরদারি রাখতে, খবরদারি নয়৷‌ কোনও সংগঠনই খবরদারি করতে পারবে না৷‌ স্মারকলিপি দিতে আসার নিয়ম নিয়ে বলেন, যাঁরা ছাত্র নন, কিন্তু সংগঠনের পদে আছেন, তাঁরা উপাচার্য বা অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে গেলে আগে বলে আসবেন৷‌ ৪০-৫০ জন নয়, পাঁচ জনের বেশি প্রতিনিধি আনা যাবে না৷‌ প্রসঙ্গত, এই সেনেট হলেই প্রায় ২০০-২৫০ শিক্ষক মিলে কলকাতার উপাচার্যকে স্মারকলিপির নামে হুমকি দিয়েছিল ওয়েবকুপা৷‌ প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে যাঁরা আছেন তাঁরা যদি মনে করেন বা প্রশিক্ষণ নিতে চান, তার ব্যবস্হা করা হবে৷‌ শুধু বি এড পাস করলেই তো হবে না, ভাল প্রশাসক হওয়ার প্রশিক্ষণ শিক্ষকরা কেন নেবেন না? শিক্ষামন্ত্রী এদিন যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম, সময়মতো পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ, কোনও শংসাপত্র হারিয়ে গেলে তা যাতে তাড়াতাড়ি দেওয়া যায় তার জন্য তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দেন৷‌ এদিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোপাল মিশ্র, রাজ্য প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রঞ্জন ভট্টাচার্য, ওয়েবকুপার সভাপতি কৃষ্ণকলি বসু, কবি সুবোধ সরকার প্রমুখ৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited