Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৮ কার্তিক ১৪২১ রবিবার ২6 অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  রবিবাসর   আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
তৃণমূলে হানাহানি, ভাঙড়ে হত ২--গৌতম চক্রবর্তী ।। পাড়ুই-কাণ্ড: থমথমে চৌমণ্ডলপুর গ্রাম--অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সিউড়ি ।। টিকিট পাচ্ছেন না রাজীব, কাউ ও শৈলেন--কলকাতা পুরসভায় তৃণমূল চায় ১৩০ ।। কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ডে পাঁচ দফায় ভোট --শুরু ২৫ নভেম্বর ।। ভাঙড়ে পুলিস ঢুকবে? বোম মারবে যে: বিমান ।। বিসর্জনে বোমায় মৃত্যু শিক্ষকের ।। নদীর জল থেকে উদ্ধার তৃণমূল নেতার দেহ, বসিরহাটে উত্তেজনা ।। দত্তপুকুরে তৃণমূল-বি জে পি সঙঘর্ষ, আহত ৬, নামল র্যাফ ।। সোনিয়া-রাহুলকে চিদম্বরমের প্রকাশ্য-পরামর্শে দল বিরক্ত ।। ভাগবতের কাছে গাডকারি, মহারাষ্ট্রে শপথ শনি-রবিবার? ।। ভাঙড়ের ঘটনায় জেলা রিপোর্ট চাইল তৃণমূল ।। মন্ত্রীমশাই, হেলমেট কই?
আজকাল-ত্রিপুরা

কলেজ শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন চলবে না

নানান প্রতিকূলতার মাঝে মাতাবাড়িতে এবারের ব্যতিক্রমী দীপাবলি উৎসব

উষ্ণ সংবর্ধনা বিমানবন্দরে

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে সহমত

পূর্বাঞ্চলীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল

শর্মিলীর অকাল প্রয়াণে শোকাহত ক্রীড়ামহল

বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা রাজ্যে আসছেন ১ নভেম্বর

মীনাক্ষীর ফুল না শুকোতেই বিদায় নিলেন হরিভূষণ পাল

নন্দ তেলির শিশি বোতল-এ জাত চিনিয়েছিলেন

কলেজ শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন চলবে না

জারি হচ্ছে সাকর্ুলার, অধ্যক্ষদের ক্লাস বাধ্যতামূলক

রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় বিল আগামী অধিবেশনেই, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: বিধানসভার আগামী অধিবেশন এম বি বি কলেজে বিশ্ববিদ্যালয় গঠন-সংক্রাম্ত বিল আনতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার৷‌ শুধু তা-ই নয়, রাজ্যের কলেজগুলিতে সামগ্রিক শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়নে গৃহীত হয়েছে একগুচ্ছ সিদ্ধাম্ত৷‌ ২০২০ সাল থেকে ১০ বছরের পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা চালুর পর কলেজগুলিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির হার বেড়ে দ্বিগুণের কাছাকাছি এলেও শিক্ষার গুণগত মান প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়েনি৷‌ শুক্রবার উচ্চশিক্ষা দপ্তরের বিশেষ পর্যালোচনা সভায় মুখ্যমন্ত্রী কলেজের শিক্ষক-অধ্যাপক, বিশেষ করে অধ্যক্ষদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করান৷‌ প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি অধ্যক্ষদের বাধ্যতামূলক ক্লাস নিতেও মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ৷‌ কলেজ শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন কোনওভাবে মানা হবে না, এই মর্মে দ্রুত সাকর্ুলার জারি করতেও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ কলেজ শিক্ষকরা ছাত্রছাত্রীদের কাছে যেমন শিক্ষক ও অভিভাবক, তেমনি ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য, দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য প্রকৃত গাইড ও ফিলজফারের ভূমিকাও তাঁরা পালন করবেন৷‌ শুক্রবার সকালে মহাকরণের ২ নম্বর কনফারেন্স হলে আয়োজিত উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ওই পর্যালোচনা সভায় এই পরামর্শ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, কলেজ শিক্ষকরা আগামী দিনের মানুষ তৈরি করছেন৷‌ তাঁরা দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করছেন৷‌ এর চেয়ে আনন্দের কাজ আর কী হতে পারে? এই আনন্দানুভূতির মানসিকতা কলেজের প্রশাসক হিসেবে অধ্যক্ষদের নিজেদের মধ্যে যেমন জাগাতে হবে, তেমনি অধ্যাপকদের মধ্যেও যাতে এই মানসিকতা গড়ে ওঠে, তার জন্য অধ্যক্ষদের ভূমিকা পালন করতে হবে৷‌ মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বেই উচ্চশিক্ষা দপ্তরের এই পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷‌ উপস্হিত ছিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী, মুখ্য সচিব জি কে রাও, প্রধান সচিব ড. ভি কে বহুগুণা এবং ড. কে রাজেশ্বর রাও, উচ্চশিক্ষা সচিব আশুতোষ জিন্দাল, রাজ্যের সব ডিগ্রি কলেজ, টেকনিক্যাল কলেজ ও টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশনের অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষরা, পূর্ত দপ্তর ও হাউজিং বোর্ডের উচ্চপদস্হ আধিকারিকরা প্রমুখ৷‌ সভার শুরুতে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে রাজ্যে উচ্চশিক্ষার অগ্রগতি ও প্রসার, দপ্তরের আগামী দিনের বিভিন্ন পরিকল্পনার রূপরেখা এবং বিশেষ করে ২০১০ সাল থেকে শুরু দশবর্ষীয় পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনার অগ্রগতির চিত্রও তুলে ধরেন৷‌ পর্যালোচনা সভায় উপস্হিত কলেজের অধ্যক্ষদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অধ্যক্ষরা যেমন কলেজের প্রশাসক, তেমনি শিক্ষকও৷‌ কলেজের অভ্যম্তরীণ প্রশাসন চালানোর পাশাপাশি অধ্যক্ষদের কলেজে নিজের বিষয়ে ক্লাসও নিতে হবে৷‌ অধ্যক্ষ ক্লাস করাবেন না, এটা হতে পারে না৷‌ শুধু প্রশাসক হলেই চলবে না৷‌ ক্লাস না করালে, ছাত্রছাত্রীদের সংস্পর্শে না এলে, তিনি ছাত্রছাত্রীদের সমীহ আদায় করতে পারবেন না৷‌ পাশাপাশি কলেজের অভ্যম্তরীণ প্রশাসনও ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে না পারলে অধ্যক্ষরা ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে সমীহ পাবেন না বলে মুখ্যমন্ত্রী মম্তব্য করেন৷‌ কলেজের অভ্যম্তরীণ প্রশাসনও ঠিকঠাকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, টিচার্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি এবং কলেজের দু’জন বরিষ্ঠ অধ্যাপক– এই পাঁচজনকে নিয়ে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিটি কলেজে একটি টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ এই টিম প্রতি সপ্তাহে একদিন বসে কলেজের অভ্যম্তরীণ প্রশাসন, শিক্ষকদের নিয়মিত কলেজে আসা ও ক্লাস নেওয়া, ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত অ্যাটেনডেন্স ও পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ, নিয়মশৃঙ্খলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, খেলাধুলা ও অন্যান্য বিষয় পরিচালনা প্রভৃতি নিয়ে পর্যালোচনা করবে৷‌ এই পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই টিমকে প্রতি মাসে একবার কলেজের শিক্ষকদের নিয়ে বসে তাঁদের পারফরমেন্স পর্যালোচনা করার জন্যও মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন৷‌ কলেজ চলাকালীন প্রতি পিরিয়ডেই অধ্যক্ষদের কলেজ ঘুরে দেখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ এতে ঠিকমতো ক্লাস হচ্ছে কি না, ছাত্রছাত্রীরা সিরিয়াস কি না, এগুলি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে বলে তিনি মম্তব্য করেন৷‌ পর্যালোচনা সভায় উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে দশবর্ষীয় পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা চালুর পর কলেজগুলিতে ছাত্রছাত্রীদের এনরোলমেন্টের হার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে৷‌ ২০১০ সালে এই পরিকল্পনা চালুর সময় যেখানে এনরোলমেন্টের হার ছিল ৭.১২ শতাংশ, সেখানে ২০১৪-এ এসে এই হার দাঁড়িয়েছে ১৩.৬৪ শতাংশ৷‌ জাতীয় স্তরে এই হার অবশ্য কিছুটা বেশি, ১৯ শতাংশ৷‌ ২০১০ সালে রাজ্যে ডিগ্রি কলেজ ছিল ১৫টি৷‌ ২০১৪-এ ২২টি৷‌ পলিটেকনিক ছিল ২টি, এখন ৫টি৷‌ ২০১০-এ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ছিলেন ৪১৫ জন৷‌ ২০১৪-এ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০১ জন৷‌ এ ছাড়াও এখন কলেজে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক আছেন ৩১০ জন এবং গেস্ট লেকচারার আছেন ৩৯৬ জন৷‌ এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এনরোলমেন্ট বাড়ছে মানে রাজ্যে উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণ ঘটছে৷‌ নতুন নতুন কলেজ হচ্ছে৷‌ ফ্যাকাল্টিও নিয়োগ করা হচ্ছে৷‌ কলেজে পড়ার জন্য টাকা লাগে না৷‌ বিভিন্ন ধরনের স্টাইপেন্ডের সুবিধাও আছে৷‌ তা ছাড়া ছেলেমেয়েদের মধ্যে উচ্চশিক্ষা লাভের আগ্রহও বাড়ছে৷‌ রাজ্যের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্হারও যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে৷‌ পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনার শেষে এই হার জাতীয় হারকেও অতিক্রম করে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন৷‌ এ জন্য সবাইকে সচেষ্ট হওয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছেন৷‌ কলেজ শিক্ষায় কোয়ালিটি এডুকেশনের ওপর মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্ব আরোপ করেছেন৷‌ এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে কলেজে যে সেমিস্টার সিস্টেম চালু করা হয়েছে কোয়ালিটি এডুকেশনের উন্নতিতে, সেটাই একমাত্র ম্যাজিক নয়৷‌ কোয়ালিটি এডুকেশনের জন্য কলেজে সাপ্তাহিক ও মাসিক পর্যালোচনা সভাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দেন৷‌ পাশাপাশি কলেজগুলিতে কিছু কিছু গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে টিউটোরিয়াল ক্লাস চালু করার জন্য দপ্তরকে উদ্যোগী হতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন৷‌ এই টিউটোরিয়াল ক্লাস কোয়ালিটি এডুকেশনের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে তিনি মম্তব্য করেন৷‌ বর্তমান সময়ের উপযোগী, বিশেষ করে কর্মসংস্হানের উপযোগী পাঠ্য বিষয় চালু করার জন্য দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ এ জন্য কয়েকজন অভি: অধ্যক্ষ ও অধ্যাপককে নিয়ে একটি টিম গঠন করতে বলেছেন তিনি৷‌ এই টিম ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশেষ: শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত পাঠ্য বিষয় চিহ্নিত করবে৷‌ পাঠ্য বিষয় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রথমে ত্রিপুরা, পরে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দেশের অন্যান্য প্রাম্তে চিহ্নিত বিষয়গুলিতে কর্মসংস্হানের কতটুকু সুযোগ রয়েছে, তা যাচাই করে দেখার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন৷‌ আগামী তিন মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তিনি দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন৷‌ কলেজে ভর্তির সময় পাঠ্য বিষয় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ছাত্রছাত্রীদের ঠিকভাবে গাইড করার জন্যও তিনি পরামর্শ দিয়েছেন৷‌ এম বি বি কলেজে একটি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার সিদ্ধাম্ত নিয়েছে এবং এ জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে৷‌ রাজ্য বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনে এই বিশ্ববিদ্যালয় গঠন সংক্রাম্ত বিল পাস করানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে উচ্চশিক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ আগরতলায় সেন্ট্রাল জেলের পুরনো জায়গায় একটি ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের বাড়ি তৈরির কাজও দ্রুত শুরু করতে বলেছেন তিনি৷‌ টি আই টি-র সমস্ত চালু নির্মাণকাজ আগামী দু’বছরের মধ্যে শেষ করার জন্যও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন৷‌ সব কলেজে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আলাদা কমনরুম, আলাদা টয়লেট, ক্যান্টিন, লাইব্রেরি, অডিটোরিয়াম এবং খেলাধুলার ব্যবস্হা করতেও দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷‌ সভায় কলেজ শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়৷‌ এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কলেজ শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন করছেন, এমনকি স্কুলের ছেলেমেয়েদেরও পড়াচ্ছেন, এটা মানা যায় না৷‌ বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে৷‌ রাজ্য সরকার ব্যবস্হা নেবে৷‌ উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে সরকার টাকা খরচ করছে, অথচ কিছু কলেজ শিক্ষক প্রাইভেট টিউশনের নামে কলেজে ছেলেমেয়েদের ঠিকমতো পড়াচ্ছেন না, এটা চলবে না৷‌ কলেজ শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করে দিতে দপ্তরের সচিবকে একটা সার্কুলার জারি করতে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
sunday || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited