Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৪ শ্রাবণ ১৪২১ বৃহস্পতিবার ৩১ জুলাই ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
সোনিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হতে দেননি রাহুলই ।। ফেসবুক বন্ধুর হাতে খুন কেষ্টপুরের গৃহবধূ ।। তাপস পাল-কাণ্ড: আজ সকালে ফের শুনানি ।। এনসেফেলাইটিসে কলকাতায় মৃত্যু আড়াই বছরের শিশুর ।। কলকাতার ‘বান্টি বাবলি’ কাছে কোটি টাকা মিলল পুরীর সৈকতে ।। ২৪ বছর পর নীতীশ-লালু এক মঞ্চে, ঘোষিত হল জোট ।। এনসেফেলাইটিসে মৃত্যু আরও ৫ জনের ।। স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যে ফ্রন্টের সম্প্রীতি-বন্ধন ।। এবার স্কুলে শরণার্থী শিবিরেও ইজরায়েলি ট্যাঙ্কের গোলা, হত ২০ ।। রাজ্যে এনসেফেলাইটিস নিয়ন্ত্রণে জনস্বার্থ মামলা ।। গাডকারির বাড়িতে আড়ি: রাজ্যসভায় তুমুল হইচই ।। ভক্তবালা: এফ আই আর করতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
আজকাল-ত্রিপুরা

বিদায়বেলায় আলাপচারিতায় সঞ্জয় পান্ডা

গন্ডাছড়া পরিদর্শনে স্বাস্হ্য সচিব, ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে মহকুমায়

পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে সশস্ত্র বাইকবাহিনীর হামলা, ধৃত ৫

১০ আগস্ট রুখিয়ার ৮ নং ইউনিট চালু হতে পারে

পূর্তমন্ত্রীর নির্দেশ গুরুত্বহীন?

এক মাসের মধ্যেই চোত্তাখলা মুক্তিযুদ্ধ পার্কের খাস জমি ছেড়ে দেবেন ২ দখলদার

তৃতীয় ডিভিশন লিগ ফুটবল

বেহাল দশা গন্ডাছড়া বাজারের ব্যবসায়ী-সহ মানুষের অসম্তোষ

চম্পকনগর বাজারের অগ্নিকাণ্ডের তদম্ত শুরু

৩ বাম সংগঠনের ডাকে ৪৪-এ জাতীয় সড়ক সংস্কারের দাবিতে জম্পুই হিলে বন‍্ধ

বিদায়বেলায় আলাপচারিতায় সঞ্জয় পান্ডা

মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে পারলে ত্রিপুরাতেও একদিন কেরলের মতো আয় বাড়বে

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: রাজ্যের মানবসম্পদ বিরাট সম্ভাবনাময়৷‌ বললেন ত্রিপুরার বিদায়ী মুখ্য সচিব ডাঃ এস কে পান্ডা৷‌ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের সচিব পদে যোগ দিতে রাজ্য ছাড়বেন তিনি৷‌ তার আগে বুধবার মহাকরণের প্রেস কর্নারে দীর্ঘ দিনের বন্ধু সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘরোয়া আলাপচারিতায় মাতেন তিনি৷‌ নিজের কথা, রাজ্যের কথা ঘুরেফিরে আসে এই প্রসঙ্গে৷‌ বলেন, ত্রিপুরায় ৯৬ শতাংশ নাগরিক শিক্ষিত৷‌ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও প্রচুর৷‌ এগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে ত্রিপুরার মানুষ প্রকৃত মানবসম্পদ হয়ে উঠবে৷‌ কেরলের মতো ত্রিপুরার নাগরিকদেরও তাঁদের দক্ষতা অনুযায়ী আয়, রোজগার বাড়তে পারে৷‌ সম্ভাবনা প্রচুর৷‌ তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে তাঁর প্রথম ত্রিপুরায় আসা৷‌ মুখ্যমন্ত্রী তখন তাঁর কথায়, ‘লিজেন্ডারি সি এম’ নৃপেন চক্রবর্তী৷‌ তাঁরই নির্দেশে তিনি খোয়াই ব্লকের বিডিও-র দায়িত্ব নেন৷‌ বলেন, প্রথম কোনও আই এ এস বিডিও-র দায়িত্বে৷‌ তবে ভালই হযেছে৷‌ সে সময় খোয়াইয়ের পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে গিয়ে বহু লোকের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়৷‌ তার পর প্রশিক্ষণ শেষে উত্তর জেলায় এ ডি এম৷‌ সেও এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা৷‌ একবার জাতীয় সড়কে একটি কাঠের সেতু ভেঙে যায় প্রবল বর্ষণে৷‌ যোগাযোগ স্তব্ধ হয়ে পড়ে৷‌ ত্রিপুরার বাকি অংশে খাদ্যপণ্যের সঙ্কট তৈরি হয়৷‌ সে সময় খাদ্য দপ্তরের এক কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে আটকে যাওয়া চালের বস্তা থেকে চাল খুলে ১০ কেজির ছোট ছোট বস্তায় ভরে তা নৌকো করে পারাপারের ব্যবস্হা করেছিলাম৷‌ এর পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি৷‌ দক্ষিণ জেলার ডি এম, রাজ্য সরকারের রেশম, হস্ততাঁত দপ্তরের অধিকর্তা, সচিব, সমাজকল্যাণ, সমাজ শিক্ষা, বিদ্যালয় শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিব৷‌ এর পর মুখ্য সচিব৷‌ উত্তর জেলায় এ ডি এম থাকাকালীন মারাত্মক এক দুর্ঘটনার কথা তিনি কোনও দিন ভুলতে পারবেন না৷‌ আগরতলা আসার পথে আঠারোমুড়া পাহাড় থেকে ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায় তাঁর গাড়ি৷‌ মারাত্মক জখম হন সঞ্জয়কুমার পান্ডা৷‌ তখন মুখ্যমন্ত্রী সুধীররঞ্জন মজুমদার৷‌ দুর্ঘটনায় তাঁর ডান হাত, বাঁ পা ভেঙে যায়৷‌ বাঁ চোখ প্রায় বেরিয়ে আসে, চোয়ালের হাড় ভেঙে যায়৷‌ যে সময় দুর্ঘটনা, সেই সময় তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্র কেউই ত্রিপুরায় নেই৷‌ ওড়িশায় নিজ প্রদেশে৷‌ জি বি হাসপাতালেই চলে চিকিৎসা৷‌ ডাক্তারদের আম্তরিক প্রচেষ্টায় তিনি আজও সুস্হ-সবল রয়েছেন৷‌ এর জন্য চিকিৎসক, সহকর্মী সবার কাছেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি৷‌ মুখ্য সচিব থাকাকালীন তাঁর আমলে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সফরকে তিনি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণে রেখেছেন৷‌ রাজ্যে তাঁর আমলেই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, পূর্ণাঙ্গ হাইকোর্ট স্হাপনকে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে তিনি বিবেচনা করেন৷‌ কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের সচিব হয়ে দিল্লি যাচ্ছেন৷‌ সেখানে বসে ত্রিপুরার জন্য যদি করার কিছু থাকে নিশ্চয়ই করবেন, আশ্বাস দিয়ে যান৷‌ তবে ত্রিপুরায় মালভেরি সিল্কের উৎপাদন নিয়ে তাঁর প্রচেষ্টার কথাও আলোচনায় উঠে আসে৷‌ অর্থনীতিতে ডক্টরেট সঞ্জয়কুমার পান্ডা ২০১৫ সালে অবসরে যাবেন৷‌ রাজ্য ছাড়ার আগে সাংবাদিককুলের কাছে তাঁর অনুরোধ, সত্যনিষ্ঠ সংবাদই পরিবেশন করা উচিত৷‌ যতটা সম্ভব কোনও দুর্ঘটনা বা ঘটনায় মৃত ব্যক্তির ছবি ফলাও করে প্রকাশ না করার৷‌ সংবাদমাধ্যমে সমালোচনা অবশ্যই থাকবে কিন্তু সরকারি কোনও কাজে সিদ্ধাম্ত গ্রহণকারীর বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে এমন লেখা হবে না যে সিদ্ধাম্ত গ্রহণই আটকে যায়৷‌ তিনি ত্রিপুরায় ব্রডগেজ রেল সংযোগ দ্রুত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্হার উন্নয়নের সম্ভাবনাও দেখছেন৷‌ কটকে অত্যম্ত দরিদ্র পরিবারে জন্ম মেধাবী সঞ্জয়কুমার পান্ডা স্কুলজীবনে শিক্ষা নিয়েছেন, উচ্চ মানবিকতা, উচ্চ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চললে জীবনে সফলতা আসে৷‌ মায়ের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েছেন, গরিব-দুখীদের কথা যেন কখনও না ভুলি৷‌ বলেন বিদায়ী মুখ্য সচিব৷‌ রাজ্যবাসীর আম্তরিকতার কথা তিনি বারবার উল্লেখ করেন৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited