Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৫ বৈশাখ ১৪২২ রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  নেপথ্য ভাষন  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
নেপথ্য ভাষন -অশোক দাশগুপ্ত--নির্বেদবাবু ।। ফাঁকা মাঠেই গোল? ।। মানুষের একাংশ ভোট দিতে পারেনি: কমিশন--কাকলি মুখোপাধ্যায় ।। ইয়েচুরি না পিল্লাই?--দেবারুণ রায়, বিশাখাপত্তনম ।। ২০০০ বুথে পুনর্নির্বাচন না হলে ধর্মঘট: বামফ্রন্ট ।। পুরো নির্বাচনই বাতিল হোক: বি জে পি ।। আবার আলাদা রাজ্যের আন্দোলনে বংশীবদন--দেবব্রত দে সরকার ।। থমথমে শালিমার, বন্ধ কাজকর্ম--সি আই ডি চায় নিহতের পরিবার ।। রাহুল বসলেন কৃষকদের সঙ্গে--আজ রামলীলায় মস্ত সমাবেশ ।। ২৫ এপ্রিল আরও প্রতিরোধ দেখবে শাসক দল: সূর্যকাম্ত --ভোলানাথ ঘড়ই ।। মমতা: কিছু ছোট ঘটনা ঘটেছে ভোটে ।। ২৫ এপ্রিল তাপ তুঙ্গে
ভারত

রাহুল বসলেন কৃষকদের সঙ্গে

২৫ এপ্রিল আরও প্রতিরোধ দেখবে শাসক দল: সূর্যকাম্ত

ইয়েচুরি না পিল্লাই?

ভালবাসাতে সচল থাকবে প্রথম মারুতি

পলিটব্যুরোয় আসতে পারেন শ্যামল, সেলিম

ম্যাডাম নাচতেই ৩ কোটি!

যোগেন্দ্র, প্রশাম্তকে আপ-এর শোকজ

শাসক

অশাম্ত কাশ্মীরে লড়াই চলছে

এসেছে এল নিনো, মার খাবে বর্ষা?

চিস্তির দরগায় চাদর চড়াবেন বারাক ওবামা

ফের স্মৃতি

রাহুল বসলেন কৃষকদের সঙ্গে

আজ রামলীলায় মস্ত সমাবেশ

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

রাজীব চক্রবর্তী: দিল্লি, ১৮ এপ্রিল– ছুটি শেষ৷‌ আবার তিনি রাজনীতির মাঠে৷‌ কাল রামলীলা ময়দানের কিসান সমাবেশে তাঁকে দেখা যাবে৷‌ তার প্রস্তুতিপর্বে আজ তাঁকে দেখা গেল কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে৷‌ বিদেশে লম্বা ছুটি কাটিয়ে ৫৯ দিন পর দেশে ফেরার পর আজই প্রথম প্রকাশ্যে দেখা গেল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীকে৷‌ লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর রাজনীতির ময়দানে তাঁর অস্ত্র মোদি সরকারের জমি বিল৷‌ নিজেকে কৃষকবন্ধু হিসেবে তুলে ধরাটাই এখন কংগ্রেসের যুবরাজের বড় কাজ৷‌ সেটা করতে পারলে রাহুলের এই প্রত্যাবর্তন সেক্ষেত্রে একটি রাজনৈতিক তাৎপর্য পেতে পারে৷‌ রবিবার সকালে ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে কিসান-খেত-মজদুর সমাবেশে সোনিয়া ও রাহুল ছাড়াও কংগ্রেস নেতারা বক্তব্য পেশ করবেন৷‌ তার আগে আজ সকালে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্হান, হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল৷‌ তুঘলক লেনে নিজের আবাসনে প্রায় আধঘণ্টা কথা বলেন৷‌ কৃষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন৷‌ কেন্দ্র সরকারের জমি অধিগ্রহণ বিলের বিরুদ্ধে সংসদের পাশাপাশি মাঠে নেমে লড়াইয়ের আহ্বান জানান তিনি৷‌ দীর্ঘ ছুটির পর ফিরে আসা রাহুলকে কেমন লাগছিল? সাক্ষাতের পর কংগ্রেসের কৃষক নেতারা মনে করছেন, আগের থেকে অনেকটাই বদলে গেছেন রাহুল৷‌ এদিন বেশ গম্ভীর দেখাচ্ছিল তাঁকে৷‌

এদিকে, এদিন বিকেলে এ আই সি সি দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল৷‌ সেখানে মোদি সরকারের জমি অধিগ্রহণ বিলের তীব্র নিন্দা করেন কংগ্রেস নেতারা৷‌ কৃষকের জমি-সংক্রাম্ত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়ে কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনি ও দিগ্বিজয় সিং www.Lwameenwapsi.inc.com-এর উদ্বোধন করেন৷‌ এই সাইটে ইউ পি এ এবং এন ডি এ সরকারের জমি অধিগ্রহণ আইনের তুলনা ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যে কী পরিমাণ জমি অধিগৃহীত হয়েও অব্যবহূত অবস্হায় পড়ে আছে, রয়েছে সে সব তথ্য৷‌ অন্যতম সাধারণ সম্পাদক দিগ্বিজয় সিং বলেন, গত ১০ মাসে যদি সরকার কৃষকের ভালর জন্য একটা কাজও করে থাকে, তা হলে তার উল্লেখ করুক৷‌ উল্টে জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার আইন এনে কৃষককে পেটে মারার ব্যবস্হা করছে৷‌ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাডকারি মুখে বলছেন, জমি-বিল নিয়ে সরকার আলোচনা চায়৷‌ বিরোধীদের পরামর্শ চায়৷‌ সবার পরামর্শ চায়৷‌ কিন্তু কাজে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক অর্ডিন্যান্স জারি করা হচ্ছে৷‌ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশ বলেন, যে প্রতিরক্ষা দপ্তরের দোহাই দিয়ে ‘কৃষকবিরোধী’ এই বিল পাস করাতে তাড়াহুড়ো করছে, সেই প্রতিরক্ষা দপ্তরের হাতে ৬০ হাজার একরের বেশি জমি অব্যবহূত অবস্হায় পড়ে রয়েছে৷‌ এই ওয়েবসাইটে পুঙ্খনাপুঙ্খভাবে তার উল্লেখ করা হয়েছে৷‌ এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জমি-সংক্রাম্ত সমস্যা নিয়ে সরাসরি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ স্হাপন করা হবে৷‌ কারও কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তিনি এখানে জানাতে পারেন৷‌ কংগ্রেস তার জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই করবে৷‌ জয়রাম রমেশ আরও বলেন, মোদি সরকার এসেই ১৩টি আইনে সংশোধন এনেছে, এটা মিথ্যা৷‌ ২০১৩-র আইনেই রেল ও সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ৪ গুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে৷‌ জমি অধিগ্রহণ আইনে পুনর্বাসন ও পুনর্ব্যবস্হাপনও আগের আইনে আছে৷‌ প্রধানমন্ত্রী ‘মন কি বাত’-এর মাধ্যমে যে সব দাবি করেছেন, সব মিথ্যে৷‌ সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে সমাবেশ৷‌ দেশের বিভিন্ন প্রাম্ত থেকে লক্ষ লক্ষ কৃষক এই সমাবেশে অংশ নেবেন৷‌ অন্যান্য নেতা-নেত্রী ছাড়াও সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী বক্তব্য পেশ করবেন৷‌ মূলত ২০১৩ ও ২০১৫-র জমি অধিগ্রহণ বিলের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে, তা তুলে ধরা হবে৷‌ এন ডি এ সরকারের সময়ে কৃষকের বিরুদ্ধে কী কী ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ করা হবে৷‌ এ জন্য এন ডি এ এবং ইউ পি এ সরকারের মধ্যে একটি তুলনামূলক রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে৷‌ বি জে পি সরকারের আমলে কৃষকের দুঃখ-কষ্ট তুলে ধরবেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী৷‌ কংগ্রেস নেতা সাকিল আহমেদ বলেন, সোমবার থেকে সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে৷‌ সংসদে সরকার পক্ষ এবং গোটা দেশ কংগ্রেসের দৃষ্টিভঙ্গির আরও একবার পরিচয় পাবে৷‌ মোদি সরকারের কৃষকবিরোধী জমি অর্ডিন্যান্স সম্পর্কে রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবেন৷‌ বি জে পি কংগ্রেসের এই আন্দোলনকে খাটো করেই দেখাতে চাইছে৷‌ দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র এদিন বলেছেন, কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাজনীতির সঠিক ইস্যু চিনতে পারেননি৷‌ দু’মাস পরে এসে হঠাৎ কৃষকদরদি হয়ে পড়েছেন৷‌ এভাবে মানুষের পাশে থাকা যায় না৷‌ মানুষের উন্নয়নের জন্য মোদি সরকার এই বিল এনেছে৷‌ এই বিলে একদিকে যেমন কৃষকের ভাল হবে, তেমন গোটা দেশ উপকৃত হবে৷‌ দেশবাসীর স্বার্থে সংসদে সর্বসম্মতভাবে বিলটি আইনের রূপ নেবে, এটা বি জে পি-র বিশ্বাস৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || post editorial || nepathya bhasan || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited