Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৪ পৌষ ১৪২১ শনিবার ২০ ডিসেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  সংস্কৃতি  ঘরোয়া  পর্দা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
অবশেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদি-মমতা মুখোমুখি ।। যাদবপুর: সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শংসাপত্র নেওয়া সম্মানের ।। মদনের ১৪ দিনের জেল হেফাজত--সোমনাথ মণ্ডল ।। না জানিয়ে গ্রেপ্তার: রাজ্যপালকে নালিশ তৃণমূলের--দীপঙ্কর নন্দী ।। ২ মেয়েকে খুন, বাবাকে ফাঁসি দিল আদালত ।। সাহিত্য আকাদেমি উৎপলকুমার বসুকে ।। লাকভিকে আটকে মুখ বাঁচাল পাকিস্তান ।। ২ রাজ্যে শেষ দফার ভোট আজ, ফল ২৩শে ।। আজ শচীনের বিশ্বকাপ-গল্প, তাতাবেন সৌরভও ।। ভেন্টিলেশন থেকে স্বাস্হ্যে ফিরছে অস্ট্রেলিয়া ।। ৪৮ ঘণ্টায় ৩ হাজার জঙ্গির ফাঁসি চান পাক সেনাপ্রধান ।। বড়দিনেই আবার টয়ট্রেনে পাহাড়ে
ভারত

অবশেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদি-মমতা মুখোমুখি

ভারতের তর্জন-গর্জন

২ রাজ্যে শেষ দফার ভোট আজ, ফল ২৩শে

রবার্টের চুক্তির সেই ২ পাতাই লোপাট!

খুচরো খবর

অবশেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদি-মমতা মুখোমুখি

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



দেবারুণ রায় ও রাজীব চক্রবর্তী: দিল্লি, ১৯ ডিসেম্বর– বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে নৈশভোজে আপ্যায়িত করলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি৷‌ এর কূটনৈতিক তাৎপর্য অনস্বীকার্য৷‌ বিশেষত প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে ছিটমহল জট মেটানোর পথে হেঁটে কেন্দ্রের নতুন সরকার যখন একটি সুসঙ্কেত দিতে পেরেছে৷‌ কিন্তু সৌজন্য, আতিথেয়তার এই ভোজসভাকে যে শুদ্ধ দেশি রাজনীতির কৌতূহলও ছুঁয়ে থাকল, তার কারণ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উপস্হিতি৷‌ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের জটে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে এপার বাংলার স্বার্থ৷‌ মমতার উপস্হিতি সেদিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ৷‌ আরও তাৎপর্যপূর্ণ, এই নৈশভোজের সুবাদেই অবশেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখোমুখি হলেন মমতা৷‌ কেন্দ্রে মোদি সরকার গড়ার সাত মাস পর৷‌ আর এর সাক্ষী থাকলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি৷‌ এর আগে পর্যম্ত দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এড়িয়েই গেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী৷‌ কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে নিজে যোগ দিতে আসেননি৷‌ পাঠিয়েছেন তাঁর অর্থমন্ত্রীকে৷‌ সারদা-কাণ্ড এবং বর্ধমানের বিস্ফোরণ ঘিরে বি জে পি-র সঙ্গে রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সঙঘাত চরমে উঠেছে৷‌ এই সময় মোদির সঙ্গে তাঁর নিছক দেখা হওয়াটাও নজরকাড়ার মতো ঘটনা৷‌ দেখা হতে দুজন দুজনকে নমস্কার করে সৌজন্যের দায় রক্ষা করেন৷‌ হাতও মেলালেন৷‌ মমতাকে কথা বলতে দেখা দেখা যায় বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে৷‌ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং তাঁর স্ত্রী গুরশরণ কাউরের সঙ্গেও কথা বলেন মমতা৷‌ নৈশভোজে একই টেবিলে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷‌ রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে এসে রাতে মমতা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় হয়েছে৷‌ বিশেষ কোনও বিষয় নিয়ে কথাবার্তা হয়নি৷‌ মমতা আরও জানান, তাঁকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সে দেশের বিদেশ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম৷‌ তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন৷‌ এর আগে এদিন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠকে মোদি আশ্বাস দেন সীমাম্ত চুক্তি কার্যকর করা এবং তিস্তা জট মেটানোর ব্যাপারে৷‌ দু’দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন৷‌ ভোজসভায় প্রণব মুখার্জি আজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর হাতে তুলে দেন একটি ‘ঐতিহাসিক’ উপহার– ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আকাশবাণী ও দূরদর্শনের বেশ কিছু ক্লিপিং-এর সঙ্কলন৷‌ স্মরণ করলেন বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারতীয় ফৌজের সেই লড়াইয়ের কথা৷‌ প্রণব বললেন, প্রতিবেশী বন্ধু দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি৷‌ অতিথি রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশের অনেক কালের বন্ধু৷‌ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি এদিনই ছাড়া পেয়েছেন আর্মি রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেল হাসপাতাল থেকে৷‌ হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে গত ১৩ তারিখ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি৷‌ অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি হয় তাঁর৷‌ এখন অনেকটা সুস্হ৷‌

দিল্লিতে মমতা ব্যানার্জি এমন সময়ে এসেছেন, সংসদের সামনে যখন এসে গেছে পণ্য পরিষেবা কর বিল৷‌ কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বিরোধ বাড়ানোর মতো আরেকটি ইস্যু৷‌ মমতা এদিন বলেছেন, পণ্য পরিষেবা করে নীতিগত সমর্থন আছে আমাদের৷‌ বিষয়টি আমাদের নির্বাচনী ইস্তাহারেও ছিল৷‌ ইস্তাহার তৈরির আগেই আমাদের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন৷‌ আমরা চাই পণ্য পরিষেবা কর চালু হোক, তবে রাজ্যকে দেওয়া হোক উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ৷‌ করের টাকা রাজ্য থেকে তুলে নিয়ে চলে যায় কেন্দ্র৷‌ কেন্দ্র যদি রাজ্যকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ না দেয় তাহলে রাজ্যের চলবে কী করে? যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্হায় কেন্দ্র-রাজ্য হাত ধরাধরি করে চলে৷‌ রাজ্যগুলিকে বঞ্চনা করা হলে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্হা টিকতে পারে না৷‌ এই ব্যবস্হায় কেন্দ্র সরকার রাজ্যগুলির অভিভাবক৷‌ রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কাছে সম্তানের মতো৷‌ সুতরাং কেন্দ্রকে রাজ্যগুলির ভাল-মন্দের দায়িত্ব নিতে হবে৷‌ কেন্দ্র রাজ্য থেকে ৭৬ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে৷‌ অথচ রাজ্যকে ২৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হবে না? তৃণমূলের ইস্তাহারে আছে নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে পণ্য পরিষেবা করকে সমর্থন করা হবে৷‌ শর্ত হল, পণ্য পরিষেবা কর কেমন হবে সে ব্যাপারে রাজ্যগুলির মধ্যে একটা ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে৷‌ রাজ্যগুলির স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া চলবে না৷‌ এদিন লোকসভায় পণ্য পরিষেবা কর বিল পেশ করে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, এতে রাজ্যগুলির জন্য যথেষ্ট রক্ষাকবচ রয়েছে৷‌ রাজ্যসভায় জেটলি জানান, এই সভায় বিলটি আনা হবে বাজেট অধিবেশনে৷‌ তৃণমূল সাংসদ এবং রাজ্যসভায় দলের মুখ্য সচেতক ডেরেক ও’ব্রায়েন জেটলিকে তাঁর প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন করেন৷‌ জানতে চান, রাজ্য অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে আরেকটি বৈঠকে বসার বিষয়টি কতদূর এগোল? ডেরেক বলেন, আমরা পণ্য পরিষেবা করের বিরুদ্ধে নই৷‌ আমরা শুধু চাই উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক রাজ্যগুলিকে৷‌ লোকসভায় সৌগত রায়ও বলেন, রাজ্যগুলিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে৷‌ এবং রাজ্যগুলির ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিল পাস করতে হবে৷‌ তৃণমূলের মতে, যে বিষয়টি নিয়ে রাজ্যগুলি উদ্বিগ্ন তা হল রাজস্ব ক্ষতি৷‌ পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র বলছেন, যদি বর্তমান চেহারায় পণ্য পরিষেবা কর নিয়ে খসড়া সংবিধান সংশোধন বিল সংসদে পাস হয় তা হলে প্রথম বছর পশ্চিমবঙ্গের রাজস্ব ক্ষতি হবে ৮২০০ কোটি টাকা৷‌ তিনি বলেন, এমপাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান আমাকে কথা দিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পেশ করার আগে খসড়া বিলটি নিয়ে কমিটিতে আলোচনা করা হবে৷‌ কিন্তু, বিস্ময়কর ঘটনা হল কমিটিকে অন্ধকারে রেখেই বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা খসড়া বিলটি পাস করেছে৷‌ এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্হার প্রতি অবশ্যই নির্মম আঘাত৷‌ অমিত মিত্র আরও বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছি, পণ্য পরিষেবা করের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হোক পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্য ও তামাককে৷‌ শুক্রবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বঙ্গভবনে সাংবাদিকদের চায়ের আসরে আপ্যায়ন করেন৷‌ সেখান থেকেই নবান্নয় ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের সঙ্গে পণ্য পরিষেবা কর নিয়ে কথা বলেন৷‌ এবং মোবাইল ফোনেই অমিত মিত্রের কথা সাংবাদিকদের শুনিয়ে দেন৷‌

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পণ্য পরিষেবা কর বা জি এস টি হল ব্যাপক কর সংস্কারেরই একটি পর্ব৷‌ বিক্রয় করের বিকল্প হিসেবে এটির পরিকল্পনা৷‌ ইউ পি এ জমানা থেকেই জি এস টি চালু করার কথা হয়ে এসেছে৷‌ কিন্তু রাজ্যগুলির সঙ্গে একমত হতে না পারায় কার্যকর করা যায়নি৷‌ বাম জমানায় পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্ত যখন রাজ্য অর্থমন্ত্রীদের এমপাওয়ার্ড কমিটির প্রধান ছিলেন তখন পণ্য পরিষেবা কর চালু করার ব্যাপারে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল৷‌ কিন্তু, শেষ পর্যম্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি৷‌ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এ ব্যাপারে খসড়া বিলটি পাস করেছে৷‌ এটি এখন সংসদে নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা৷‌ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আজ বলেন, জি এস টি খসড়া বিল ফেব্রুয়ারিতে বাজেট অধিবেশনের সময় সংসদে আনা হবে৷‌ বিনিয়োগকারী ও উৎপাদকরা জি এস টি-র পক্ষে বহুদিন ধরেই সওয়াল করে আসছেন৷‌ কর ব্যবস্হাকে সহজতর করতে হলে জি এস টি চালু করতে হবে৷‌ এতে করের ভিত্তিও সম্প্রসারিত হবে৷‌ কিন্তু, রাজ্যস্ব ক্ষতির আশঙ্কায় ২৯টির মধ্যে বেশ কিছু রাজ্য সায় দিতে নারাজ৷‌ সোমবার অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি রাজ্যগুলিকে বার্তা দেন, জি এস টি চালু হলে কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে তাদের রাজস্ব ক্ষতি পুষিয়ে দেবে৷‌ কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশ-সহ কিছু রাজ্যের বক্তব্য, কেন্দ্র ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না৷‌ যেহেতু এই বিলটি সংবিধান সংশোধনের, সেজন্য এটিকে পাস হতে হবে দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতায়৷‌ লোকসভায় যথেষ্ট গরিষ্ঠতার দরুন সরকারকে মোটেই বেগ পেতে হবে না৷‌ কিন্তু, রাজ্যসভায় যেহেতু সরকারের কোনও গরিষ্ঠতা নেই তাই সরকারকে সমস্যার মুখে পড়তে হবে৷‌ রাজ্যসভার কথা ভেবেই সরকার জি এস টি নিয়ে এগোতে চায় সর্বসম্মতির ভিত্তিতে৷‌ জি এস টি চালু হলে বেশ কিছু অপ্রত্যক্ষ কর উঠে যাবে৷‌ এ ব্যাপারে কেন্দ্র-রাজ্য উভয় পক্ষকেই প্রথম দিকে কিছুটা রাজস্বের ক্ষতি বহন করতে হবে৷‌ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার যে জি সি টি বিলের খসড়াটি পাস করেছে তাতে মদকে প্রস্তাবিত জি এস টি-র আওতার বাইরে রাখা হয়েছে৷‌ এটিকে ছেড়ে রাখা হয়েছে বিধিবদ্ধভাবে ক্ষমতাবান জি এস টি পরিষদের বিবেচনার জন্য৷‌ এই পরিষদই ঠিক করবে মদের ওপর জি এস টি আরোপ করা হবে কি না৷‌ অন্যদিকে, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ওপর প্রথম দিকে জি এস টি না চাপানোর অর্থ হল কেন্দ্র ও রাজ্য এই বিষয়গুলির ওপরে পৃথকভাবে কর বসাতে পারে৷‌ গোড়া থেকেই চুঙ্গি করকে জি এস টি-র আওতায় রাখা হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
sangskriti || ghoroa || tv/cinema || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited