Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৪ কার্তিক ১৪২১ শুক্রবার ১ নভেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  সংস্কৃতি  ঘরোয়া  পর্দা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
চিঠি দিলেও আরাবুলকে ক্ষমা নয়--দীপঙ্কর নন্দী, গৌতম চক্রবর্তী ।। পান্ধই থানার সেই এ এস আই-কে সাসপেন্ড, ও সি-কে সরাতে বলল কোর্ট ।। অর্থতত্ত্ব-কাণ্ডে গ্রেপ্তার বি জে ডি বিধায়ক ।। কলাবিভাগের ৯৭ শতাংশ উপাচার্যকে চান না ।। রাজ্যপালের কাছে সূর্য: বীরভূম পুলিসের ভূমিকা নিয়ে নিরপেক্ষ তদম্ত হোক ।। জাতপাতের রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করছে এই রাজ্য সরকার: বিমান বসু ।। মহা ধুমধামে শপথ দেবেন্দ্রর--মান ভাঙিয়ে আনা হল উদ্ধবকে ।। বাংলায় বিনিয়োগ-সম্ভাবনার দরজা খুলে দিলেন অর্থমন্ত্রী--দেবারুণ রায় ।। গঙ্গাসাগরকে ঘিরে পর্যটন বাড়াতে ফিল্মসিটি গড়ার প্রস্তাব ।। যারা অশাম্তি বাধাচ্ছে তাদের বোল্ড আউট করে দিন: মুখ্যমন্ত্রী ।। দাম কমে যাচ্ছে পেট্রল ও ডিজেলের ।। মারা গেলেন অ্যান্ডারসন
ভারত

মহা ধুমধামে শপথ দেবেন্দ্রর

প্যাটেলের জন্মদিনে হেলা ইন্দিরাকে!

বাংলায় বিনিয়োগ-সম্ভাবনার দরজা খুলে দিলেন অর্থমন্ত্রী

২জি: এল চার্জ, বিচার এবার করুণানিধির স্ত্রী, মেয়ে, রাজার

অর্থতত্ত্ব-কাণ্ডে গ্রেপ্তার বি জে ডি বিধায়ক

এবার অনলাইনে বি জে পি-র সদস্যপদ

দলের চেহারা ফেরাতে একের পর এক বৈঠক রাহুলের

দাম কমে যাচ্ছে পেট্রল ও ডিজেলের

খুচরো খবর

মহা ধুমধামে শপথ দেবেন্দ্রর

মান ভাঙিয়ে আনা হল উদ্ধবকে

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

মুম্বই, ৩১ অক্টোবর (সংবাদ সংস্হা)– মহারাষ্ট্রে শুরু হল বি জে পি-যুগ৷‌ ২৭তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ৷‌ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে৷‌ এই প্রথম রাজ্যে বি জে পি-র মুখ্যমন্ত্রী৷‌ এবং কিছু ঘাটতি সত্ত্বেও কোনও জোট ছাড়াই সরকার গড়ল বি জে পি৷‌ রাজ্যপাল সি বিদ্যাসাগর রাও দেবেন্দ্রকে শপথবাক্য পাঠ করালেন৷‌ ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে দেবেন্দ্রকে৷‌ ৩৫ হাজার মানুষের সমাগমে বি জে পি এই শপথ অনুষ্ঠানকে মস্ত বড় শো করে তুলতে চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি৷‌ অনুষ্ঠানের মধ্যমণি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, যাঁর আস্হায় নাগপুরের ৪৪ বছরের ব্রাহ্মণ নেতা পেলেন মুখ্যমন্ত্রীর কুরসি৷‌ দেবেন্দ্র ছাড়াও সাতজন পূর্ণমন্ত্রী ও দু’জন রাষ্ট্রমন্ত্রী শপথ নিলেন৷‌ শপথ অনুষ্ঠানে সবচেয়ে নজর কেড়েছে উদ্ধব ঠাকরের উপস্হিতি৷‌ লাগাতার অপমান করছে বি জে পি, এই অভিযোগে শিবসেনা শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করবে বলে ঠিক করেছিল৷‌ কিন্তু শেষ মুহূর্তে বি জে পি সভাপতি অমিত শাহের ফোনে অভিমানের বরফ গলে৷‌ দেরি করে হলেও হাজির হন শিবসেনা প্রধান৷‌ শপথগ্রহণের সময় বেঙ্কাইয়া নাইডুর পাশে চুপচাপ বসে থাকলেও অনুষ্ঠান শেষে মঞ্চে উদ্ধবকে সহাস্য করমর্দন করতে দেখা যায় মোদির সঙ্গে৷‌ এটাই উসকে দিল জল্পনা, তা হলে কি বি জে পি-শিবসেনার দূরত্ব ঘুচল? নাকি পুরোটাই শিষ্টাচার! সেনা-সাংসদ বিনায়ক রাউত জানিয়েছেন, অমিত শাহ উদ্ধবজিকে আশ্বস্ত করেছেন, নতুন সরকারে শিবসেনার যোগদান নিয়ে ইতিবাচক সিদ্ধাম্ত নেওয়া হবে৷‌ এদিনের নায়ক দেবেন্দ্র হলেও প্রচারের সব আলো গিয়ে পড়ে মোদির মুখে৷‌ তিনিই মঞ্চে করজোড়ে ঘুরে ঘুরে মহারাষ্ট্র বিধানসভার সদস্যদের অভ্যর্থনা জানান৷‌ পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বি জে পি-র রাজ্য কোর কমিটির সদস্য একনাথ খাড়সে, সুধীর মুঙ্গাম্তিওয়াড়, বিনোদ তাওড়ে ও পঙ্কজা মুন্ডে এবং প্রকাশ মেহতা, চন্দ্রকাম্ত পাটিল ও বিষুž সাভারা৷‌ রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দিলীপ কাম্বলে ও বিজয় ঠাকুর৷‌ অতিথিদের মধ্যে প্রবীণ বি জে পি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলীমনোহর যোশি ছাড়াও ছিলেন নীতিন গাডকারি, রবিশঙ্কর প্রসাদ, প্রকাশ জাওড়েকারের মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা, বি জে পি-র মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে, আনন্দীবেন প্যাটেল, মনোহর পারিক্কার, রামন সিং ও মনোহরলাল খট্টর, জোটসঙ্গীদের মধ্যে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল ও অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু৷‌ ছিলেন রতন টাটা, মুকেশ আম্বানির মতো শিল্পপতিরা, অমিতাভ বচ্চন, সলমন খানের মতো বলিউড তারকারা৷‌ বলিউডের নামী শিল্প নির্দেশক নীতিন দেশাইয়ের হাতেই সেজে উঠেছে এদিনের অনুষ্ঠানভূমি৷‌ বিশাল এল ই ডি স্ক্রিনে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মহারাষ্ট্রের ইতহাস, বর্তমান৷‌ অনিবার্যভাবেই এসেছে শিবাজির অভিষেকের ছবিও৷‌

নাগপুর কর্পোরেটর থেকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের উত্থান হয়েছে ধাপে ধাপে৷‌ ৪৪ বছরের দেবেন্দ্র এই নিয়ে চতুর্থবার বিধায়ক৷‌ আর এস এসের সঙ্গে রয়েছে নিবিড় যোগ৷‌ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে সাফল্যের পর নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ অনেককে টপকে দেবেন্দ্রকে ওপরে তুলে এনেছেন৷‌ প্রমোদ মহাজন ও গোপীনাথ মুন্ডের অকালপ্রয়াণ এবং নীতিন গাডকারির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগদানে রাজ্য নেতৃত্বে শূন্যস্হানের সৃষ্টি হয়৷‌ সেখানেই উঠে এসেছেন দেবেন্দ্র৷‌ মারাঠা-অধ্যুষিত মহারাষ্ট্রে শিবসেনার মনোহর যোশির পর তিনিই দ্বিতীয় ব্রাহ্মণ মুখ্যমন্ত্রী৷‌ মৃদুভাষী দেবেন্দ্রকে মোদি বিশেষ পছন্দ করেন৷‌ নির্বাচনী প্রচারে দেবেন্দ্রকে ‘দেশকে নাগপুরের উপহার’ বলে বর্ণনাও করেছেন৷‌ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দেবেন্দ্র দৃশ্যতই খুশি৷‌ স্ত্রীকে পাশে নিয়ে হাজার চল্লিশ মানুষের হর্ষধ্বনিতে হাত নেড়ে জবাব দেন৷‌ বেড়ার ধারে অভিনন্দন জানাতে দাঁড়িয়ে ছিল পাঁচ বছরের একটি মেয়ে৷‌ তা-ও নজর এড়ায়নি দেবেন্দ্রর৷‌ ছুটে এসে ‘অল দ্য বেস্ট, বাবা’ বলে অভিনন্দন জানান কন্যা দ্বিজা৷‌ সঙ্গে ছিলেন দেবেন্দ্রর মা সরিতা ও স্ত্রী অমৃতা৷‌

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্হিত থাকা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান টুইট করে জানিয়েছেন, কংগ্রেস গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে৷‌ উপস্হিত ছিলেন আর পি আই প্রধান রামদাস আঠাওলে৷‌ প্রয়াত গোপীনাথ মুন্ডের মেয়ে পঙ্কজার শপথের সময় ওঠে প্রবল জয়ধ্বনি৷‌ পঙ্কজা একসময় নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণাও করেছিলেন৷‌ জানা গেছে, রাখি সাওয়াম্ত নাকি বি জে পি-র টুপি মাথায় দিয়ে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন৷‌ কিন্তু মুম্বই পুলিস ঢুকতে দেয়নি৷‌ রাখি প্রথমে রাষ্ট্রীয় আম পার্টি নামে একটি দল খুলে পরে তা ছেড়ে আর পি আই-তে যোগ দেন৷‌ শপথ নিয়েই দেবেন্দ্র স্বচ্ছ প্রশাসনের অঙ্গীকার করেছেন৷‌ সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্য সচিব স্বাধীন ক্ষত্রিয়কে ডেকে এক মাসের মধ্যে রাইট টু সার্ভিস বিলের খসড়া তৈরির জন্য বলে দিয়েছেন৷‌ শপথগ্রহণের পর এক সাংবাদিক বৈঠকে দেবেন্দ্র বলেন, মানুষ তাঁদের কাছে অনেক কিছু আশা করে৷‌ ফলে দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল৷‌ উন্নয়নকে মূল লক্ষ্য হিসেবে ধরে দক্ষ ও স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তুলবেন৷‌ রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্হা ভাল নয়৷‌ আগের কংগ্রেস সরকার যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পালন করতে গেলেই ৫২ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে হবে৷‌ তা সত্ত্বেও দেবেন্দ্র আশাবাদী, মহারাষ্ট্র আবার এক নম্বর রাজ্য হবে৷‌ শিবসেনার সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে বলেন, অমিত শাহের সঙ্গে উদ্ধব ঠাকরের আজই আলোচনার সম্ভাবনা আছে৷‌

এদিকে সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন জানানোর প্রস্তাব দিয়েও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জাঁকজমক নিয়ে তির্যক মম্তব্য করেছে এন সি পি৷‌ দলের মুখপাত্র নবাব মালিক টুইট করে একে মহারাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বলেছেন৷‌ লক্ষণীয়ভাবে এর প্রতিবাদ এল শিবসেনার কাছ থেকে৷‌ সামনা-র সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘তোমরা (কংগ্রেস এবং এন সি পি) ১৫ বছর ধরে মহারাষ্ট্রে লুটপাট চালিয়েছ৷‌ জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরেছ৷‌ এখন তোমরা শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুললে, তা হাস্যকর ঠেকছে৷‌’ শিবসেনা বলেছে, এই অনুষ্ঠান এন সি পি-কংগ্রেসের যাবতীয় অপরাধ ধুয়ে ফেলবে৷‌ অনুষ্ঠানে একাধিক সাধুসম্তের উপস্হিতি নিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস৷‌ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চবন বলেছেন, এটা সরকারি অনুষ্ঠান৷‌ কিন্তু দেখলাম প্রচুর সাধুসম্ত, মহারাজ হাজির হয়েছেন৷‌ অশোকের প্রশ্ন, এটা কি কুসংস্কার নয়? বর্ষা বাংলোয় সত্য সাইবাবার উপস্হিতি নিয়ে তো কত কথা উঠেছিল!





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
sangskriti || ghoroa || tv/cinema || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited