Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৫ পৌষ ১৪২১ রবিবার ২১ ডিসেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  নেপথ্য ভাষন  খেলা  রবিবাসর   আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
নেপথ্য ভাষন -অশোক দাশগুপ্ত--আছি, এটা বোঝানোই প্রথম ধাপ ।। ভারতীয়দের ‘মুখ’ রফিক--সুরজিৎ সেনগুপ্ত ।। দলকে মমতা: কলকাতা পুরভোটে বি জে পি-কে নিশ্চিহ্ন করতে হবে ।। কলকাতায় নয়, এবার ধর্না জেলায় ।। যাদবপুরের সমাবর্তন: বয়কট-স্ট্যাম্প মেরে দেওয়ার মম্তব্য প্রস্তাব ।। তৃণমূল, বি জে পি মিলে যাবে, সি পি এমও েতরি: গৌতম দেব ।। বুথ-ফেরত সমীক্ষায় ঝাড়খণ্ড বি জে পি-র, কাশ্মীর ত্রিশঙ্কু ।। সাগর দ্বীপের উন্নয়নে উচ্ছেদের আতঙ্কে আন্দোলনে মৎস্যজীবীরা ।। মিচেল জনসনের সুনামিতে ভারত ভেসে গেল--দেবাশিস দত্ত ।। সারদা সম্পত্তির তথ্য পেতে জেলে গিয়ে সুদীপ্তকে জেরা করবে ই ডি ।। মদন উডবার্ন ওয়ার্ডে ।। শপথ নিলেন মার্কিন দূত রিচার্ড রাহুল
ভারত

ধর্মাম্তর রুখতে আইনের দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

ডেরেক: হতাশ মন্ত্রী জেটলি সংসদে অসত্য বলেছেন

বুথ-ফেরত সমীক্ষায় ঝাড়খণ্ড বি জে পি-র, কাশ্মীর ত্রিশঙ্কু

দায়িত্ব থেকে সরানো হল দেবযানী খোবরাগাড়েকে

চিটফান্ড: ওড়িশায় গ্রেপ্তার পুলিস-কর্তা

খুচরো খবর

ধর্মাম্তর রুখতে আইনের দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

অভিজিৎ বসাক

ধর্মাম্তর রুখতে আইন প্রণয়নের দাবি তুলল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভি এইচ পি)৷‌ পাশাপাশি বাংলাদেশে অত্যাচারের কারণে এদেশে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে তারা৷‌ শনিবার কোচিতে ধর্মাম্তর-বিরোধী আইনের পক্ষে সওয়াল করেছেন বি জে পি সভাপতি অমিত শাহও৷‌ ভি এইচ পি-র বক্তব্য, বাংলাদেশ থেকে ৩ কোটি অনুপ্রবেশকারী পশ্চিমবঙ্গ, আসামে এসেছে৷‌ যা দেশের সুরক্ষার জন্য ক্ষতিকর৷‌ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সুবর্ণজয়ম্তী উপলক্ষে শহিদ মিনার ময়দানে এক সভার আয়োজন করা হয়েছিল শনিবার৷‌ সভায় উপস্হিত ছিলেন সরসঙঘচালক মোহন ভাগবত, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আম্তর্জাতিক কার্যকরী সভাপতি প্রবীণ তোগাড়িয়া৷‌ ভি এইচ পি-র রাজ্য সম্পাদক চিন্ময় দত্ত, আর এস এসের অখিল ভারতীয় প্রচারপ্রমুখ মনমোহন বৈদ্য, প্রাম্ত সঙঘচালক অতুলকুমার বিশ্বাস, দক্ষিণবঙ্গ প্রাম্ত প্রচারপ্রমুখ জিষ্ণু বসু প্রমুখ৷‌ অতিথিদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া স্হানে উপস্হিত ছিলেন বি জে পি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা-সহ দলের নেতৃত্ব৷‌ সভায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রাম্ত থেকে ভি এইচ পি সমর্থকরা অংশ নিয়েছিলেন৷‌ শহরের ৪টি প্রাম্ত থেকে মিছিল করে সভাস্হলে আসেন পরিষদ সদস্য-সমর্থকেরা৷‌ এদিন মোহন ভাগবত দাবি করেন, প্রলোভন দেখিয়ে, জোর করে ধর্মাম্তরিত করা হয়েছে৷‌ এমন কাজ পছন্দ না হলে আইন তৈরি করা হোক৷‌ হিন্দুদের ধর্ম পরিবর্তন করা হবে না৷‌ হিন্দুরাও এ কাজ করবে না৷‌ প্রবীণ তোগাড়িয়া বলেন, চুরির বিরুদ্ধে আইন আছে কি নেই? যাঁরা মনে করেন ধর্মাম্তর ভুল, তো তার বিরুদ্ধে আইন আনছেন না কেন? তিনি প্রশ্ন তোলেন বাংলায় ধর্মাম্তর, লাভ জেহাদ হচ্ছে না তো? মূল মঞ্চ থেকে দূরে বসা মানুষজন যাতে বক্তৃতা দেখতে ও শুনতে পান সেজন্য শহিদ মিনার ময়দানে ছিল ৪টি এল ই ডি স্ক্রিন৷‌ মঞ্চে ছিল বেশ কিছু দেবদেবীর ছবিও৷‌ ময়দানে কাগজ দিয়ে তৈরি বড় গরু চোখে পড়ে৷‌ বক্তাদের বক্তৃতার মাঝেই সমবেত মানুষজনকে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে শোনা যায়৷‌ মোহন ভাগবত বলেন, হিন্দুসমাজ জাগছে৷‌ এটি সজ্জনের জন্য হর্ষ, দুর্জনের জন্য ভয়ের৷‌ অন্য কোনও ভয় করার দরকার নেই৷‌ স্বার্থপর, দুষ্টুরা ভয় পাবে৷‌ তাঁর মতে, পাকিস্তান তো ভারতভূমি৷‌ এ স্হায়ী কি? প্রবীণ তোগাড়িয়া শরণার্থীদের নাগরিকত্বের দাবি তোলেন৷‌ সরব হন অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারেও৷‌ বলেন, ৩ কোটি অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশ থেকে ভারতে কেন? রাজ্যকে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করা হোক৷‌ অনুপ্রবেশকারীদের হটিয়ে শরণার্থীদের সুরক্ষা দেওয়ার কাজ করুক রাজ্য সরকার৷‌ গণতান্ত্রিক পথে সে-কাজে সাহায্য করব বলে জানান তিনি৷‌ ইমামভাতা নিয়ে রাজ্য সরকারকে বেঁধেন তিনি৷‌ বলেন, মমতাদি সংখ্যালঘু সংরক্ষণের কথা বলবেন৷‌ ইমামদের ভাতার ব্যবস্হা করবেন৷‌ পুরোহিতদের জন্য ভাতার ব্যবস্হা নয় কেন? এদিকে, ধর্মাম্তর-বিরোধী আইনের পক্ষে সওয়াল করলেন বি জে পি সভাপতি অমিত শাহ৷‌ ওই আইনকে বাস্তব রূপ দিতে ‘তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ’ দলগুলির সমর্থনও চেয়েছেন তিনি৷‌ কোচিতে আজ একদিনের দলীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের অমিত শাহ জানান, বি জে পি-ই একমাত্র দল, যারা জোর করে ধর্মাম্তরের বিরোধী৷‌ ধর্মাম্তর বিষয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা হবে কিনা, জানতে চাইলে বি জে পি সভাপতি বলেন, আগে এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থন প্রয়োজন৷‌ আগ্রায় ধর্মাম্তরকে ‘ঘর ওয়াপসি’ নাম ছঘরে ফেরাগ্গ দিয়েছেন কিছু উগ্র বি জে পি সমর্থক৷‌ গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের হোতা৷‌ সে প্রসঙ্গে অমিত শাহের বক্তব্য, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন তাই মম্তব্য করা ঠিক নয়৷‌ অভিযোগ, সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে বিভাজন করছে বি জে পি তথা এন ডি এ সরকার৷‌ আধার কার্ড এবং কালো টাকার ইস্যুতে একেবারে ইউ টার্ন করেছে৷‌ অমিত শাহের বক্তব্য, সব অভিযোগ মিথ্যে৷‌ সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কোনও ঘটনাই ঘটেনি৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || nepathya bhasan ||
khela || sunday || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited