Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৬ বৈশাখ ১৪২২ সোমবার ২০ এপ্রিল ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
সি পি এম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম--দেবারুণ রায়, ভোলানাথ ঘড়ই ।। কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার ৪--দেবারুণ রায়, ভোলানাথ ঘড়ই ।। সুরজিতের কাছে রাজনীতি শেখা ।। সৈকতে আছড়ে পড়ল লাল ঢেউ ।। জীবনে অনেক কিছু হারিয়েছি, না পাওয়ার আক্ষেপ নেই: মমতা ।। পুলিসকে গুলি: ৬ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার--অপারেশন করে বের করা হল গুলি ।। পাকুড়ে বন্ধুদের খোঁজ নিতে এসে ধৃত ইব্রাহিম--সব্যসাচী সরকার ।। জেতা আসনে হারবে তৃণমূল! কাম্তির দাবি--গৌতম রায় ।। রোড শো করে সিউড়ি মাতালেন রূপা, শতাব্দী ।। কলকাতাকে ছাড়াবে রাজ্যের অন্য পুরসভা ভোটের সন্ত্রাস ।। সুর বদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ।। দেব দর্শনের উচ্ছ্বাসে ভাসল ঘাটাল
ভারত

কিসান সমাবেশে যুদ্ধযাত্রা!

‘ভূপর্যটক’ মোদির মুখে গরিবের কথা!

সি পি এম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম

সৈকতে আছড়ে পড়ল লাল ঢেউ

সুরজিতের কাছে রাজনীতি শেখা

কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার ৪

ভবিষ্যনিধি চাই, নাকি পেনশন?

জমি যুদ্ধের হাওয়ায় বসছে আজ লোকসভা

বি জে পি: নতুন মোড়কে রাহুলকে নামাতে চায় কং?

গৌতম দাশ যেতে পারেননি

রেলে বিমা

খুচরো খবর

কিসান সমাবেশে যুদ্ধযাত্রা!

রাহুল: শিল্পপতিদের ঋণ শুধতে মোদির জমি বিল

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

রাজীব চক্রবর্তী: দিল্লি, ১৯ এপ্রিল– জমি-বিলকে হাতিয়ার করে নিজেদের হারানো জমি ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছে কংগ্রেস৷‌ এবং একই লড়াইয়ের মাধ্যমে নতুন করে তুলে ধরতে চাইছে রাহুল গান্ধীকে৷‌ রবিবার দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে জমি অধিগ্রহণ বিলের বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ করেন সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী৷‌ লক্ষাধিক কৃষকের সামনে ইউ পি এ এবং এন ডি এ সরকারের জমি-বিলের তুলনা করেন কংগ্রেসের এই দুই শীর্ষ নেতা৷‌ দেশের ইতিহাসে কৃষকের ভূমিকা তুলে ধরেন তাঁরা৷‌ দীর্ঘ দু-মাসের অজ্ঞাতবাসের পর এদিন প্রকাশ্যে এসে কৃষকের জমি বাঁচাতে পথে নেমে আন্দোলনের আহ্বান জানান রাহুল৷‌ জানান, তিনি আছেন এই আন্দোলনে৷‌ কৃষকদের উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, মোদিজি কীভাবে লোকসভা নির্বাচনে জিতলেন আমি আপনাদের বলছি৷‌ মোদিজি বড় বড় শিল্পপতিদের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন৷‌ যাতে তাঁর মার্কেটিং হয়, গুজরাট মডেলের প্রচার হয়, টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন হয়৷‌ সেই ঋণ কীভাবে শোধ করবেন? আপনাদের জমি সেই বড় বড় শিল্পপতিদের দিয়ে ঋণ মেটাতে চান৷‌ এই জন্যই জমি-বিলকে দুর্বল করতে চান৷‌ কংগ্রেসের এই কিসান সমাবেশে ভাল ভিড় হয়েছিল এদিন৷‌ মঞ্চে ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা মনমোহন সিং, দিগ্বিজয় সিং, পি সি চাকো, অজয় মাকেন-সহ অন্যরা৷‌ রাহুল এদিন বলেন, দেশের কৃষকরা আতঙ্কিত৷‌ এর দুটো কারণ৷‌ প্রথমত, কৃষক-মজদুর মনে করছে ভারত সরকার বড়লোকের সরকার৷‌ গরিবদের ভুলে গেছে সরকার৷‌ দ্বিতীয়, ২০১৩ সালে ইউ পি এ সরকার যে জমি বিল এনেছিল সেই বিলটি বদলে দিতে চাইছে এই সরকার৷‌ ভুলে গেলে চলবে না দেশে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়ে গোটা দেশকে দু-বেলা দু-মুঠো খাদ্য দিয়ে এসেছেন কৃষকরা৷‌ আজ কৃষকরা রাতে যখন ঘুমোতে যান তখন তাঁরা জানেন না পরের দিন কী হবে৷‌ তাঁর জমি তাঁর নিজের থাকবে কি না৷‌ এর আগে বিদর্ভ, বুন্দেলখণ্ডে কৃষকরা সমস্যায় পড়েছিল, আমরা ছুটে গেছি৷‌ মনমোহন সিংয়ের সরকার ত্রাণ পাঠিয়েছে৷‌ ইউ পি এ সরকারই ধান, গমের দাম বাড়িয়েছে৷‌ আখের দাম বাড়িয়েছে৷‌ ইউ পি এ সরকার যা করেছে দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য করেছে৷‌ ওড়িশায় আদিবাসীদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল৷‌ আমি সেখানে গেছি৷‌ আদিবাসীরা তাঁদের দুঃখের কথা বলেছেন৷‌ তাদের পাশে কংগ্রেস দাঁড়িয়েছে৷‌ আমরা সেই লড়াই জিতেছি৷‌ কিন্তু, আদিবাসী যুবকদের দল আমার কাছে এসে বলেছে, বেদাম্তকে জমি দেওয়া হলে ৪০০ যুবক নকশাল হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে৷‌ এর পর ভট্টাপারশলের কৃষকদের উল্লেখ করেন রাহুল৷‌ বলেন, এখন ওঁরা আমার বন্ধু৷‌ কিন্তু, যখন প্রথম ওঁদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তখন উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীর সরকার ছিল৷‌ জোর করে গরিব কৃষকের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল৷‌ দু-বছর লেগেছিল ইউ পি এ সরকারের ওই জমি-বিল তৈরি করতে৷‌ যেদিন বিলটি পাস হয়েছিল সেদিন নিজের চোখে দেখেছি বি জে পি-র নেতা সংসদে দাঁড়িয়ে তালি বাজিয়ে সমর্থন জানিয়েছিল৷‌ কিন্তু, আজ কী এমন হল যে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে আগে সংসদে পাস করানো নয়, অর্ডিনান্স জারি করে তার পর বিল আনা হচ্ছে? ফসলের ন্যূনতম বিক্রয়মূল্য যেই কে সেই পড়ে আছে৷‌ হরিয়ানায় কৃষকের দুর্দশার সীমা নেই৷‌ বি জে পি কেন এই সব করছে তার কারণ কী, আমি বোঝাচ্ছি৷‌ এর পরই রাহুল বলেন, শিল্পপতিদের ঋণ মেটাতেই মোদি সরকার এই রাস্তা নিয়েছে৷‌ রাহুল বলেন, একবার কৃষক দুর্বল হয়ে পড়লেই তাদের জমি শিল্পপতিদের দিতে সুবিধে হবে৷‌ মোদিজি উদ্যোগপতিদের দেখিয়েছেন, গুজরাটে গরিব কৃষকের জমি খুব সহজেই কেড়ে নেওয়া যায়৷‌ নির্বাচনের আগে তিনি উদ্যোগপতিদের বলেছেন, আমাকে প্রধানমন্ত্রী হতে সাহায্য করুন তার পর যেভাবে গুজরাটে কৃষকের জমি কেড়ে নিয়ে আপনাদের দিয়েছি ঠিক তেমনই গোটা দেশে যেখানে খুশি কৃষকের জমি আপনাদের হাতে তুলে দেব৷‌ ভারতের প্রধান ভিতকে দুর্বল করতে উঠেপড়ে লেগেছেন৷‌ মোদিজির মডেল হল, ভিতকে দুর্বল করে অট্টালিকার বাইরে রঙ করে চমক দেখাও৷‌ এইভাবে দেশের কৃষকের সর্বনাশ ডেকে আনছেন৷‌ কংগ্রেস সহ সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশে গিয়ে বলেছেন, ভারতের ৫০ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হচ্ছে৷‌ বিদেশ সফরে গিয়ে তিনি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন সেটা ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে মানায় না৷‌ রাহুল এদিন কৃষকদের বলেন, যে জমিতে আপনারা চাষ করেন তাকে আপনারা মা-এর মতো দেখেন৷‌ কিন্তু, এই জমি সোনার চেয়ে মূল্যবান৷‌ সত্যিটা হল, আগামী ৫-২০ বছরে সোনার চেয়ে বেশি দাম বাড়বে৷‌ রাহুল বলেন, কৃষককে ভাতে মারতে চান প্রধানমন্ত্রী৷‌ তিনি চান কৃষকের ফসলের উপযুক্ত দাম না মিলুক৷‌ কৃষক সেচের সুবিধা, রাসায়নিক সারের সুবিধা যাতে না পায় সেই চেষ্টা করছেন৷‌ আমরা জমি-আইনে ৪৷‌৫টি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস করেছিলাম৷‌ সবচেয়ে বড় জিনিসটি হল, আগে আপনাদের জমি কেড়ে নেওয়া হত, সঠিক দাম দেওয়া হত না৷‌ আমরা সেটা বদলেছি৷‌ কৃষকরা যাতে বাজার দরের থেকে ৪ গুণ বেশি টাকা পায় তার ব্যবস্হা করেছি আমরা৷‌ ২০১৩-র আইনে আমরা বলেছিলাম, দেশের যে-কোনও প্রাম্তে জমি অধিগ্রহণ করতে হলে মোট ৮০ শতাংশ জমি মালিকের অনুমতি প্রয়োজন৷‌ তা না হলে জমি অধিগ্রহণ হবে না৷‌ ওই আইনে একটি বিশেষ সমীক্ষার কথা বলা হয়েছিল৷‌ জমি অধিগ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে কৃষকের ওপর তার কী ধরনের প্রভাব পড়েছে তা দেখে উপযুক্ত ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য এই সমীক্ষা করার কথা বলা হয়েছিল৷‌ যদি কোনও আধিকারিক আইন কার্যকর না করে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে৷‌ এই সবই বি জে পি তুলে দিয়েছে৷‌ ৫ বছরের মধ্যে অধিগৃহীত জমিতে কাজ শুরু না হলে, জমি অব্যবহূত অবস্হায় পড়ে থাকলে কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে৷‌ এই বিষয়টিও বাতিল করে দিয়েছে৷‌ এই ধারা বাতিলের কী প্রয়োজন ছিল? যদি সত্যিই মোদিজি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ করতে চান তা হলে এই ৫ বছরের পরিবর্তন করার কী দরকার৷‌ আসলে এটা পরিবর্তন করা হয়েছে কারণ আপনাদের জমি ‘ল্যান্ড ব্যাঙ্ক’ আকারে বিদেশি শিল্পপতিদের হাতে তুলে দিতে সুবিধে হবে৷‌ উনি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ করতে চান না৷‌ কৃষকদের আহার কেড়ে নিয়ে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হতে পারে না৷‌ কিন্তু মনে রাখবেন, দেশের যেখানেই জোর করে জমি কেড়ে নিতে যাবে মোদি সরকার, সেখানেই কংগ্রেস কৃষকের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবে৷‌ সেখানে কংগ্রেস কর্মীদের পাশে পাবেন৷‌ যুব নেতাদের পাবেন৷‌ আমাকে আপনাদের পাশে পাবেন৷‌ এই দেশ কৃষক-মজদুরের দেশ৷‌ নিশ্চিত ভাবে প্রগতি ও শিল্পের প্রয়োজন আছে৷‌ ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র প্রয়োজন আছে৷‌ কিন্তু, কৃষকেরও প্রয়োজন আছে৷‌ কৃষকের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রয়োজন আছে৷‌ কয়েকজন বাছাই করা মানুষ সবকিছু সুবিধা পাক আর কৃষক অনাহারে মরুক এমন দেশ আমরা চাই না৷‌ আপনাদের আশ্বস্ত করছি কংগ্রেস লড়বে৷‌

এদিন সোনিয়া গান্ধী বলেন, ইউ পি এ সরকার দেশের গরিব মানুষের জন্য যত আইন তৈরি করেছিল সেই একশো দিনের কাজের প্রকল্প, খাদ্য সুরক্ষা, সেচ, শিক্ষার অধিকার, স্বাস্হ্যের অধিকার প্রকল্প এ-সবে ব্যাপক ভাবে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে৷‌ এটা তো অন্যায়৷‌ মোদি সরকারে নীতি গরিব-বিরোধী৷‌ যুগ যুগ ধরে এদেশের কৃষক দেশকে অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে৷‌ এখন কৃষকের অস্তিত্ব সঙ্কটে৷‌ সোনিয়া আরও বলেন, এখন আমরা সরকারের বাইরে, কিন্তু মানুষের পাশে আমরা আজও আছি৷‌ রামলীলা ময়দানের বিপুল এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারকে এবার বার্তা দিতে এসেছি৷‌ অনেক হয়েছে, আর নয়৷‌ কৃষকের প্রতি অন্যায় আর মেনে নেওয়া হবে না৷‌ মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে যে সরকার ১০ বছর চলেছে সেই সরকার নির্দিষ্ট সময় অম্তর ন্যূনতম বিক্রয় মূল্য ও বোনাসে বৃদ্ধি ঘটাত৷‌ এখন কী হচ্ছে? সরকার যে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে তা না দেওয়ার সমান৷‌ মনে হচ্ছে কাটা ঘায়ে সরকার নুনের ছিটে দিচ্ছে৷‌ দেশের কৃষক না খেতে পেয়ে মরছে৷‌ উৎপাদিত গম খেতে পড়ে রয়েছে৷‌ সরকার কিনতে রাজি নয়৷‌ অথচ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে রেকর্ড পরিমাণ গম কেনার চুক্তি করা হচ্ছে৷‌ গত বছরে ৩৫ শতাংশ দাম পড়েছে৷‌ কৃষক আখের মূল্য পাচ্ছেন না৷‌ আলুর দাম ৮০ শতাংশ কমে গেছে৷‌ এখানেই শেষ নয়৷‌ সরকারি নীতির কারণে ইউরিয়ার মূল্য কয়েকগুণ বেড়েছে৷‌ কালোবাজারি শুরু হয়েছে৷‌ সোনিয়া বলেন, ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে জমি অধিগ্রহণ আইন এনেছিল৷‌ সব দল সম্মত হয়েছিল৷‌ বি জে পিও৷‌ এখন বলছে, সেটা নাকি কৃষকের প্রতি ষড়যন্ত্র ছিল৷‌ সরকারকে বলছি, আপনারা কি তখন সহমত পোষণ করেননি? কৃষকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র তো আপনারাই করছেন৷‌ শুধুমাত্র কৃষকদের বিভ্রাম্ত করে শিল্পপতিদের সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছে বি জে পি সরকার৷‌ এই আইনে বহুফসলি জমিও অধিগ্রহণ করা হবে৷‌ আদিবাসী ও বনবাসী মানুষ উৎখাত হবে৷‌ এর প্রতিবাদে ১৪টি দলকে সঙ্গে নিয়ে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যম্ত পদযাত্রা করে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে৷‌ বিগত ১১ মাসে কী হয়েছে? আজ কৃষক গভীর সমস্যার মধ্যে এসে পড়েছে৷‌ মনে রাখবেন, সরকারে আসার আগে এরাই তো বলেছিল, আর কোনও কৃষককে আত্মহত্যা করতে হবে না৷‌ কৃষকদের আর কোনও মহাজনের কাছে যেতে হবে না৷‌ আসলে এদের মুখে এক আর মনে এক৷‌ এদের কথা বলার সঙ্গে কাজের কোনও মিল নেই৷‌ ফসল কাটার সময় ভরদুপুরে বিপুল সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য কৃষকদের ধন্যবাদ জানান তিনি৷‌ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেন, ২০১৩-র আইনকে দুর্বল করতে এবং কৃষকদের দুর্বল করতেই নতুন জমি আইন আনতে চাইছে এই সরকার৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited