Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৩ আশ্বিন ১৪২১ শনিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  সংস্কৃতি  ঘরোয়া  পর্দা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
যাদবপুর অচল--গৌতম চক্রবর্তী ।। ‌ট্যাক্সি উধাও, বাস-মিনিবাসও কম--আজ চালকদের ‘লালবাজার চলো’ ।। মধ্যমগ্রাম গণধর্ষণ--৫ অভিযুক্তের ২০ বছরের কারাদণ্ড ।। শ্রমিক-অসম্তোষ, বন্ধই হয়ে গেল গ্লস্টার জুট মিল--প্রিয়দর্শী বন্দ্যোপাধ্যায় ।। আগামী বছরের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর ।। আগামী দিনে কংগ্রেসের ভাল দিন দেখছেন নেতারা ।। ভারত-চীন যৌথ বিবৃতিতে গুরুত্ব পেল সীমাম্ত-শাম্তি ।। ওড়িশা, বাংলায় ডবল এজেন্টের হদিস ।। তৃণমূলের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে কংগ্রেসি ভোট যাবে বি জে পি-তে ।। বামফ্রন্টের ২২শের মিছিলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাও ‘ইস্যু’ হবে ।। স্বাধীনতা নয়! রায় স্কটল্যান্ডের ।। শুভেন্দু আর রবীন এক নয়: সূর্য
ভারত

ভারত-চীন যৌথ বিবৃতিতে গুরুত্ব পেল সীমাম্ত-শাম্তি

সুখে নেই কং-এন সি পি

ওড়িশা, বাংলায় ডবল এজেন্টের হদিস

অকালে প্রয়াত ইউ শ্রীনিবাস

মুসলিমদের ‘সার্টিফিকেট’ দিলেন মোদি

খুচরো খবর

ভারত-চীন যৌথ বিবৃতিতে গুরুত্ব পেল সীমাম্ত-শাম্তি

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: দিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর– প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠকের একদিন পর আজ দু’দেশ যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে৷‌ আলোচনার মুখ্য বিষয়গুলি এতে উঠে এসেছে৷‌ সীমাম্ত ইস্যুতে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু’দেশই সীমাম্ত প্রশ্নে মতবিনিময় করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছে নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা৷‌ এই দায়বদ্ধতা হল দু’পক্ষের মতে ভাল, যুক্তিগ্রাহ্য এবং পরস্পরের কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধান, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বার্থের সঙ্গে জড়িত৷‌ সীমাম্তে শাম্তির গুরুত্ব অনুধাবন করে দু’দেশই বলেছে সীমাম্তে শাম্তি ও স্হিতিশীলতা রক্ষার জন্য যৌথ প্রয়াস চালানো হবে৷‌ এভাবেই সীমাম্ত সমস্যার স্হায়ী সমাধানে পৌঁছনোর চেষ্টা করা হবে৷‌ ২০০৫ সালের চুক্তির কথা স্মরণ করে দু’পক্ষই জোর দিয়েছে যাতে দ্রুত সীমাম্ত সমস্যার স্হায়ী সমাধান সম্ভব হয়৷‌ বলা হয়েছে, এতে দু’দেশের মৌলিক স্বার্থ চরিতার্থ হবে৷‌ এটিকে কৌশলগত লক্ষ্য হিসেব চিহ্নিত করা হয়েছে৷‌ ২০১৩-র যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হয় প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং ও তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের মধ্যে বৈঠকের পর৷‌ বর্তমান বৈঠকেও একইভাবে সীমাম্ত সমস্যার সমাধানের ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে৷‌ ২০১৩-র ২০ মে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, দু’দেশের বিশেষ প্রতিনিধিরা যে কাজ করেছেন সীমাম্ত প্রশ্নে, তা সম্তোষজনক এবং তাঁদের উৎসাহিত করে বলেছেন আলোচনার এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হোক৷‌ শি-র তিন দিনের ভারত সফরের সময়ও লাদাখে অশাম্তি জিইয়ে ছিল এবং মোদি গতকাল তাঁদের বৈঠকে কড়াভাবে বিষয়টি তুলেছেন৷‌ দু’পক্ষই মতপার্থক্য মিটিয়ে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে৷‌ পঞ্চশীলের নীতি ও শাম্তিপূর্ণ সহাবস্হানের কথাও বলা হয়েছে৷‌ বলা হয়েছে, সীমাম্ত বিরোধ যেন কোনও মতেই পারস্পরিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে না পারে৷‌ দু’পক্ষই নতুন করে বলেছে, কৌশলগত ও সমবায়ভিত্তিক অংশীদারিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে শাম্তি ও উন্নতির জন্য৷‌ ভারত বলেছে, সীমাম্ত বিরোধ চার হাজার কিমি জুড়ে৷‌ যদিও চীনের দাবি, এই এলাকাটি দু’হাজার কিমি৷‌ বাকিটা অরুণাচল প্রদেশ, যাকে চীন বলে দক্ষিণ তিব্বত৷‌ বিরোধ মেটাতে ভারত ও চীনের বিশেষ প্রতিনিধিরা এ পর্যম্ত ১৭ দফা বৈঠক করেছেন৷‌ মোদি ও শি বিশেষ প্রতিনিধিদের স্তরে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্যকে স্বীকার করে বলেছেন, সীমাম্ত সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান খুঁজতে এই প্রক্রিয়া খুবই জরুরি৷‌ দু’দেশ সম্মত হয়েছে চতুর্থ যৌথ সেনা প্রশিক্ষণ শিবির করতে৷‌ দু’দেশের সুবিধাজনক সময়ে এটা করা হবে৷‌ নৌসেনা, বায়ুসেনার যৌথ প্রশিক্ষণও হবে৷‌ শাম্তি রক্ষার ব্যাপারে, উগ্রপম্হা বিরোধী অভিযানে, মানবিক উদ্ধারকার্যে, বিপর্যয়ের সময় কার্যকলাপে এবং সাধারণ প্রশিক্ষণে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে, বলা হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে৷‌ চীনের প্রেসিডেন্ট ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকেও চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান৷‌ প্রণববাবু এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন৷‌ প্রেসিডেন্ট শি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্রুত চীন সফরের দিকে তিনি তাকিয়ে আছেন৷‌ মোদিও জানিয়েছেন, তিনি চীন সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং তাড়াতাড়িই চীন সফরে যাবেন৷‌ মোদি ও শি যৌথভাবে বলেন, সব ধরনের উগ্রপম্হার বিরুদ্ধে তাঁরা রুখে দাঁড়াতে চান৷‌ দু’দেশই যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, দুটি বৃহৎ উন্নতিশীল অর্থনীতি হিসেবে তাদের উন্নয়নের লক্ষ্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷‌ এই লক্ষ্যপূরণে পারস্পরিক সমর্থন চাই৷‌ উন্নতির জন্য ঘনিষ্ঠতর অংশীদারি গড়ে তুলতে হবে দু’দেশের মধ্যে৷‌ শাম্তি ও উন্নতির স্বার্থে অংশীদারিকে উন্নয়নের অংশীদারি ভিত্তিক করে তুলতে হবে৷‌ যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু’পক্ষই মনে করে একুশ শতক চিহ্নিত হবে শাম্তি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও সহযোগিতায়৷‌ উন্নতিশীল দেশ হিসেবে ভারত ও চীনের বহু সাধারণ স্বার্থ আছে৷‌ আবহাওয়া পরিবর্তনের মতো ইস্যুতেও এই সাধারণ স্বার্থ সক্রিয়৷‌ নেতারা বলেন, কৌশলগত অর্থনৈতিক আলোচনা চাই অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উদ্ভাবনের জন্য৷‌ দু’পক্ষই সম্মত হয় সপ্তম ভারত-চীন অর্থনৈতিক আলোচনার আয়োজন করতে৷‌ এই আলোচনার আয়োজন হবে এ বছর দিল্লিতে৷‌ ব্যাঙ্ক অফ চায়না একটি শাখা খুলতে চায় মুম্বইতে৷‌ ভারত এই অনুরোধে রাজি৷‌ চীনারা এতে সম্তোষ প্রকাশ করেছেন৷‌ শি ও মোদি অসামরিক পরমাণু শক্তির ব্যাপারে সহযোগিতা চালিয়ে যেতে চান৷‌ অবশ্যই তা হবে তাদের আম্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা অনুযায়ী৷‌ ভারত চীনের প্রশংসা করেছে৷‌ কারণ চীন ভারতকে বন্যার সময়কার জলসম্পদ সংক্রাম্ত তথ্য দিতে রাজি হয়েছে৷‌ এ ছাড়া দু’দেশ যৌথ উদ্যোগ নেবে আম্তর্জাতিক সম্পর্কের গণতন্ত্রীকরণের জন্য৷‌ রাষ্ট্রপুঞ্জের ভূমিকা শক্তিশালী করার জন্যও তারা উদ্যোগী হবে৷‌ রাষ্ট্রপুঞ্জের ভূমিকা বিশ্ব শাম্তি নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে৷‌ এ ব্যাপারে দু’দেশ অন্য রাষ্ট্রগুলিকে সঙ্গে নিয়ে তাদের লক্ষ্যপূরণে ব্রতী হবে৷‌ আজ দিল্লিতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ড. দ্বারকানাথ কোটনিসের ৯৩ বছর বয়স্কা বোন মনোরমার সঙ্গে দেখা করেন৷‌ কোটনিস চীনে গিয়েছিলেন ১৯৩৭-এ, ভারতীয় মেডিক্যাল মিশনের শরিক হয়ে৷‌ তিনি যুদ্ধ ক্ষেত্রে কাজ করেন এবং বহু চীনা সেনার জীবন বাঁচান৷‌ চার বছর চীনে কাজ করে তিনি অসুস্হ হয়ে পড়েন এবং ৩২ বছর বয়সে মারা যান৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
sangskriti || ghoroa || tv/cinema || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited