Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৩ কার্তিক ১৪২১ শুক্রবার ৩১ অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
গঙ্গাসাগরকে ঘিরে শিল্প ও পর্যটনকেন্দ্র--তারিক হাসান, গঙ্গাসাগর ।। ৫০০ কোটির সম্পত্তির নথি, দুই ক্লাবের সাড়ে ৬ কোটি--সব্যসাচী সরকার ।। যাদবপুরে গণভোট , সুর নামল উপাচার্যের ।। মিডিয়াকে অভিষেক, বাজে কথা বললেই দল থেকে বহিষ্কার ।। ক্ষমা চেয়ে চিঠি মমতাকে, মিছিল আরাবুল পম্হীদের--গৌতম চক্রবর্তী ।। সদিচ্ছা থাকলে সর্বদল বৈঠক ডাকুক রাজ্য--কেন্দ্র-রাজ্য দুই শাসকই দায়িত্বজ্ঞানহীন: সূর্য ।। না, কোনও কংগ্রেসি কালো টাকার লিস্টে নেই! ।। সুদীপ্তর কটকে ৫০ লাখের বাংলো! ।। বি জে পি সংসদীয় দলের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার ।। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জরিপে যেতেই তুমুল বিক্ষোভ ।। আজ মহাষ্টমীতে চন্দননগরে মমতা ।। দেবেন্দ্রর শপথ আজ
ভারত

না, কোনও কংগ্রেসি কালো টাকার লিস্টে নেই!

দেবেন্দ্রর শপথ আজ

দিল্লিতে সরকার? বি জে পি দ্বিধায়

শিক্ষায় সঙেঘর নাক গলানো শুরু

সিমে আধার নং জুড়লে মিলবে নানা পরিষেবা

সুদীপ্তর কটকে ৫০ লাখের বাংলো!

ব্যয়সঙ্কোচ, আমলাদের প্রথম শ্রেণীতে বিমানে চড়া ও পাঁচতারায় বৈঠক বাদ

খুচরো খবর

না, কোনও কংগ্রেসি কালো টাকার লিস্টে নেই!

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

আজকালের প্রতিবেদন: দিল্লি, ৩০ অক্টোবর– কালো টাকার তালিকায় নাম নেই কংগ্রেসের কোনও প্রাক্তন মন্ত্রীর৷‌ এমনকি তেমন বড় কোনও কংগ্রেস নেতার নামও নেই৷‌ বুধবার এন ডি এ সরকারের জমা দেওয়া নামের তালিকার বেশির ভাগটাই দখল করে আছেন বেশ কয়েকজন শিল্পপতি ও আমলা৷‌ অর্থ মন্ত্রক সূত্রে এমনটাই জানা গেছে৷‌ এদিকে বিদেশি ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের গোপনীয়তা যাতে ভঙ্গ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবে কালো টাকা মামলায় তদম্তকারী দল৷‌ বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন সিট-এর চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম বি শাহ৷‌ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, গোপনীয়তা চুক্তি একটি বড় বিষয়৷‌ সেটা ভঙ্গ করা উচিত নয়৷‌ বিদেশি ব্যঙ্ক গ্রাহকদের গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে অন্যান্য দেশ তথ্য দেওয়া বন্ধ করে দেবে৷‌ আর এক্ষেত্রে বিদেশ থেকে নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া অত্যম্ত জরুরি৷‌ কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত গ্রহনযোগ্য নথি একমাত্র বিদেশের হাতেই আছে৷‌ চুক্তি ভঙ্গ হলে তা আর পাওয়া যাবে না৷‌ এক প্রশ্নের উত্তরে সিট-চেয়ারম্যান আরও বলেন, কালো টাকা মজুত করায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদম্ত এগোচ্ছে৷‌ শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে৷‌ তবে ঠিক কবে কালো টাকা উদ্ধার করা সম্ভব, সেটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়৷‌ অভিযুক্তদের তালিকায় তাবড় রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের নাম থাকায় তদম্তে কোনও অসুবিধে হতে পারে কি না, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অপরাধীদের কে বড়, তা নিয়ে আমরা চিম্তিত নই৷‌ আমরা তাদের দেশের গরিবতম মানুষের মতোই দেখব৷‌

সিট-এর ভাইস চেয়ারম্যান বিচারপতি অরিজিৎ পশায়ত বলেছেন, আমাদের কাছে কেউ ছোট-বড় নয়৷‌ সবাই সমান৷‌ যারা দেশের টাকা লুট করেছে তাদের প্রত্যেককে আইনানুযায়ী শাস্তি পেতে হবে৷‌ এটা আমরা নিশ্চিত করছি৷‌ এ ব্যাপারে অনেকের অস্বস্তি তৈরি করার জন্য আমাদের দু’জনকেই (চেয়ারম্যান এবং তিনি) সবাই ভালভাবে চেনেন৷‌ তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে জেনেভার এইচ এস বি সি ব্যাঙ্কের যে ৬২৭ জন গ্রাহকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি নাম সিটের কাছে আছে৷‌ লোকসভা নির্বাচনের আগে বি জে পি-র বিদেশ থেকে কালো টাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে এদিন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক দিগ্বিজয় সিং বলেন, বি জে পি নেতাদের যদি বিন্দুমাত্র সাহস থাকে, তবে দেরি না করে এক্ষুনি সমস্ত নাম প্রকাশ করে দেখান৷‌ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন তো দেশের মানুষ জন-ধন যোজনায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলেছেন৷‌ এবার প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ৩অথবা ৫ লাখ টাকা জমা করে দিন৷‌ জনগণের উদ্দেশে বলেন, কেন্দ্র সরকার এবং বি জে পি নেতাদের জিজ্ঞেস করুন, কবে তারা এই টাকা আপনাদের অ্যাকাউন্টে দেবে৷‌ দিগ্বিজয়কে প্রশ্ন করা হয়, ইউ পি এ সরকার সুইৎজারল্যান্ড সরকারের সঙ্গে কালো টাকার মালিকদের নাম প্রকাশ না করার জন্য চুক্তি করায় বর্তমান সরকার নাম প্রকাশ করতে পারছে না৷‌ দিগ্বিজয় পাল্টা বলেন, তবে এই সরকারে উচিত আর একটি নতুন চুক্তি করা৷‌

অন্যদিকে, বি জে পি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু এই প্রসঙ্গে বলেছেন, যাঁরা কালো টাকা ইস্যুতে সব নাম প্রকাশ করার জন্য চাপ দিচ্ছেন, তাঁরাই আসলে কালো টাকার মালিকদের বাঁচাতে চাইছেন৷‌ গতকালই মুখবন্ধ খামে সুইস ব্যাঙ্কের ৬২৭ জন কালো টাকার ভারতীয় মালিকের নামের তালিকা হাতে পেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷‌ মুখবন্ধ খামেই তালিকাটি ‘সিট’-এর কাছে পাঠানো হয়েছে৷‌ তালিকা খতিয়ে দেখে নভেম্বরের শেষে একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে সিট-কে৷‌ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দেবে তারা৷‌ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৩ ডিসেম্বর৷‌ যদিও অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি জানিয়েছেন, এই তালিকায় প্রায় অর্ধেক অনাবাসী ভারতীয়র নাম আছে৷‌ অনাবাসী ভারতীয়দের বিরুদ্ধে ভারতীয় কর আইন কার্যকরী নয়৷‌ বাকি রইল অর্ধেক নাম৷‌ এই অর্ধেকের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভারতীয় আছেন যাঁরা নিয়ম অনুযায়ী কর প্রদান করে সুইস ব্যাঙ্কে টাকা রেখেছেন৷‌ ফলে সরকার এদিন যে ৬২৭ জনের নামের তালিকা জমা দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখে প্রকৃত কতজনকে কালো টাকার মালিক হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷‌ এ ছাড়া আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে৷‌ তা হল, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে দেশ জুড়ে যেভাবে কালো টাকা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে, সেই সময়ে বিদেশি ব্যাঙ্কের ভারতীয় গ্রাহকদের একটা বড় অংশ তাঁদের বেশির ভাগ বেআইনি টাকা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সুযোগ পেয়েছেন৷‌ এত কিছুর পরে ঠিক কবে এবং কী পরিমাণ কালো টাকা উদ্ধার করতে পারবে সরকার, তা নিয়ে সংশয় থাকছেই৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || khela || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited