Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ২ কার্তিক ১৪২১ সোমবার ২০ অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
সুদিন মোদিরই ।। ফল দেখেই স্লোগান আকবর রোডে: ‘প্রিয়াঙ্কা লাও’ ।। বর্ধমানে মেয়েদের বহু অনুমোদনহীন মাদ্রাসার হদিশ ।। বহু বেআইনি মাদ্রাসায় তল্লাশি ।। কর্মীদের জয়া: আগুনের সমুদ্রে সাঁতার কাটছি সারা জীবন ।। ৩ রাজ্যে উপনির্বাচনে জয়ী বি জে পি, কং, বি জে ডি ।। কর্মীদের চাঙ্গা করতে ৫ নভেম্বর থেকে জেলা সফর শুরু মমতার ।। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক, অ্যাসিডের চরিত্র কী জানা নেই এখনও ।। কলকাতা ছেয়ে গেছে স্নাইপার, পিস্তলে!--সোমনাথ মণ্ডল ।। থিমের রমরমা কালীপুজোতেও--শিখর কর্মকার ।। বাধা ঠেলে জাঠা দাপাল জেলা ।। মুকুলের কলঙ্ক মমতা গায়ে মাখতে রাজি নন: অধীর
ভারত

সুদিন মোদিরই

শিবসেনাকে এখন সামলাবে কে?

উত্তরপ্রদেশে বি জে পি-কে ধাক্কা

ফল দেখেই স্লোগান আকবর রোডে: ‘প্রিয়াঙ্কা লাও’

৩ রাজ্যে উপনির্বাচনে জয়ী বি জে পি, কং, বি জে ডি

মেয়াদ শেষে বিমাকারীদের আয়কর দিতে হবে এখন

কর্মীদের জয়া: আগুনের সমুদ্রে সাঁতার কাটছি সারা জীবন

কংগ্রেস এন সি পি দোষারোপে

মহারাষ্ট্রের কালওয়ানে জয়ী সি পি এমের গাভিট

জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে বি জে পি বানাল ফিল্ম!

খুচরো খবর

সুদিন মোদিরই

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



দিল্লি ও মুম্বই, ১৯ অক্টোবর (সংবাদ সংস্হা)– জোটের দায় ঝেড়ে ফেলার পরীক্ষায় মহারাষ্ট্রে অনেক দূর এগিয়েও হোঁচট খেলমোদি-শাহ জুটির বি জে পি৷‌ তবে পাস করে গেছে হরিয়ানায়৷‌ দুই রাজ্যেই ক্ষমতাচ্যুত কংগ্রেস৷‌ দুই রাজ্যেই তিন নম্বরে৷‌ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষায়, ঐতিহাসিক ফল৷‌ বি জে পি-র কাছে গর্বের বিষয়৷‌ বি জে পি সভাপতি অমিত শাহের মম্তব্য, কংগ্রেসমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে আরও দু’ধাপ এগোনো গেল৷‌ বি জে পি সংসদীয় দলের বৈঠকে মোদির নেতৃত্ব এবং শাহের সাংগঠনিক দক্ষতার বিস্তর প্রশংসা করে প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে৷‌ বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাজ ও নীতির প্রতি আস্হা জানাল মানুষ৷‌ বি জে পি-র সদর দপ্তরে উৎসবের মেজাজ৷‌ আগাম দেওয়ালি৷‌ যদিও দলের ভেতরে এবং অভিভাবক সঙঘকর্তাদের মধ্যে কিছুটা অসম্তোষও রয়েছে৷‌ বিশেষত মহারাষ্ট্রের ফল নিয়ে৷‌ মোদি-হাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু লোকসভা ভোটে যতগুলি বিধানসভা এলাকায় দল এগিয়ে ছিল, তার কাছাকাছি পৌঁছনো যায়নি এবার৷‌ সেটা হলে নতুন করে শিবসেনার সঙ্গে দর-কষাকষিতে যেতে হত না৷‌ বা এন সি পি-র কাছ থেকে সমর্থন নেওয়ার কথাও উঠত না৷‌ ৯০ আসনের হরিয়ানা বিধানসভায় সরকার গড়ার অঙ্ক ৪৬৷‌ এককভাবে লড়ে বি জে পি পৌঁছেছে ৪৭-এ৷‌ এই প্রথম হরিয়ানায় সরকার গড়ছে বি জে পি৷‌ দু’নম্বরে ওমপ্রকাশ চৌতালার আই এন এল ডি, ১৯ আসন৷‌ হতমান কংগ্রেস তিন নম্বরে৷‌ আসন ১৫টি৷‌ হরিয়ানা জনহিত কংগ্রেস ২, অন্যান্য ৭৷‌ ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্রে বি জে পি-র নজরে ছিল অম্তত ১৪৫৷‌ কিন্তু এসেছে ১২৩টি৷‌ ঘাটতি প্রায় দু’ডজন আসনের৷‌ ফলে তাদের চেয়ে প্রায় অর্ধেক, ৬২টি আসন পেয়েও শিবসেনা আবার জোট বাঁধার চাপে ফেলে দিয়েছে বি জে পি-কে৷‌ সমান আসনের গোঁ ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ভেঙে দিয়েছিল শারদ পাওয়ারের এন সি পি৷‌ ফলাফলে দেখা গেল দু’দলের আসন প্রায় সমান৷‌ কংগ্রেস ৪৩, এন সি পি ৪১৷‌ শাসক এবং বিরোধী, দুই জোটই ভেঙে যাওয়ায় মহারাষ্ট্রে লড়াইটা হয়ে উঠেছিল চারমুখী৷‌ এর মধ্যে পাঁচ নম্বর শক্তি হিসেবে উঠে আসার আশায় ছিল রাজ ঠাকরের এম এন এস৷‌ শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সাম্ত্বনা, তাঁর তুতো-ভাইটি ভোটে যাচ্ছেতাই নাস্তানাবুদ৷‌ ঝুলিতে আসন মাত্র ১টি, আগের বার ছিল ১৩৷‌ এদিকে শিবসেনাকে ঠেকাতে আসরে নেমে পড়েছে এন সি পি৷‌ দলের নেতা প্রফুল প্যাটেল ঘোষণা করে দিয়েছেন, বাইরে থেকে বি জে পি-কে সমর্থন দিতে তাঁরা প্রস্তুত৷‌ ফলে শিবসেনাও কিছুটা চাপে৷‌ স্নায়ুর খেলায় উদ্ধব বলেছেন, বি জে পি সমর্থন চাইলে আমাদের কাছে আসুক৷‌ না চাইলে তো সমর্থন দিতে পারি না৷‌ আর যদি ওরা এন সি পি-র সঙ্গে যেতে চায় তো যাক৷‌ এই প্রশ্নটা তাড়া করছে আসলে বি জে পি-কেই৷‌ আবার শিবসেনার সঙ্গে দর-কষাকষি? নাকি তুলনায় নমনীয় এন সি পি? বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে অমিত শাহ এন সি পি-র সমর্থন ঘোষণার খবর দিলেও কোনওভাবেই শিবসেনার হাত ধরার প্রশ্নে মুখ খুলতে চাননি৷‌ শুধু বলেন, আমরা তো জোট ধরে রাখতেই চেয়েছিলাম৷‌ বোঝা যায়, স্নায়ুর লড়াইয়ে গোড়া থেকেই শিবসেনাকে চাপে রাখতে চাইছেন শাহ৷‌ সন্ধের পর বি জে পি সূত্রে খবর, উদ্ধব ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহকে৷‌ সরকার গড়া নিয়ে অমিতের সঙ্গে নাকি উদ্ধবের কথাও হয়েছে৷‌ বরফ গলানোর প্রথম উদ্যোগঞ্জ সন্ধেয় দিল্লিতে বি জে পি-র সংসদীয় দলের বৈঠকে আলোচনা হয় ফল নিয়ে, কৌশল নিয়ে৷‌ বৈঠকের পর মোদি এবং শাহ নিজেদের মধ্যে কিছু শলাপরামর্শ করেন৷‌ তবে মহারাষ্ট্রে শিবসেনা না এন সি পি, কাকে বেছে নিচ্ছে বি জে পি, এই নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন জে পি নাড্ডা একটি কথাও খরচ করতে চাননি৷‌ উদ্ধবের ফোনের সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্নও এড়িয়ে যান৷‌ নাড্ডা জানান, রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে তিনি যাচ্ছেন মহারাষ্ট্রে পর্যবেক্ষক হিসেবে৷‌ মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, ঠিক করা হবে স্হানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে৷‌ হরিয়ানায় পর্যবেক্ষক হিসেবে যাচ্ছেন বেঙ্কাইয়া নাইডু এবং দীনেশ শর্মা৷‌ মহারাষ্ট্রে বি জে পি-ই সরকার গড়বে, মুখ্যমন্ত্রী হবেন বি জে পি থেকেই, সেই কথা আগেই পরিষ্কার করে দেন অমিত শাহ৷‌ সবাই ধরেই নিয়েছেন, এগিয়ে রাজ্য সভাপতি দেবেন্দ্র ফড়নবিশ৷‌ হরিয়ানায় ক্যাপ্টেন অভিমন্যু সিংয়ের নাম শোনা যাচ্ছে৷‌ দেবেন্দ্র ফড়নবিশও আজ জানিয়েছেন, বি জে পি-ই সরকার গড়বে৷‌ শিবসেনার সমর্থন নেওয়ার প্রশ্নে তিনি সতর্ক৷‌ যদিও দলে কোণঠাসা হয়ে পড়া লালকৃষ্ণ আদবানির মত এ ব্যাপারে স্পষ্ট৷‌ তিনি খোলাখুলিই জানিয়েছেন, পুরনো সঙ্গী শিবসেনার সঙ্গেই জোট ফিরিয়ে আনা উচিত৷‌ বোঝাপড়ায় আসা উচিত৷‌ জোট না ভাঙলেই ভাল হত৷‌ এক প্রশ্নের উত্তরে আদবানি এ কথাও বলেন, প্রয়োজনে তিনি মধ্যস্হতায় রাজি৷‌ না, মোদি-শাহ জুটির তরফে তেমন কোনও প্রস্তাব আদবানির কাছে আসেনি৷‌ তবে উদ্ধব এই প্রসঙ্গে বলেন, আদবানির কথায় আমি অবাক হইনি৷‌ বাল ঠাকরে, অটলবিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আদবানির আমলে শিবসেনা আর বি জে পি নিছক রাজনৈতিক জোট ছিল না, সেখানে ছিল ঘনিষ্ঠ একটি আত্মীয়তা৷‌ উদ্ধবের তীর মোদি-শাহ নেতৃত্বের দিকেই৷‌ লক্ষণীয়, সঙেঘর দিক থেকেও কিন্তু ইঙ্গিত আসছে, এন সি পি নয়, শিবসেনাকেই বেছে নেওয়া উচিত বি জে পি-র৷‌ এই অভিমত জানিয়েছেন আর এস এসের তাত্ত্বিক নেতা এম জি বৈদ্য৷‌ শিবসেনা কীরকম শর্ত দেয়, উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়াও কী কী দপ্তর দাবি করে বসে, কেন্দ্রে বাড়তি মন্ত্রিত্বও চায় কি না, সে সব এখন দেখার৷‌ এদিকে হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রের ফল দেখে দিল্লি বি জে পি-ও এখন বলছে, আমরা ভোটে যেতে প্রস্তুত৷‌

লোকসভা ভোটে এককভাবে গরিষ্ঠতার অঙ্ক ছাপিয়ে যাওয়ার পরই নরেন্দ্র মোদির বি জে পি-র সামনে ভেসে ওঠে জোট যুগে ইতি টানার স্বপ্ন৷‌ জোট রাজনীতি ছাড়া দেশের গতি নেই, গত শতকের নয়ের দশকে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল এই সত্য৷‌ জোট হিসেবে লড়লেও বি জে পি এবার প্রথম কেন্দ্রে এককভাবে নিরঙ্কুশ হয় মোদির নেতৃত্বে৷‌ সেই মোদি-হাওয়ায় ভর করে এবার বিধানসভার ভোটে শিবসেনার দাদাগিরি থেকে বেরিয়ে আসার দাবি প্রবল হয়ে উঠেছিল মহারাষ্ট্র বি জে পি-র ভেতরে৷‌ এতে নিশ্চিতই প্রশ্রয় ছিল মোদি আর তাঁর ডান হাত বলে পরিচিত দলের নতুন সভাপতি অমিত শাহের৷‌ শেষ পর্যম্ত ঘটনাটাও সেরকমই ঘটল৷‌ আসন রফা হল না৷‌ বাল ঠাকরে-উত্তর মহারাষ্ট্রের এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের বড় শরিকের জায়গা অটুট রাখার পাশাপাশি উদ্ধব ঠাকরেকে আগাম মুখ্যমন্ত্রী পদে তুলে ধরার ছক ছিল শিবসেনার৷‌ আসন নিয়ে বি জে পি-র কঠিন দর-কষাকষিতে তা ভেস্তে যায়৷‌ ২৫ বছরের জোট ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে বি জে পি৷‌ তুলনায় হরিয়ানায় চৌতালার আই এন এল ডি-র সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দেওয়া ছিল সহজ কাজ৷‌ এবং সম্পর্ক চুকিয়ে দেওয়াই শুধু নয়, ভোটের প্রচারে এসে দুর্নীতি নিয়ে চৌতালা পরিবারকে যারপরনাই বিঁধেছেন মোদি৷‌ অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের প্রচারে গিয়ে বলেছেন, প্রয়াত বাল ঠাকরের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে শিবসেনার বিরুদ্ধে কোনও কথা বলবেন না৷‌ শিবসেনার কায়দায় মারাঠি আবেগকে ছোঁয়ার চেষ্টা করেছেন মোদি এবং বি জে পি নেতারা৷‌ শিবসেনার দিক থেকেই বরং আক্রমণ ছিল ঝাঁজালো৷‌ আফজল খাঁর তুলনা টেনে মোদি আর তাঁর বাহিনীকে আক্রমণকারী হিসেবে দেখিয়েছেন উদ্ধব৷‌ দুর্নীতি নিয়ে মোদি আক্রমণ করেছিলেন বরং পাওয়ারের এন সি পি-কে৷‌ শোনা যাচ্ছিল, মোদির হিসেব ছিল, ১৬০ আসন এসে যাবে মহারাষ্ট্রে৷‌ না, তা হয়নি৷‌ শিবসেনা তাই জোর গলায় বলছে, কোনওরকম মোদি-হাওয়া ছিল না৷‌ ভোটের ফল বি জে পি-কে ঠেলে দিয়েছে এমন এক অবস্হায় যে, সেই উদ্ধবের সঙ্গেই আবার হাত মেলানোর কসরত করতে হবে, অথবা সমর্থন নিতে হবে এন সি পি-র, মোদি যার নাম দিয়েছিলেন ‘ন্যাচারালি করাপ্ট পার্টি’৷‌ অন্যদিকে মোদি-হাওয়ার কথা যাঁরা বলছেন, তাঁদের পক্ষে বলার মতো কথাটি হল, ১৯৯০-এর পর এই প্রথম কোনও দল এককভাবে ১০০ আসন পেরোল মহারাষ্ট্রে৷‌ এটা কিছু কম সাফল্য নয়৷‌ উল্লেখ্য, ১৫ বছর ধরে কংগ্রেস-এন সি পি জোটের শাসন ছিল মহারাষ্ট্রে৷‌ জোটের ভেতরে অশাম্তি ছিল, এর পাশাপাশি দুর্নীতির প্রশ্নেও সরকারের ভাবমূর্তি তলানিতে এসে ঠেকেছিল৷‌ ফলে সরকার-বিরোধিতার হাওয়া ছিল বেশ জোরদার৷‌ হরিয়ানায় ১০ বছরের কংগ্রেস সরকারেরও ছিল সেই সমস্যা৷‌ সেদিক থেকে এই ধাক্কা কংগ্রেসের কাছে বোধহয় অপ্রত্যাশিত ছিল না৷‌ এরই মধ্যে পাওয়ারের দল বি জে পি-কে সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছে৷‌ প্রফুল প্যাটেলের যুক্তি, মহারাষ্ট্রে স্হিতিশীল সরকারের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ৷‌ কংগ্রেস নেতারা বলছেন, এতে আর অবাক হওয়ার কী আছে! জোট ভাঙার সময়ই আমরা বলেছিলাম, বি জে পি-র দিকে তাকিয়েই ওরা এই রাস্তা নিয়েছে৷‌ হরিয়ানায় মুখ্যমন্ত্রী ভুপিন্দর সিং হুডা এবং মহারাষ্ট্রে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান জিতেছেন৷‌ মহারাষ্ট্র্রে কংগ্রেসের প্রচার কমিটির দায়িত্বে থাকা প্রাক্তন মন্ত্রী নারায়ণ রানে হেরেছেন৷‌

কংগ্রেস-এন সি পি দোষারোপে

কংগ্রেস এবং এন সি পি আগেভাগেই নেমে পড়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির খেলায়৷‌ প্রথমে মুখ খোলেন এন সি পি-র নবাব মালিক৷‌ শোচনীয় অবস্হার জন্য কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহানকে দায়ী করে বলেন, মহারাষ্ট্রের বাস্তবতা সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই ওঁর৷‌ ঠিক সিদ্ধাম্ত নিতে পারেননি৷‌ হারের জন্য তিনিই দায়ী৷‌ এর পরে আসরে নামেন কংগ্রেসের মুখপাত্র অভিষেক সিংভি৷‌ তাঁর মতে, জোটসঙ্গীর দুর্নীতির জন্যই সরকারের ভাল কাজ মানুষের কাছে তুলে ধরা যায়নি৷‌ পৃথ্বীরাজ চৌহান অবশ্য পাল্টা দোষারোপ করার রাস্তায় না গিয়ে হারের দায় স্বীকার করে নিয়েছেন৷‌ তবে লোকসভা নির্বাচন থেকে পরিস্হিতি কিছুটা ভাল হয়েছে বলে মনে করেন তিনি৷‌ কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির এই বাজারে কিছুটা অন্য কথা শোনা গেছে কংগ্রেসের আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চবনের গলায়৷‌ এমন করুণ অবস্হার জন্য দলের রাজ্য নেতৃত্বকেই দায়ী করেছেন তিনি৷‌ বলেছেন, মোদি হাওয়া বলে কিছু ছিল না এখানে৷‌ শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার কারণে হেরে গেলাম৷‌ তবে রাজ্য নেতৃত্ব যদি আরও সতর্কতার সঙ্গে বিষয়গুলো দেখত তা হলে এতটা খারাপ অবস্হা হত না৷‌ ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে এন সি পি-র সঙ্গে জোট ভেঙে যাওয়ার ফলে মানুষের মনে খারাপ ধারণা তৈরি হয়ে যায়৷‌ গত ১৫ বছরে রাজ্যের উন্নতির জন্য প্রচুর পরিশ্রম করেছি আমরা৷‌ কিন্তু মানুষের কাছে সেগুলো তুলে ধরতে পারলাম না৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || khela || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited