Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৬ শ্রাবণ ১৪২১ বুধবার ২৩ জুলাই ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
আধিকারিকদের তৃণমূলি হুমকি, বন্ধের মুখে ই সি এলের কোলিয়ারি ।। রাজ্য সতর্ক থাকলে এনসেফেলাইটিসে মৃত্যু কমত: সূর্য ।। তৃণমূল: পুর নির্বাচনে বি জে পি কোনও ফ্যা’র নয় ।। ৩ আগস্ট দিল্লি ও ১৭ আগস্ট সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ।। প্রীতি: মুখে জ্বলম্ত সিগারেট ছুঁড়ে মেরেছিল নেস ।। রাষ্ট্রপতি ভবনের জাদুঘর অবারিত করছেন প্রণব ।। পাড়ুই-কাণ্ড: সি বি আই তদম্ত কেন নয় ।। ভর্তির দাবিতে প্রেসিডেন্সিতে অবস্হান আই সি-র ।। ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করবেন ভেঙে পড়া বিমানটির ব্ল্যাক ব‘ ।। সংসদের স্হায়ী কমিটি: রেলে দীনেশ, কে ডি পরিবহণ ও পর্যটনে ।। শ্যাম সেল: উল্টে এবার মানহানির মামলা ২ তৃণমূলির! ।। আজ শহরে কেশরীনাথ, কাল শপথ
ভারত

সংসদের স্হায়ী কমিটি: রেলে দীনেশ, কে ডি পরিবহণ ও পর্যটনে

দুর্নীতিগ্রস্তকে সুযোগ কেন?

বিদ্রোহের হাওয়ায় কংগ্রেসে গুঞ্জন বাড়ছে: প্রিয়াঙ্কাকে চাই

রাষ্ট্রপতি ভবনের জাদুঘর অবারিত করছেন প্রণব

প্রীতি: মুখে জ্বলম্ত সিগারেট ছুঁড়ে মেরেছিল নেস

মাওবাদী নেতার সঙ্গে মন্ত্রীর যোগাযোগ: উত্তাল ওড়িশা বিধানসভা

তিহারের বাইরে এসে ৬ ঘণ্টা করে অফিস করবেন সাহারা-প্রধান

খুচরো খবর

সংসদের স্হায়ী কমিটি: রেলে দীনেশ, কে ডি পরিবহণ ও পর্যটনে

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

রাজীব চক্রবর্তী, দিল্লি

২২ জুলাই– লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে মোট ২টি স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদ পাচ্ছে তৃণমূল৷‌ লোকসভা থেকে রেল বিষয়ক স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী৷‌ আর রাজ্যসভা থেকে পরিবহণ ও পর্যটনে স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন কে ডি সিং৷‌ স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদে কে ডি সিংয়ের মতো সাংসদের নাম উঠে আসায় তৃণমূলের অন্দরেই সমালোচনা শুরু হয়েছে৷‌ ওই পদের দাবিদার কয়েকজন সাংসদ ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে কে ডি-র বি জে পি ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন৷‌ যদিও প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতে নারাজ৷‌ এদিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, রেল বিষয়ক স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দীনেশের নাম দলীয় স্তরে ঠিক করা হলেও পরিবহণ ও পর্যটন স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদে কে ডি সিংয়ের নাম সুপারিশ করা হয়েছে শাসক দল বি জে পি-র তরফ থেকেই৷‌ প্রাথমিকভাবে তৃণমূল তা মেনেও নিয়েছে৷‌ যদিও স্হায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারম্যান পদ নিয়ে এখনও চূড়াম্ত সিদ্ধাম্ত ঘোষণা করা হয়নি৷‌ তবুও বি জে পি-র পক্ষ থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভায় সাংসদের সংখ্যা অনুযায়ী বিভিন্ন রাজ্যনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালানো হচ্ছে৷‌ তৃণমূল ৩টি স্হায়ী কমিটির শীর্ষপদের দাবি জানিয়েছিল৷‌ বি জে পি ২টি কমিটির শীর্ষপদ দিতে রাজি হয়েছে৷‌ তবে, একাধিক কমিটিতে সদস্য করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে৷‌ অন্যদিকে, এদিন লোকসভার প্রশ্নোত্তরপর্বে মুর্শিদাবাদের সি পি এম সাংসদ বদরুদ্দোজা খান জানতে চান, দেশ জুড়ে মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটছে৷‌ এই ধরনের ঘটনার সবাই নিন্দা করেন৷‌ সরকারের পক্ষ থেকে পীড়িতাকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার ব্যবস্হা আছে৷‌ কেন্দ্রীয় সরকার জানাক, এ পর্যম্ত গোটা দেশে কত মামলা হয়েছে৷‌ কতজনকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে৷‌ উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, এই ধরনের বিষয়টি সরাসরি রাজ্য সরকারের হাতে৷‌ কত মামলা, কত ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি রাজ্য স্তরে রিপোর্ট তৈরি হয়৷‌ তবে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কিছু তথ্য আছে, কয়েকটি রাজ্য যে রিপোর্ট পাঠিয়েছে তা যে কেউ নিতে পারেন৷‌ বদরুদ্দোজা আরও জানতে চান, দিল্লিতে নির্ভয়া-কাণ্ডের পর সরকার ১০০০ কোটির তহবিল গড়েছিল৷‌ সেই তহবিলের সঠিক প্রয়োগ হয়নি৷‌ টাকা খরচ হয়নি৷‌ সে-ব্যাপারে সরকার কী ব্যবস্হা নিয়েছে? রাজনাথ সিং বলেন, এমনিতেই অনেক আগে থেকে এদেশে নারী নির্যাতনের আইন ছিল৷‌ কিন্তু, নির্ভয়া-কাণ্ডের পর সেই আইনের কয়েকটি ধারায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে৷‌ যার ফলে এ পর্যম্ত অনেক কার্যকরী সিদ্ধাম্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে৷‌ নির্ভয়া-কাণ্ডের পর একটি ‘বর্মা কমিটি’ গঠন করা হয়েছিল৷‌ ওই কমিটি তাদের প্রস্তাব পেশ করেছিল৷‌ অনেকগুলি প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করেছে৷‌ সরকারি নিয়ম মেনেই পীড়িত মহিলাকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়৷‌

তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদ খাদ্য সংরক্ষণে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ, সংরক্ষণের অভাবে ফল ও সবজির অপচয়, আপেল সংরক্ষণ এবং ‘মেগা ফুড পার্ক’ প্রকল্পের বিষয়ে জানতে চান৷‌ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী হরসিমরত কৌর বাদল বলেন, আই সি এ আরের অধীন লুধিয়ানায় অবস্হিত ‘সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ পোস্ট-হার্ভেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’ সংস্হাকে ২০০৫ সালে ফল ও সবজির অপচয় নিয়ে সমীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল৷‌ ২০১০ সালে সংস্হাটি তাদের রিপোর্টে জানায়, সংরক্ষণ-সহ আরও অনেক কারণে এদেশে ৬.৮ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যম্ত ফল ও সবজি নষ্ট হয়৷‌ সম্প্রতি তাদের আবার সমীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷‌ ২০১০ সালের পর পরিকাঠামোগত কিছু উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে৷‌ এ পর্যম্ত সমীক্ষা করে তারা রিপোর্ট পেশ করবে ২০১৫-র জানুয়ারি নাগাদ৷‌ আপেল সংরক্ষণের ব্যাপারে মন্ত্রী জানান, গোটা দেশে যা আপেলের ফলন তার ২২ শতাংশ আসে হিমাচল প্রদেশ থেকে৷‌ হিমঘর ও রেফ্রিজারেটরের মাধ্যমে আপেল সংরক্ষণ করার প্রকল্প আছে৷‌ অনেক রাজ্য এর সুবিধা নেয়৷‌ কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গে অনেক ফল নষ্ট হয়৷‌ মেগা ফুড পার্ক নিয়ে হরসিমরত কৌর বাদল বলেন, পূর্বতন সরকার যে ৪০টি মেগা ফুড পার্ক মঞ্জুর করেছিল তার মধ্যে ২টি তৈরি হয়েছে৷‌ ২২টির কাজ চলছে এবং ১৪টি প্রকল্প বাতিল হয়ে গেছে৷‌ কারণ, ওই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না৷‌ সরকার ছোট ছোট ক্লাস্টার যোজনায় জোর দিচ্ছে৷‌ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঐকাম্তিক ইচ্ছে, সংরক্ষণের অভাবে খাদ্য নষ্ট রুখে যদি সেই খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হয়, তবে দেশ জুড়ে খাদ্যের অপচয় বন্ধ হবে৷‌ সরকার পরিকাঠামো উন্নয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited