Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৩ কার্তিক ১৪২১ মঙ্গলবার ২১ অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
বিষ্ণুপুরে সারদার ১৫০০ বিঘে জমি--গৌতম চক্রবর্তী ।। শব্দবাজির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ তৃণমূলি দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ।। তৃণমূল ছাত্রপরিষদের ইউনিয়ন নিয়ে পর্যালোচনা--দীপঙ্কর নন্দী ।। যাদবপুর: আবার বিক্ষোভের মুখে অভিজিৎ--গৌতম চক্রবর্তী ।। হাতে পাওয়ার, চাপে শিবসেনা --বি জে পি ঝুলিয়ে রেখেছে ।। ২৭ অক্টোবর সুদীপ্ত ও দেবযানী ওড়িশা আদালতে--বরেন্দ্রকৃষ্ণ ধল, ভুবনেশ্বর ।। মাদ্রাসায় টাকা ঢালত কে ? তদম্তে ই ডি ।। রেলে চাকরির নামে বহু কোটির প্রতারণা! ধৃত বি জে পি নেতা ।। কলকাতা পুরসভা ও কে এম ডি এ-র সমন্বয়ে এক জানলা নীতি ।। জয়ললিতাকে রজনীকাম্তের শুভেচ্ছায় বি জে পি হতাশ? ।। বি জে পি-র নজরে এবার বাংলা-বিহার ।। কড়াকড়িতে বাজার কেড়েছে শব্দবাজিই
ভারত

হাতে পাওয়ার, চাপে শিবসেনা

বি জে পি দোটানায়, অভিমন্যু না খাট্টার?

জয়ললিতাকে রজনীকাম্তের শুভেচ্ছায় বি জে পি হতাশ?

বি জে পি-র নজরে এবার বাংলা-বিহার

২৭ অক্টোবর সুদীপ্ত ও দেবযানী ওড়িশা আদালতে

রামমন্দির তৈরিতে নজর দিক বি জে পি, চায় আর এস এস

খুচরো খবর

হাতে পাওয়ার, চাপে শিবসেনা

বি জে পি ঝুলিয়ে রেখেছে

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

মুম্বই ও দিল্লি, ২০ অক্টোবর (সংবাদ সংস্হা)– শিবসেনা না এন সি পি? কাকে পাশে নেবে, বি জে পি খোলসা করছে না৷‌ কোনওরকম তাড়াহুড়োও দেখাচ্ছে না৷‌ ২৩ আসনের ঘাটতি নিয়েই সরকার গড়ার দাবি জানিয়ে দেবে দল৷‌ তার আগে অবশ্য মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা ঠিক করে নেওয়া হবে৷‌ মহারাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা বি জে পি-র সাধারণ সম্পাদক রাজীবপ্রতাপ রুডি আজ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন এ কথা৷‌ মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করা হবে কবে? রুডির উত্তর, শিগগিরই৷‌ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা এসে নতুন বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন৷‌ সেখানেই নেতা নির্বাচিত হবেন৷‌ ২৮৮ আসনের বিধানসভায় সরকার গড়তে চাই ১৪৫ আসন৷‌ বি জে পি পেয়েছে ১২২৷‌ রুডির কথায় পরিষ্কার, শিবসেনার সমর্থন ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করবে না বি জে পি৷‌ দরকার পড়লে এন সি পি তো আছেই হাতের পাঁচ৷‌ আজ রাতেই দুই পর্যবেক্ষক রাজনাথ সিং এবং জে পি নাড্ডার মুম্বইয়ে আসার কথা ছিল৷‌ কিন্তু তাঁরা সম্ভবত আসছেন কালকে৷‌ ২৫ বছরের পুরনো সঙ্গীর সঙ্গে নতুন করে গাঁটছড়া বাঁধার প্রশ্নে বি জে পি অত্যম্ত সতর্ক৷‌ রকমসকম দেখে মনে হচ্ছে, শিবসেনার বিষ কিছুটা অম্তত না ঝেড়ে তারা জোট পুনরুদ্ধারের রাস্তায় যাবে না৷‌ সোজা কথায়, বড় দর হাঁকার কোনও অবকাশ উদ্ধব ঠাকরেকে দিতে চান না মোদি-শাহ জুটি৷‌ বলাই বাহুল্য, বি জে পি-কে এই সুযোগটা করে দিয়েছে এন সি পি৷‌ গতকাল প্রফুল প্যাটেল বলেছিলেন, আজ স্বয়ং শারদ পাওয়ার বলেছেন, স্হিতিশীল সরকার এবং মহারাষ্ট্রের স্বার্থেই বি জে পি-কে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে এন সি পি৷‌ আমাদের মতাদর্শের সঙ্গে হয়ত তা সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তবু করতে হয়েছে৷‌ পাওয়ার যুক্তি দেখান, এটা না করলে শিবসেনা, কংগ্রেস, এবং এন সি পি-কে জোট বেঁধে সরকার করতে হয়৷‌ সেটা সম্ভব নয়৷‌ এন সি পি-র এই অযাচিত এবং নিঃশর্ত সমর্থনের জেরে শিবসেনা অবশ্যই চাপে৷‌ মনে করা হচ্ছিল, বি জে পি-কে এন সি পি-র হাত ধরতে বারণ করবে সঙঘ৷‌ মতাদর্শগত নৈকট্যের কারণে শিবসেনাকেই ‘স্বাভাবিক’ শরিক করে নেওয়ার পরামর্শ দেবে৷‌ কিন্তু, লক্ষ্নৌতে আর এস এস কর্মকর্তাদের তিনদিনের বৈঠকের শেষে আজ সাধারণ সম্পাদক ভাইয়াজি যোশি যা বললেন, তাতে এন সি পি-র সমর্থন নেওয়ার ব্যাপারে আপত্তির কোনও সঙ্কেত পাওয়া গেল না৷‌ তিনি বারবারই বলেন, এটা রাজনৈতিক সিদ্ধাম্তের বিষয়৷‌ বি জে পি-ই ঠিক করবে৷‌ ফলে স্বস্তিতে নেই শিবসেনা৷‌ তবু স্নায়ুর লড়াইটা চালিয়ে যেতে হচ্ছে৷‌ উদ্ধব কাল জানিয়েছেন, আমরা অযাচিত সমর্থন জানাতে যাচ্ছি না৷‌ ওদের প্রয়োজন থাকে তো আসুক৷‌ দলের মুখপত্র সামনা আজ খোঁচাই দিয়েছে বি জে পি-কে৷‌ তথাকথিত মোদি-ঢেউ সত্ত্বেও বি জে পি নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পায়নি, সেদিকে ইঙ্গিত করে সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, প্রচারে যে ঢেউ উঠেছিল, তা তীরে এসে পৌঁছনোর আগেই ভেঙে গেছে৷‌ ঢেউয়ে জল যত না ছিল, তার চেয়ে ফেনা ছিল বেশি৷‌ তবু যদি কেউ জয়ঢাক পেটাতে চায়, পেটাক৷‌ সেনা-প্রধান উদ্ধব ঠাকরে আজ দুপুরে দলের সদ্য নির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন৷‌ বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচনের ভার উদ্ধবের হাতে সঁপে দিয়েছেন বিধায়করা৷‌ সেটাই হওয়ার কথা৷‌ কিন্তু, বি জে পি-র সঙ্গে আঁতাত নিয়ে কথা হল? সেনা-মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের উত্তর, বি জে পি-কে নিয়ে কোনও কথা হয়নি বৈঠকে৷‌ সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি যথাকালে উদ্ধব ঠাকরেই জানাবেন, বলেন সঞ্জয়৷‌ রাজনাথরা এলে উদ্ধবের সঙ্গে কথাবার্তা বলবেন, এরকমই আশা করা হচ্ছিল৷‌ কিন্তু বি জে পি-র দিক থেকে তাড়াহুড়ো কিছু দেখানো হচ্ছে না৷‌ তবে তলে তলে কিছু তৎপরতা চলছেই৷‌ দিল্লিতে সভাপতি অমিত শাহ এদিন নীতিন গাডকারির বাড়িতে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলেন৷‌ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গাডকারি এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্র বি জে পি-র সবচেয়ে ডাকসাইটে নেতা৷‌ সঙেঘর ঘনিষ্ঠ৷‌ উদ্ধবের সঙ্গে সম্পর্ক মধুর নয়৷‌ এদিন সকালের দিকে অবশ্য একটি সূত্র থেকে শোনা যায়, শিবসেনার সঙ্গে বি জে পি-র রাজ্যস্তরের নেতাদের কিছু কথাবার্তা হয়েছে৷‌ জোটে আগ্রহ দেখিয়েছে শিবসেনা৷‌ গতকাল সন্ধ্যায় উদ্ধব নিজে ফোন করে কথা বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সঙ্গে৷‌ শোনা যাচ্ছে, সরাসরি জোট নিয়ে কথা না হলেও উদ্ধব ‘সামনে এগিয়ে’ যাওয়ার কথা বলেছেন৷‌ কিন্তু এর পরও বি জে পি-র দিক থেকে তেমন কোনও ব্যগ্রতা দেখা যায়নি৷‌ যদিও মহারাষ্ট্রে বি জে পি-র নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা ওমপ্রকাশ মাথুর এবং রাজ্য সভাপতি দেবেন্দ্র ফড়নবিশ কাল রাতে উদ্ধবের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে খবর৷‌ মুখ্যমন্ত্রী পদে দেবেন্দ্র ফড়নবিশই এগিয়ে৷‌ প্রয়াত গোপীনাথ মুন্ডের মেয়ে পঙ্কজাও দাবিদার৷‌ এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রুডি আজ বলেন, পঙ্কজা এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, দলের সিদ্ধাম্তই তিনি মেনে নেবেন৷‌ মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, এই স্বাভাবিক উৎকন্ঠাকে অবশ্য মহারাষ্ট্রে ছাপিয়ে গেছে জোট-জটিলতা৷‌ পরিস্হিতি ধোঁয়াটে৷‌ শিবসেনার মুখপত্র সামনা-র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ত্রিশঙ্কু ফলাফলে মহারাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেছে৷‌ এর জন্য দায়ী করা হয়েছে বি জে পি-র জোট ভেঙে দেওয়ার পদক্ষেপকে৷‌ রাজ্যবাসীর কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে, এই বিভাজিত রায়ে আপনারা খুশি? শিবসেনার বক্তব্য, জোট ভাঙায় লাভ হয়েছে কংগ্রেস, এন সি পি আর বি জে পি-র৷‌ সেনা-বি জে পি জোট না ভাঙলে কংগ্রেস আর এন সি পি-র মোট আসন ২৫ পেরোত না৷‌ উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদিও প্রচারে এসে বলেছিলেন ১০টির বেশি আসন পাবে না কংগ্রেস এবং এন সি পি৷‌ ক্ষমতা হারালেও ততটা করুণ দশা অবশ্য হয়নি কংগ্রেস বা এন সি পি-র৷‌ গত বিধানসভা ভোটের তুলনায় কংগ্রেসের ভোটের ভাগ কমেছে ৩ শতাংশ, আসন কমে গেছে ৪০টি৷‌ ৪২টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস, ভোট ১৭.৯ শতাংশ৷‌ গত লোকসভা ভোটে ছিল ১৮.১ শতাংশ৷‌ এন সি পি-র আসন ৬২ থেকে কমে এবার ৪১৷‌ বি জে পি-র ভোট গত বিধানসভা নির্বাচনে ছিল ১৪.০২ শতাংশ, এবার ২৭.৮ শতাংশ৷‌ আসন ৪৬ থেকে বেড়ে ১২২৷‌ গত লোকসভা ভোটে শিবসেনার সঙ্গে জোট ছিল, তখন ভোট পড়েছিল ২৭.৩ শতাংশ৷‌ শিবসেনার ভোট গত বিধানসভা নির্বাচনে ছিল ১৬.২৬ শতাংশ, এবার ১৯.৪ শতাংশ৷‌ আসন ৪৫ থেকে বেড়ে ৬৩৷‌

বিতকির্ত জয় অজিত পাওয়ারের

বারামতি কেন্দ্রে ৮৯ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছেন শারদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার৷‌ রাজ্যের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী৷‌ এন সি পি-র এই নেতার দুর্নীতি নিয়ে এমনিতেই সরব বি জে পি৷‌ এবার ভোটের ফল নিয়েও তুলল প্রশ্ন৷‌ অভিযোগ ভোটযন্ত্র কারচুপির৷‌ পরাজিত বি জে পি প্রার্থী বালাসাহেব গাওয়াড়ে ছাড়াও নির্দল প্রার্থীরা নতুন করে ভোট করার দাবি জানিয়েছেন৷‌ ৫৪টি ভোটযন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা৷‌ বি জে পি-র অভিযোগ, প্রার্থীর এজেন্টদের কাছে ভোটযন্ত্রগুলির যে সিরিয়াল নম্বর ছিল, তার সঙ্গে বেশ কয়েকটি ভোটযন্ত্রের সিরিয়াল নম্বর মেলেনি গণনার দিন৷‌ নির্দল প্রার্থী সম্তোষ কাম্বলি বলেছেন, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ছাড়াও তাঁর গ্রাম কাটফলে শ’দুয়েক আত্মীয় আছেন ভোটারদের মধ্যে৷‌ তিনি পেয়েছেন সেখান থেকে ১টি মাত্র ভোট৷‌ এটা সম্ভব? বারামতির রিটার্নিং অফিসার এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন৷‌ তাঁর বক্তব্য, ভোটের আগে বা ভোটের সময় ত্রুটিপূর্ণ ভোটযন্ত্র বদলানো হয়েছে৷‌ বদলে যাওয়া ভোটযন্ত্রের নম্বর এজেন্টদের জানাতেই হবে, এমন কোনও বাধ্যতা নেই৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || khela || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited