Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৫ ভাদ্র ১৪২১ শুক্রবার ২২ আগস্ট ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
সেবি-রহস্যে নীতুই তুরুপের তাস--সব্যসাচী সরকার ।। গারদে পাশাপাশি বসলেন দু’জনে--অগ্নি পান্ডে ।। পরিবহণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ে এবার লাগাতার আন্দোলন বামফ্রন্টের ।। বসিরহাট দক্ষিণে মৃণাল চক্রবর্তী, চৌরঙ্গিতে ফৈয়াজ আহমেদ খান ।। কম জমিতে সিঙ্গাপুরের বিস্তার দেখে মুগ্ধ মমতা ।। ‘সরকার ফেলার চেষ্টা করবেন না’, ইমরানকে হুমকি দিল আমেরিকা ।। সি বি আই তদম্ত চেয়ে চিঠি এইমসের অপসারিত কর্তার--প্রশ্নের মুখে মোদির সরকার ।। লকারভর্তি সোনাদানা!--সেন্সর-কর্তার সর্বনেশে কীর্তি ।। পুজো সাজাবেন একঝাঁক মহিলাও--শিখর কর্মকার ।। ৫ দিন পরেও অধরা সুনিয়া-কাণ্ডের মূল অভিযুক্তরা--নিহতের বাড়িতে নিরাপত্তায় সিভিক পুলিস! ।। লালবাজার অভিযানে বিমান বসু ।। নির্ভরযোগ্য যাদবপুর
ভারত

এবার ঝাড়খণ্ড | মহারাষ্ট্রে সভা এড়ালেন পৃথ্বীরাজ

সি বি আই তদম্ত চেয়ে চিঠি এইমসের অপসারিত কর্তার

লকারভর্তি সোনাদানা!

খুচরো খবর

এবার ঝাড়খণ্ড | মহারাষ্ট্রে সভা এড়ালেন পৃথ্বীরাজ

মোদির সভায় বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের হেনস্হা করাই এখন বি জে পি-র রীতি!

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



আজকালের প্রতিবেদন: রাঁচি ও দিল্লি, ২১ আগস্ট – হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রের পর এবার ঝাড়খণ্ড. প্রধানমন্ত্রীর উপস্হিতিতে জনসভায় টিটকিরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে৷‌ ভোটমুখী এই রাজ্যগুলিতে বি জে পি কর্মীরা একই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছেন৷‌ সদ্য হরিয়ানায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্হিতিতে এক সভায় মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর হুডা বলতে ওঠা মাত্র বিদ্রূপে সরব হয় ভিড়৷‌ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহানকেও ঠিক একইরকম ঘটনার সাক্ষী হতে হয়েছিল গত শনিবার৷‌ নৌবাহিনীতে ‘আই এন এস কলকাতা’-র অম্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্রে মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বসিত জমায়েতের ‘মোদি মোদি’ রবে মাঝপথেই বক্তৃতা থামিয়ে দেন চৌহান৷‌ সে কথা মনে রেখে আজ নাগপুরে মোদির সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের সভায়া যাওয়ার সিদ্ধাম্ত নেন চৌহান৷‌ সেই সিদ্ধাম্ত যে অকারণ নেওয়া হয়নি, তা বোঝা যায় আজ রাঁচিতে৷‌ এখানে ‘পাওয়ার গ্রিড ইন্ডিয়া’ এবং ‘ন্যাশনাল থার্মাল কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া’-র মোট ৬টি প্রকল্পের অনলাইন উঞ্জাটন এবং শিলান্যাসের জন্য এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী৷‌ মুখ্যমন্ত্রী হেমম্ত সোরেন তাঁর অভ্যর্থনায় স্বাগত ভাষণ আরম্ভ করতেই মোদির জয়ধ্বনিতে কান পাতা দায়৷‌ এখানেই শেষ নয়, জে এম এমের মুখ্যমন্ত্রীকে ধিক্কার জানাতে শুরু করল জনতা৷‌ একটানা চলল সরকার বিরোধী স্লোগান৷‌ পরিস্হিতি চরমে পৌঁছলে ভাষণ বন্ধ করতে বাধ্য হলেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ নিয়ন্ত্রণের ভার তখন প্রধানমন্ত্রী হাতে৷‌ হাতের ইশারায় অত্যুৎসাহী সমর্থকদের শাম্ত হওয়ার অনুরোধ করলেন তিনি৷‌ কাজও হল ততক্ষণাৎ৷‌ এরপর মঞ্চ পুরো মোদির দখলে৷‌ আর তার সদ্ব্যবহারও দিব্যি করলেন প্রধানমন্ত্রী৷‌ দলের হয়ে প্রচার সেরে ফেললেন এক দফা৷‌ বললেন, ঝাড়খণ্ডের রাজ্যের বয়স মাত্র ১৩-১৪ বছর৷‌ এতটা সময় গুরুত্বপূর্ণ নিঃসন্দেহে৷‌ এই সময়ে অনেক কাজ হয়ে যায়৷‌ কেন্দ্রে এন ডি এ সরকার একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধাম্ত নিচ্ছে, কারণ সেখানে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার আছে৷‌ আপনাদের কাছে আবেদন রাজ্যে সংখ্যা গরিষ্ঠ, মজবুত সরকার গড়ে তুলুন৷‌ স্পষ্টতই, বিধানসভা ভোটের জন্য আগাম প্রচার করে গেলেন মোদি৷‌ বার বার নড়বড়ে জোট সরকার হয়েছে ঝাড়খণ্ডে৷‌ বি জে পি এবার নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার স্বপ্ন দেখছে৷‌ বি জে পি-র প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডার কাজের প্রশংসাও করেন আজ মোদি৷‌ প্রধানমন্ত্রী বলেন, মজবুত সরকার ঝাড়খণ্ডে সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে৷‌ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই রাজ্য গুজরাটকেও ছাপিয়ে যেতে পারে৷‌ রাজ্যবাসীর মন পেতে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷‌ রাজ্যে আই আই টি, গ্যাসের নতুন পাইপলাইন, শক্তি উৎপাদন প্রকল্প, ইলেকট্রনিক কারখানা গঠনের মতো একাধিক কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন৷‌ এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর হেনস্হায় ভয়ঙ্কর চটেছে জে এম এম৷‌ বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব সুপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মোদিকে এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে৷‌ তিনি যদি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ক্ষমা না চান, তা হলে এই রাজ্যে কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে খোলাখুলিভাবে ঘুরতে দেওয়া হবে না৷‌ জে এম এম-কে সমর্থন করে কংগ্রেসের অম্বিকা সোনি বলেছেন, বি জে পি এই কাণ্ডটা ঘটাচ্ছে৷‌

রাঁচির পর আজ নাগপুরে একটি মেট্রো প্রকল্পের শিলান্যাস করতে যান মোদি৷‌ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীরও আমন্ত্রণ ছিল সেখানে৷‌ তবে মুম্বইয়ের তিক্ত স্মৃতি এখনও টাটকা পৃথ্বীরাজের৷‌ আর তাই মোদি যেখানে, সেখানে পারতপক্ষে না থাকার সিদ্ধাম্ত নিয়েছেন তিনি৷‌ সমর্থন জানিয়েছে তাঁর দল কংগ্রেস৷‌ দলের মুখপাত্র শোভা ওঝা জানিয়েছেন, আত্মসম্মান থাকলে কোনও মুখ্যমন্ত্রীই প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যাবেন না৷‌ বি জে পি নেতৃত্ব অন্য দলের মুখ্যমন্ত্রীদের হেনস্হা করতে আশকারা দেন, তেমনও অভিযোগ শোভা ওঝার৷‌ তাতে সায় দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি৷‌ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্হিত থাকলে সংশ্লিষ্ট মুখ্যমন্ত্রীও সেখানে থাকবেন, সেটাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার৷‌ তবে যেভাবে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীরা হেনস্হার শিকার হচ্ছেন, তাতে আর শিষ্টাচার বজায় রাখা যায় না৷‌ এদিকে, মোদির সঙ্গে এক মঞ্চে থাকতে না চাওয়ায় মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা করেছেন বি জে পি নেতা শাহনওয়াজ হুসেন৷‌ বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এমন নজির আর নেই! দলের আরেক নেতা মুখতার আব্বাস নকভি জানতে চেয়েছেন, এভাবে আর কতদিন মোদির উন্নয়ন ও সুশাসনের মন্ত্র থেকে পালিয়ে বেড়াবে কংগ্রেস? প্রসঙ্গত, চৌহানের মতো হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী হুডাও পণ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনওদিন এক মঞ্চে থাকবেন না৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited