Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৫ শ্রাবণ ১৪২১ মঙ্গলবার ২২ জুলাই ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
দলকে বার্তা, লবি করে নেতা হওয়া যায় না--দীপঙ্কর নন্দী ।। ২ নয়, ২২ হবে: মীনাক্ষী--৩০ নভেম্বর বি জে পি-র পাল্টা সভা ।। শালিমার পেন্টস: প্রশাসনের কাছে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন কর্তৃপক্ষের ।। সাধারণ মানুষের জন্য তৃণমূলের সদস্য হওয়ার দরজা খুলে দেওয়া হল ।। ‘৩৮ বিধায়ককে নিয়ে সদর্থক বিরোধিতা এবার ।। আবার দিল্লি! প্রাণ দিল এবার মণিপুরের যুবক ।। ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের, অভিযোগ রাশিয়ার ।। যুদ্ধ বিরতির ডাক দিল নিরাপত্তা পরিষদ ।। মিসাইলে ধ্বংস!--দেবাশিস দত্ত, লন্ডন ।। উইকেটগুলো ক্যাপ্টেনের: ইশাম্ত ।। বইমেলায় থিম ব্রিটেন ।। জানুয়ারিতে ফের ব্রিগেডে সভা মমতার
ভারত

কাটজুর কাঠগড়ায় ৩ প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, ডি এম কে, ইউ পি এ

‘৩৮ বিধায়ককে নিয়ে সদর্থক বিরোধিতা এবার

বিহারে ১০ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন

আবার দিল্লি! প্রাণ দিল এবার মণিপুরের যুবক

কয়লার অভাবে ধুঁকছে ২৫ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

গেছে বলে খুশি

কাটজুর কাঠগড়ায় ৩ প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, ডি এম কে, ইউ পি এ

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

দিল্লি, ২১ জুলাই (সংবাদ সংস্হা)– প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যানের পদ থেকে অবসর নেওয়ার আগে বোমা ফাটালেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু৷‌ তাঁর অভিযোগ, মাদ্রাজ হাইকোর্টের এক দুর্নীতিপরায়ণ অতিরিক্ত বিচারপতিকে বাড়তি মেয়াদ দেওয়া এবং বিচারপতি পদে নিয়োগ পাকা করার ব্যাপারে ‘তামিলনাড়ুর শরিক দলের’ চাপে পড়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়েছিল ইউ পি এ সরকার৷‌ এবং এই অন্যায় কাজে আপস করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের তিন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি আর সি লাহোটি, ওয়াই কে সাভরওয়াল এবং কে জি বালকৃষ্ণন৷‌ বালকৃষ্ণন এখন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান৷‌ তাঁর বক্তব্য, কাটজুর অভিযোগ ভিত্তিহীন৷‌ যে অতিরিক্ত বিচারপতির কথা কাটজু বলেছেন, তিনি এখন প্রয়াত৷‌ নিয়ম-পদ্ধতি মেনেই তাঁর ব্যাপারে সিদ্ধাম্ত নেওয়া হয়েছিল৷‌ ‘তামিলনাড়ুর দল’ বলতে কাটজু যে ডি এম কে-র কথা বলতে চেয়েছেন তা পরিষ্কার৷‌ এই নিয়ে আজ রাজ্যসভায় শোরগোল তোলেন এ আই এ ডি এম কে সদস্যরা৷‌ দাবি জানান তদম্তের৷‌ অন্য দিকে কংগ্রেস তো বটেই, অন্য কোনও কোনও দলের নেতারাও প্রশ্ন তুলছেন, এতকাল বাদে, ঘটনার এক দশক বাদে এই নিয়ে সরব হয়ে উঠলেন কেন কাটজু? এত কাল কী করছিলেন? অক্টোবরে প্রেস কাউন্সিলের পদের মেয়াদ ফুরোচ্ছে কাটজুর৷‌ এখন হঠাৎ করে কেন্দ্রের নতুন সরকারের ঘনিষ্ঠ হতে চাইছেন তিনি, এমন অভিযোগও করছেন নেতারা৷‌ উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের নভেম্বরে কাটজু মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন৷‌ টিভি চ্যানেলে কাটজু জানিয়েছেন, মাদ্রাজ হাইকোর্টের এক অতিরিক্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় গোপনে আই বি তদম্ত করানোর জন্য তিনি অনুরোধ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি লাহোটিকে৷‌ লাহোটি তা করিয়েছিলেন৷‌ সেই আই বি রিপোর্টেও বলা হয়, ওই বিচারপতি দুর্নীতিপরায়ণ, তাঁকে বরখাস্ত করাই উচিত৷‌ কাটজু বলেন, অতিরিক্ত বিচারপতি পদটি স্হায়ী নয়৷‌ মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে বলে আমি ভেবেছিলাম, তাঁর চাকরি এমনিতেই শেষ হয়ে যাবে৷‌ কিন্তু অবাক হয়ে গেলাম, যখন তাঁকে এ‘টেনশন দেওয়ার সিদ্ধাম্ত হল৷‌ কাটজু জানতে পারেন প্রধান বিচারপতি লাহোটি, বিচারপতি সাভরওয়াল এবং বিচারপতি বালকৃষ্ণনের কলেজিয়াম মেয়াদ না বাড়ানোর বিরুদ্ধেই ছিল৷‌ কিন্তু সে খবর চলে যায় তামিলনাড়ুর সেই শরিক দলের কাছে৷‌ বিশেষভাবে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন এমন এক নেতা যিনি ওই অতিরিক্ত বিচারপতি জেলা জজ থাকা কালে তাঁর কাছ থেকে জামিনের সুযোগ পেয়েছিলেন৷‌ কাটজুর কাছে নাকি খবর আছে, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ওই সময় রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছিলেন৷‌ দিল্লি বিমানবন্দরে মনমোহনকে তামিলনাড়ুর দলটির মন্ত্রীরা জানান, তিনি ফিরে আসতে আসতে তাঁদের দল সমর্থন তুলে নেবে৷‌ প্রধানমন্ত্রী ঘাবড়ে যান৷‌ কংগ্রেসের একজন সিনিয়র মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে অভয় দেন, ব্যাপারটা সামলে নেওয়া হবে৷‌ ওই মন্ত্রী তার পর প্রধান বিচারপতি লাহোটির কাছে যান৷‌ বোঝান, সরকার পড়ে যেতে পারে৷‌ বিরাট সমস্যা দেখা দেবে দেশে৷‌ এর পরই সিদ্ধাম্ত বদলে যায় কলেজিয়ামের৷‌ কাটজুর বক্তব্য, মেয়াদ তো আরেকবার বাড়ানো হলই, এর পর বিচারপতি পদেও পাকা নিয়োগ পেয়ে যান ওই অতিরিক্ত বিচারপতি৷‌ লাহোটির পর ২০০৫-এর নভেম্বরে প্রধান বিচারপতি হন সাভরওয়াল, তার পর ২০০৭-এর জানুয়ারিতে প্রধান বিচারপতি হন বালকৃষ্ণন৷‌ সবাই আপসের রাস্তাই নিয়েছেন, অভিযোগ কাটজুর৷‌ উল্লেখ্য, ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যম্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে ছিলেন কাটজু৷‌ অবসরের পর সেই বছরই ৫ অক্টোবর প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদে আসেন৷‌ তাঁর নানা মম্তব্য আগেও বিতর্ক তৈরি করেছে৷‌ তিনি নিজে বরাবরই দাবি করে থাকেন, এখনও বলছেন, জীবনে কখনও অন্যায় করেননি৷‌ প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন এই বিষয়টি নিয়ে এত কাল বাদে মুখ খুললেন? তাতে বিরক্ত হয়েই কাটজু বলেন, সময়টা বড় কথা নয়৷‌ আসল কথা হল, ঘটনার তদম্ত হবে কিনা, যা হয়েছে তা ঠিক কিনা৷‌ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বালকৃষ্ণন বলেন, এত বছর বাদে, সেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যখন আর জীবিত নেই, তখন কেন এ-সব বলছেন কাটজু? তথ্যগতভাবেও এ-সব অসত্য৷‌ বালকৃষ্ণন অবশ্য মানছেন, তামিলনাড়ুর তৎকালীন শাসক দল (অর্থাৎ ডি এম কে)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ ছিল বিতর্কিত বিচারপতির৷‌ বালকৃষ্ণন জানান, সেই কারণেই তিনি মাদ্রাজ হাইকোর্ট থেকে তাঁকে অন্ধ্রপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছিলেন৷‌ প্রথম ইউ পি এ সরকারের আইনমন্ত্রী ছিলেন হংসরাজ ভরদ্বাজ৷‌ তিনি বলেন, বিচারবিভাগের নিয়োগ নিয়ে জোট সরকারে শরিকদের কাছ থেকে নানা রকম চাপ এসেছে, সত্যি কথা৷‌ কিন্তু আমি কখনও চাপের কাছে মাথা নোয়াইনি৷‌ তার মানে চাপের কথাটা ভিত্তিহীন নয়? লক্ষণীয়, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁর কিছু বলার নেই৷‌ প্রাক্তন আইনমন্ত্রী যা বলার বলে দিয়েছেন৷‌ কংগ্রেস দল থেকে জানানো হয়, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে না৷‌ দলের মুখপাত্র অভিষেক সিংভি বলেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর৷‌ সুপ্রিম কোর্ট জড়িয়ে আছে৷‌ কিছু বলার ক্ষেত্রে সংযম প্রয়োজন৷‌ তার আগে দলের আরেক নেতা রাজীব শুক্ল বলেন, এক দশক বাদে হঠাৎ এ-সব বলছেন কেন কাটজু? এন ডি এ-র শরিক শিবসেনার নেতা সঞ্জয় রাউত বলেন, বিচারবিভাগে দুর্নীতির কথা সবাই জানে৷‌ কিন্তু কথা হল, এত এত বছর বাদে, নিজে অবসর নেওয়ার পর, সরকার বদলে যাওয়ার পর এখন বড় গলায় এ-সব বলে কী হবে? সি পি আই নেতা ডি রাজাও প্রশ্ন তোলেন, কাটজু তখন কী করছিলেন?


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited