Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৭ পৌষ ১৪২১ মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
মদনের পাশেই মুখ্যমন্ত্রী--৭ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড মদনের ।। জনতা-জোটের পাশে তৃণমূলও--রাজীব চক্রবর্তী ।। সব চিটফান্ড তদম্তের দায়িত্ব নিতে মোদিকে অনুরোধ বামেদের ।। জুটা অনশনে ছাত্ররা বয়কটে ।। নৈশভোজে মুখ্যমন্ত্রীর কথা হল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ।। গোয়েন্দা ব্যর্থতার বেনজির দলিল ২৬৷‌১১? ।। রাজ্যে প্রথম কোনও কলেজে জিতল এ বি ভি পি ।। বামফ্রন্ট নেতাদের কটাক্ষ সুব্রতর ।। আজ গণনা, নজর কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ডে ।। জ্বালানির দাম কমলেও ভাড়া কমবে না রেলে ।। শংসাপত্র ২ হাজার ঠিকা প্রজাকে ।। শাম্তিনিকেতনে শুরু হল পৌষমেলা
ভারত

জনতা-জোটের পাশে তৃণমূলও

সব চিটফান্ড তদম্তের দায়িত্ব নিতে মোদিকে অনুরোধ বামেদের

আজ গণনা, নজর কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ডে

জ্বালানির দাম কমলেও ভাড়া কমবে না রেলে

সংসার ভেঙে রুমি ফের নতুন ঘরে?

ওড়িশায় তুষারপাত

খুচরো খবর

জনতা-জোটের পাশে তৃণমূলও

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share



রাজীব চক্রবর্তী: দিল্লি, ২২ ডিসেম্বর– নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোটের লক্ষ্যে এক মঞ্চে মিলিত হল জনতা পরিবারের ৬টি দল৷‌ জনতা পরিবারের এই জোটের পাশে থাকার ইঙ্গিত দিল তৃণমূল৷‌ সোমবার দিল্লির যম্তর মম্তরে মহাধর্নায় কালো টাকা এবং ধর্মাম্তর-সহ নানা ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো মুলায়ম সিং যাদব, আর জে ডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব, জে ডি (ইউ)-র নীতিশ কুমার ও শরদ যাদব, এন সি পি-র তারিক আনোয়ার এবং ডি পি ত্রিপাঠি৷‌ উল্লেখযোগ্যভাবে ধর্নামঞ্চে উপস্হিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জনতা দল (সেকুলার) নেতা এইচ ডি দেবগৌড়া এবং আই এন এল ডি নেতা দুষ্মম্ত চৌটালা এবং সমাজবাদী জনতা পার্টির নেতা কমল মোরারকা৷‌ এই মহাধর্নায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তৃণমূলকেও৷‌ তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জির একটি চিঠি পৌঁছে দেন মুলায়মদের হাতে৷‌ তবে, তিনি মঞ্চে ওঠেননি৷‌ মহাধর্নার মঞ্চ থেকে সম্মিলিতভাবে বি জে পি সরকারকে উৎখাত করে পুরনো কুসংস্কারের রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে রাজনীতির নতুন অধ্যায় রচনার আহ্বান জানানো হয়৷‌ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভাজন-রাজনীতির কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধে সমস্ত বিরোধী দলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা৷‌

এই ধর্না ও বিক্ষোভ প্রদর্শনকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে জনতা দলগুলির মধ্যে সংযোগকারী প্রথম দৃঢ় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন তাঁরা৷‌ মুলায়ম তাঁর বক্তব্যে বি জে পি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণ করতে বলেন, অতীতে তিনবার জোটের সরকার করেছে জনতা পরিবারের দলগুলি৷‌ এবার লোকসভায় তাঁরা (এন ডি এ জোট) মাত্র ৩১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন৷‌ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন না করলে জনগণ তাঁদের বিদায় করে দেবে৷‌ নীতিশ কুমার বলেন, পৃথক রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের পরিচিতি থেকে একটা দলে পরিণত হতে হবে৷‌ ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে আমাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে৷‌ মুলায়মজি সবাইকে এক ছাতার তলায় আনবেন৷‌ এখন থেকে আমাদের সবার একটাই ব্রত হোক৷‌ আমরা অন্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করব৷‌ যাতে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়ে তোলা যায়৷‌ আমাদের সবারই এক জায়গায় আসার প্রয়োজন৷‌ নিজেদের মান-অভিমান দূরে সরিয়ে রেখে বি জে পি-র বিরুদ্ধে আমরা একজোট হয়ে লড়তে চাইছি৷‌ অন্যদিকে, বিভিন্ন ইস্যুতে মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করে আর জে ডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব বলেন, মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্নভাবে একটি প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷‌ তিনি বলেন, তাঁর এবং নীতিশ কুমারের মধ্যে দূরত্ব নিয়ে লোকে যখন আলোচনা করছে, তখন তাঁরা দু’জনেই এক মঞ্চে উপস্হিত হয়েছেন৷‌ একটি হিন্দি গানের লাইন আওড়ে লালু আরও বলেন, এখন পুরনো কথা ভুলে গিয়ে তাঁরা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবেন৷‌ ধর্নামঞ্চে এদিন প্রাক-নির্বাচনী প্রচারে কালো টাকা উদ্ধার সম্পর্কিত নরেন্দ্র মোদি, রাজনাথ সিং এবং যোগগুরু রামদেবের বক্তব্যের অডিও রেকর্ডিং বাজিয়ে লালু, নীতীশ, মুলায়ম ও শরদ যাদবরা প্রশ্ন করেন, বিদেশ থেকে কালো টাকা উদ্ধার করে দেশের গরিবতম মানুষের ব্যাঙ্কে কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কবে পূরণ হবে? সমর্থকদের উদ্দেশে নীতীশ কুমার বলেন, আপনাদের এলাকার বি জে পি নেতাদের সঙ্গে দেখা করে জানতে চান আপনাদের প্রত্যেককে ১৫ লাখ টাকা তাঁরা কীভাবে দেবেন৷‌ চেক মারফত, নাকি নগদে? প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যা ভাষণকে অত্যম্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন নীতীশ৷‌ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, হয় আপনি আপনার প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন, নচেৎ চেয়ার ছেড়ে দিয়ে আপনাকে চলে যেতে হবে৷‌ এদিন সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে সংসদ-চত্বরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সমাজবাদী পার্টি ও তৃণমূল সাংসদরা যৌথ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন৷‌ কালো টাকা ও ধর্মাম্তর ইস্যুতে সংসদের ভেতরেও স্লোগান তুলে, ওয়েলে নেমে কার্যত সংসদ অচল করে দিয়েছে এই দুই দল৷‌ রাজ্যসভায় শোরগোল হয়েছে সবচেয়ে বেশি৷‌ মোদি সরকারকে এই ইস্যুতে চেপে ধরেছে তৃণমূল, স পা, কংগ্রেস এবং সি পি এম-সহ বাম দলগুলি৷‌ অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বিরোধী দলগুলিকে সংসদের উচ্চকক্ষের সুষ্ঠু কাজে ‘বাধাপ্রদানকারী’ বলে কটাক্ষ করেছেন৷‌ লাগাতার বাধার ফলে সংস্কারমূলক বিল পাস করানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি৷‌ পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূলও৷‌ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেছেন, ধর্মাম্তর নিয়ে আলোচনা করার জন্য ৫৬ ইঞ্চি ছাতি নয়, মাত্র ৪ ইঞ্চি হৃদয়ের প্রয়োজন৷‌ পরে তিনি বলেন, যিনি সংস্কারের কথা বলছেন তিনি আর্থিক সংস্কারের সবচেয়ে বড় কাজ কালো টাকা উদ্ধার করতে ব্যর্থ হচ্ছেন কেন৷‌ আগে তার জবাব দিন৷‌ লোকসভা অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েলে নেমে স্লোগান সহযোগে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স পা, তৃণমূল, জে ডি (ইউ) এবং আর জে ডি সাংসদরা৷‌ প্রশ্নোত্তরপর্বে তখন হাজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷‌ প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন মুলায়ম সিং৷‌ সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু বলেন, নির্বাচনে আমরা ৬ মাসের জন্য কোনও প্রতিশ্রুতি দিইনি৷‌ ৫ বছরের জন্য প্রতিশ্রুতি করেছি৷‌ আমরা তা পালন করবই৷‌ আপনারা জনগণের কাছে গিয়ে এই সব বলুন৷‌ মানুষ আমাদের সরিয়ে দেবে যাঁরা বলছেন, ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনে কী ফল হয় দেখুন৷‌ প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি না দেওয়ায় ওয়াকআউট করে স পা, জে ডি (ইউ) এবং আর জে ডি৷‌ তৃণমূল কিন্তু ওয়াকআউট করেনি৷‌ মোদির সামনেই হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগান চলে, ‘প্রধানমন্ত্রীজি ওয়াদা নিভাও’ এবং ‘কালা ধন বাপস লাও’৷‌





kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited