Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৭ ভাদ্র ১৪২১ বুধবার ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  খেলা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
রক্ষা পেল চ্যাটার্জি ইন্টারন্যাশনাল--১৫ তলায় বড় আগুন শর্ট সার্কিট থেকেই? ।। জি টি এ-র হাতে পূর্ণ ক্ষমতা, মমতা-মোর্চা ফের কাছাকাছি--সরোজ চক্রবর্তী, কালিম্পং ।। অর্থতত্ত্ব-সারদায় যোগসূত্র খুঁজছে সি বি আই--সব্যসাচী সরকার ।। সি বি আই-কে তীব্র আক্রমণ তৃণমূলের--দীপঙ্কর নন্দী ।। আজ সারা শহর ‌ট্যাক্সিহীন, ধর্মঘট ডাকলেন চালকেরা ।। ১০০ দিনের কাজে মোদিই সেরা প্রধানমন্ত্রী: জাওড়েকার ।। বিজ্ঞাপন দিয়ে বেড়ানো যায় সিঙ্গাপুরে, শিল্প আসে না: বাবুল ।। দেশ-বিদেশের সেরা ১০ পুজোকে পুরস্কৃত করবে রাজ্য ।। ইমরানকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ বলে ব্যবস্হা নেওয়ার তোড়জোড় ।। রাহানে-শিখরের ব্যাটে ইংরেজরা উড়ে গেল! ।। জাপানকে বিনিয়োগে ডাক মোদির ।। আলিপুর থকে দমদম জেলে সরিয়ে নেওয়া হল নীতুকে
বিদেশ

লাল ফিতে নেই, আছে লাল কার্পেট

ইমরানকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ বলে ব্যবস্হা নেওয়ার তোড়জোড়, শরিফের পাশে সংসদ

লাল ফিতে নেই, আছে লাল কার্পেট

জাপানকে বিনিয়োগে ডাক মোদির

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

টোকিও, ২ সেপ্টেম্বর (পি টি আই)– ভারতে বিনিয়োগ করুন৷‌ একমাত্র এখানেই ‘ডেমোক্রেসি, ডেমোগ্রাফি আর ডিমান্ড’ একসঙ্গে পাবেন৷‌ অননুকরণীয় ভঙ্গিতে জাপানের শিল্পমহলের প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷‌ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্হাপনে তাঁর সহজাত দক্ষতার ফের একবার প্রমাণ দিলেন ভারত-জাপান যৌথ শিল্প উদ্যোগের সাফল্য কামনায় ড্রাম বাজিয়ে৷‌ মঙ্গলবার প্রথমে জাপানের বৈদেশিক বাণিজ্য বিস্তার সংস্হা (জে ই টি আর ও) এবং নিক্কেই-এর উদ্যোগে আলোচলাচক্রে ভাষণ দেন তিনি৷‌ বললেন, এখন আর আমাদের দেশে লাল ফিতের ফাঁস নেই, বরং ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের জন্য বিছানো রয়েছে লাল কার্পেট৷‌ উল্লেখ করেন, ভারতে কম খরচে দক্ষ শ্রমিকের সুবিধার কথা৷‌ বলেন, আমাদের সফটঅয়্যারে দক্ষতা রয়েছে, আর আপনাদের হার্ডঅয়্যারে৷‌ দুইয়ের মেলবন্ধন হলে আমরা ‘মির্যাকল’ ঘটিয়ে দিতে পারি৷‌ এ প্রসঙ্গে ভারতের দ্রুতহারে বেড়ে চলা মোবাইল হ্যান্ডসেট ক্ষেত্রের কথা তুলে ধরেন তিনি৷‌ উল্লেখ করেন তাঁর স্বপ্নের স্মার্ট সিটি প্রকল্পের কথা, পুনর্নবিকরণযোগ্য শক্তিক্ষেত্রের কথা৷‌ জানান, ভারত থেকেই আপনারা খুব সহজে সারা বিশ্বের জন্য উৎপাদন করতে পারেন৷‌ তা হলে ভারতকে উৎপাদনের গ্লোবাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে আমার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ স্বপ্ন স্বার্থক হবে৷‌ এদিন তিনি টোকিওতে টি সি এস জাপান টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল আকাদেমির উদ্বোধনও করেন৷‌ সেটা করতে গিয়েই সকলকে অবাক করে দিয়ে ড্রাম বাজানো শুরু করেন৷‌ প্রধানমন্ত্রী এদিন ৪৮ জন টি সি এস জে কর্মীকে প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে পাঠানোর কর্মসূচির উদ্বোধন করে বলেন, টি সি এসের কর্মী হিসেবে ভারতে যাচ্ছেন৷‌ কিন্তু আমি চাই আপনারা ফিরে আসুন জাপানে ভারতের রাষ্ট্রদূত হয়ে৷‌

পরিবেশপ্রেমী মোদি: শুধু রাজনীতিবিদ নন, প্রফেসর হিসেবেও যে কম যান না তার প্রমাণ রাখলেন নরেন্দ্র মোদি৷‌ ১৯৯৮ সালে দ্বিতীয় পোখরান বিস্ফোরণের পর ভারতের পরমাণু কর্মসূচির প্রতি কিছুটা সন্দিহান জাপান-সহ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ৷‌ সন্দেহের সেই পরিবেশ কাটাতে এদিন অহিংসার প্রতি ভারতের গভীর বিশ্বাসের কথা তুলে ধরেন মোদি৷‌ স্যাক্রেড হার্ট ইউনিভার্সিটিতে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ভারত হল ভগবান বুদ্ধের দেশ৷‌ অহিংসা আমাদের সমাজের ডি এন এ-তে রয়েছে৷‌ স্বাধীনতার আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের কথা তুলে ধরে বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে আমরা মনে করি বসুধৈব কুটুম্বকম৷‌ সারা বিশ্বকে এক পরিবার বলে মনে করলে আমরা কী করে কারও ক্ষতি করতে পারি! প্রশ্নোত্তরপর্বে মোদিকে এক ছাত্র প্রশ্ন করেন, দ্রুত উন্নতির পথে চলতে গিয়ে ভারত পরিবেশের সাম্য বজায় রাখবে কীভাবে? উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতীয়েরা পরিবেশকে আত্মীয় বলে মনে করেন৷‌ চাঁদকে মামা বলেন, নদীকে মা৷‌ আমার কাকা অভাব কাটাতে একবার কাঠের ব্যবসা করতে গিয়েছিলেন৷‌ তাতে বাধা দিয়ে আমার অশিক্ষিত মা বলেছিলেন, গাছ কাটা পাপ৷‌ তার চেয়ে বরং আমরা না খেয়ে থাকব৷‌ আরেক ছাত্র মোদিকে প্রশ্ন করেন, এশিয়া মহাদেশে শাম্তির পথে কীভাবে চলা যাবে, যেখানে চীন ‘আগ্রাসী’ মনোভাব নিয়ে চলছে? উত্তরে ঠাট্টা করে মোদি বলেন, আপনি তো দেখছি সাংবাদিকদের মতো প্রশ্ন করছেন! সরাসরি উত্তর না দিয়ে একটা গল্প বলেন৷‌ একটা ঘর থেকে অন্ধকার সরাতে অনেকে অনেকভাবে চেষ্টা করল৷‌ একজন ঝাঁটা নিয়ে, একজন তরোয়াল নিয়ে, একজন কম্বল নিয়ে গেল৷‌ কিন্তু অন্ধকার কাটল না৷‌ তখন এক জ্ঞানী ব্যক্তি গেলেন প্রদীপ হাতে৷‌ ধীরে ধীরে কাটতে লাগল অন্ধকার৷‌ তাই শাম্তি, উন্নতি আর গণতন্ত্রের প্রদীপ হাতে নিয়ে চললে অন্ধকারকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই৷‌

চীনে সংবাদমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া: ‘আগ্রাসী’ মনোভাব নিয়ে নরেন্দ্র মোদির মম্তব্যে সরকারিভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি চীন৷‌ তবে সেদেশের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রতি বেশি করে মানসিকভাবে আকৃষ্ট৷‌ তাই চীনের নাম না করেও এমন কথা বলেছেন৷‌ চীনা কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত গ্লোবাল টাইমস এদিন সম্পাদকীয়তে তীক্ষ্ন সমালোচনা করেছে মোদির মম্তব্যের৷‌ লেখা হয়েছে: চীনের জি ডি পি ভারতের ৫ গুণ৷‌ আর চীন ভারতের প্রতিবেশী, কিন্তু জাপান অনেক দূরের দেশ৷‌ তাই চীন-ভারতের সম্পর্ককে ভারত-জাপানের বন্ধুত্ব দিয়ে দূরে সরিয়ে দেওয়া যাবে না৷‌ তবে আমাদের দু’দেশের মধ্যে সীমাম্ত সমস্যা রয়েছে, রয়েছে পশ্চিমের চাপ৷‌ তাই বেজিং আর দিল্লির মধ্যে পারস্পরিক আস্হা অর্জন করা তেমন সোজা হবে না৷‌ টোকিওতে স্যাক্রেড হার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের প্রশ্নে মোদি যা উত্তর দিয়েছেন তাকে গণতন্ত্রের অভাব নিয়ে চীনকে খোঁচা বলে অনেকেই ধরে নিতে পারে৷‌ বিশেষত পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমে বলা হতে পারে চীনকে বদ্ধ, অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরের সঙ্গে তুলনা করেছেন মোদি৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || post editorial || khela ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited