Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৫ বৈশাখ ১৪২২ রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  নেপথ্য ভাষন  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
নেপথ্য ভাষন -অশোক দাশগুপ্ত--নির্বেদবাবু ।। ফাঁকা মাঠেই গোল? ।। মানুষের একাংশ ভোট দিতে পারেনি: কমিশন--কাকলি মুখোপাধ্যায় ।। ইয়েচুরি না পিল্লাই?--দেবারুণ রায়, বিশাখাপত্তনম ।। ২০০০ বুথে পুনর্নির্বাচন না হলে ধর্মঘট: বামফ্রন্ট ।। পুরো নির্বাচনই বাতিল হোক: বি জে পি ।। আবার আলাদা রাজ্যের আন্দোলনে বংশীবদন--দেবব্রত দে সরকার ।। থমথমে শালিমার, বন্ধ কাজকর্ম--সি আই ডি চায় নিহতের পরিবার ।। রাহুল বসলেন কৃষকদের সঙ্গে--আজ রামলীলায় মস্ত সমাবেশ ।। ২৫ এপ্রিল আরও প্রতিরোধ দেখবে শাসক দল: সূর্যকাম্ত --ভোলানাথ ঘড়ই ।। মমতা: কিছু ছোট ঘটনা ঘটেছে ভোটে ।। ২৫ এপ্রিল তাপ তুঙ্গে
উত্তর সম্পাদকীয়

সুনামি সতর্কতায় কতদূর...

সুনামি সতর্কতায় কতদূর...

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

ডঃ স্বয়ংদীপ্ত বাগ

সাক্ষাৎ মৃত্যুকে সেদিন সজ্ঞানে প্রত্যক্ষ করেছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ! দিনটা ছিল ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর৷‌ রোদ-ঝলমল শীতের মিঠে সকালে আকস্মিক বজ্রপাতের মতো ধেয়ে এসেছিল দৈত্যাকার সামুদ্রিক ঢেউ বা সুনামি৷‌ একেবারে তছনছ হয়ে গিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিস্তীর্ণ উপকূলভাগ৷‌ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারত মহাসাগর সংলগ্ন ১৫টি দেশ! অসহায়ভাবে প্রাণ হারিয়েছিলেন অম্তত আড়াই লক্ষ মানুষ! সলিলসমাধি হয়েছিল হাজার হাজার গবাদিপশু ও বন্যপ্রাণীর৷‌ আর সম্পত্তিহানির মোট পরিমাণ বোধহয় কোনওদিনও সঠিকভাবে জানা যাবে না৷‌ পেরিয়ে গেল সেই নজিরবিহীন সুনামির এক দশক৷‌ বিজ্ঞান কী দৃষ্টিতে দেখে সুনামিকে? কেমন করে রক্ষা পাওয়া সম্ভব এই প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে? ঠিক সময় সুনামির পূর্বাভাস কি আদৌ সম্ভব? পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বিস্তীর্ণ উপকূলভাগে এই প্রশ্নগুলি কিন্তু সব সময়েই অত্যম্ত প্রাসঙ্গিক৷‌

তবে সবার আগে দেখা যাক, কীভাবে উৎপত্তি হয় এই সুনামির৷‌ প্রকৃতপক্ষে সুনামি হল সমুদ্রের মধ্যে ভূমিকম্পের ফলে তৈরি হওয়া উত্তাল সমুদ্রতরঙ্গ৷‌ তবে মনে রাখা দরকার যে সুনামি কোনও একটি তরঙ্গ নয়৷‌ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছে, এটি হল শ্রেণীবদ্ধ তরঙ্গের সারি৷‌ সমুদ্রের নিচে অগ্ন্যুৎপাত, ধস ইত্যাদির কারণে শক্তিশালী ভূমিকম্প সৃষ্টি হলে, সমুদ্রজলের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়৷‌ এরপর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সমুদ্রজল আবার ভারসাম্যে ফেরার চেষ্টা করে৷‌ এর ফলে সমুদ্রজলে ওপর-নিচ যে চলন ঘটে তাতে বিশাল বড় ঢেউ বা সুনামির উৎপত্তি হয়৷‌ সমুদ্রের নিচে অনেক সময় শিলামণ্ডলের সঞ্চরনশীল দুটি পাত পরস্পরের মুখোমুখি চলে আসে৷‌ ভারী পাতটি, হালকা পাতের নিচে ক্রমশ ঢুকে যায় এবং এই সীমানা বরাবর একটি গভীর ফাটলের সৃষ্টি হয়৷‌ এই ফাটল বরাবর সমুদ্র তলদেশের একটি অংশের হঠাৎ স্হানচ্যুতি ঘটলে অর্থাৎ নিচে বসে গেলে বা ওপরে উঠে গেলে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠে আঘাতের মাধ্যমে ঢেউ তৈরি করে৷‌ সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্পের উৎসের ঠিক ওপরে সমুদ্রপৃষ্ঠের জল সাময়িকভাবে উঁচু হয়ে ওঠে৷‌ উন্মুক্ত সমুদ্রে শত শত কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং কয়েক মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট উঁচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়৷‌ ঘণ্টায় ৭৫০ থেকে ৮০০ কিলোমিটারের জেটগতিতে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসতে থাকে৷‌ তবে মাঝসমুদ্রে জলের গভীরতা বেশি থাকার জন্য এই তরঙ্গ নিচের দিকে বিস্তৃত হয়ে যায় তাই তখন এর উচ্চতা কম থাকে৷‌ কিন্তু এই ঢেউ যতই উপকূলের কাছে আসতে থাকে অগভীর তলদেশের প্রভাবে স্বভাবতই এর উচ্চতা ক্রমশ বাড়তে থাকে৷‌ উপকূলে পৌঁছে এই তরঙ্গ সর্বাধিক ৩০ থেকে ৩৫ মিটারের বিশাল উচ্চতা নিয়ে আছড়ে পড়ে এবং সবকিছু নিমেষে ধ্বংস করে দেয়৷‌ ২০০৪ সালের ওই ভয়ঙ্কর সুনামিটি আন্দামান সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের নিচে ৯.১ থেকে ৯.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরে অনেকটা এভাবেই সৃষ্টি হয়েছিল৷‌ তবে সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্প হলেই সবসময় যে সুনামির সৃষ্টি হবে তা কিন্তু নয়৷‌ ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলদেশের অনুভূমিক বা পাশাপাশি চলন ঘটলে তা থেকে সুনামির উৎপত্তি হয় না৷‌ আর ভূমিকম্প প্রধান কারণ হলেও অন্যান্য কারণেও সুনামি তৈরি হতে পারে৷‌ যেমন সমুদ্রে বিপুল শিলাপতন বা হিমবাহ পতনের ফলে সমুদ্রজলের স্হানচ্যুতিতে সুনামি সৃষ্টি হয়৷‌ সমুদ্রের গভীরে আগ্নেয়গিরি থেকে প্রবল অগ্ন্যুৎপাত হলে সমুদ্রজলের বিশাল পরিমাণে স্হানচ্যুতি হয়৷‌ উৎপত্তি হয় সুনামির৷‌ আবার গভীর সমুদ্রের এই আগ্নেয়গিরিগুলির জ্বালামুখ দিয়ে সমুদ্রের জল অনেক গভীরে চলে গেলে সমুদ্রজলের স্হিতিস্হাপকতা নষ্ট হয়ে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে৷‌ সুনামি হতে পারে মহাকাশ থেকে সমুদ্রের বুকে আছড়ে পড়া বিশাল আকৃতির উল্কা বা গ্রহাণুর আঘাত থেকেও৷‌

বিজ্ঞানের এই জয়যাত্রার যুগেও এসব ক্ষেত্রেও মানুষ বোধহয় আজও খুব অসহায়! আর সেদিন, এক দশক আগে মানুষের এই অসহায়তাই বোধহয় প্রকট হয়েছিল সুনামির আকস্মিক ছোবলে বিপুল পরিমাণ জীবন ও সম্পত্তিহানির মধ্য দিয়ে৷‌ ছিল সুনামি সতর্কীকরণের অভাব, ছিল সচেতনতার অভাব, সমন্বয়ের অভাব, সরকারি স্তরে ছিল না সুনামি মোকাবিলার উপযুক্ত প্রস্তুতি, পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো৷‌ সাঙঘাতিকভাবে ক্ষতি হয়েছিল পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের, নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল উপকূলবর্তী অরণ্য বিশেষত ম্যানগ্রোভ অরণ্য, প্রবাল প্রাচীর, উপকূলবর্তী জলাভূমি, বালিয়াড়ি, শিলাগঠন প্রক্রিয়া, উদ্ভিদ ও প্রাণীবৈচিত্র্য এবং ভূ-গর্ভস্হ জলের ওপর৷‌ এক কথায় ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, ভয়ঙ্কর সুনামির সেই দিনটি ছিল, প্রকৃতির কাছে মানুষের অসহায় আত্মসমর্পণের দিন!

এরপর পেরিয়ে গেছে দশটা বছর! পুরনো ক্ষত সারিয়ে আজ আমরা কতখানি প্রস্তুত সুনামি মোকাবিলায়? ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির সরকার, ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম, ইউনেস্কো, ইন্টারন্যাশনাল সুনামি ইনফর্মেশন সেন্টার, ইন্টারগভরণ মেন্টাল ওশিয়ানোগ্রাফিক কমিশন ইত্যাদির সমন্বয়ে সুনামিধ্বস্ত অঞ্চলে পরিবেশ উন্নয়ন ও সুনামি মোকাবিলার কাজ বেশ কিছুটা এগিয়েছে৷‌ কিন্তু এ কাজ যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং৷‌ তাই ভবিষ্যতে সুনামির আশঙ্কা আছে এমন দেশগুলিতে সুনামি সতর্কীকরণের ওপর প্রাথমিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷‌ যেমন, ২০০৭ সালে ভারতের হায়দরাবাদে স্হাপিত হয়েছে সুনামি সতর্কীকরণ ব্যবস্হা সমন্বিত কেন্দ্র৷‌ সার্বিকভাবে সুনামি সম্ভাবনাময় অঞ্চলগুলিতে একটি আম্তর্জাতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে যথাসম্ভব দ্রুত সুনামি সতর্কীকরণের ব্যবস্হা গ্রহণ করা হয়েছে৷‌ ‘সায়েন্স ডেইলি’ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইন্দোনেশিয়ায় একটি অত্যাধুনিক সতর্কীকরণ ব্যবস্হা কাজ শুরু করেছে৷‌ ভূমিকম্পের ৫ মিনিটের মধ্যে, প্রায় ৩০০টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে সুনামি সতর্কীকরণ সম্ভব হচ্ছে৷‌ এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে সিসমোমিটার, জি পি এস স্টেশন এবং উপকূলবর্তী প্লাবন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলি৷‌ ক্ষেত্রবিশেষে সাহায্য নেওয়া হচ্ছে গভীর সমুদ্রের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্হারও৷‌ এখানকার ‘সেনসর’গুলি থেকে সমস্ত তথ্য পাওয়ামাত্র ‘সিসকমপিথ্রি’ নামক অত্যাধুনিক বিশ্লেষণ ব্যবস্হার মাধ্যমে ভূমিকম্প এবং ‘সুনামি সিমুলেশন’ বা সম্ভাব্যতা দ্রুত বিশ্লেষণ করা হয়৷‌ এরপর নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক সিদ্ধাম্তের ভিত্তিতে কী ধরনের সতর্কীকরণ হবে তা স্হির করা হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাৎক্ষণিক প্রচারিত হয়৷‌ জাকার্তায় মোট ৭০ জন বিশেষ: এই কাজে যুক্ত রয়েছেন৷‌

মানুষ যাতে সতর্কীকরণের গুরুত্ব সময়মতো বুঝতে পারে এবং পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত নিরাপদ স্হানে সরে যেতে পারে তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্হা করা হচ্ছে৷‌ স্হানীয়ভাবে বিপর্যয় ব্যবস্হাপনার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে৷‌ গড়ে তোলা হচ্ছে সুনামি প্রতিরোধী ব্যবস্হা যেমন সুনামি নিয়ন্ত্রণকারী অরণ্যবলয়, সুনামি প্রতিরোধী ঘরবাড়ি, উপকূল-ঘেঁষা সমুদ্র-প্রাচীর ইত্যাদি৷‌ জোর দেওয়া হচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলার প্রশিক্ষণের ওপর৷‌ সুনামি বিপর্যয়ের আশঙ্কাযুক্ত অঞ্চলগুলির ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরি হচ্ছে৷‌ পৃথিবী জুড়ে চেষ্টা চলছে সুনামি সতর্কীকরণের আরও কার্যকর এবং নতুন ধরনের উপায় খোঁজার৷‌ ‘দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফর্মেশন সার্ভিসেস’– এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে৷‌ অন্যদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলিতে উপযুক্ত নগর পরিকল্পনা ও ভূমির ব্যবহার পরিকল্পনা এবং পর্যটনে বাড়তি নজরদারি চালু করা হয়েছে৷‌ জোর দেওয়া হচ্ছে সুনামি-সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর৷‌ ২০০৪ সালের ভূমিকম্পের পর সমুদ্রকে মাটি থেকে হঠাৎ দূরে সরতে দেখে কেউ বুঝতে পারেনি তার পেছনে লুকিয়ে রয়েছে সুনামি দৈত্য! সুতরাং ভূমিকম্পের পর সমুদ্র কখনও পিছিয়ে গেলে উল্টোদিকে কোনও উঁচু নিরাপদ জায়গায় দ্রুত সরে যেতে হবে৷‌ সুনামির প্রথম ঢেউ কখনও কখনও খুব বেশি বিপজ্জনক নাও হতে পারে৷‌ প্রথম ঢেউ আঘাত করার পর বেশ কয়েক ঘণ্টা কিন্তু বিপদের সম্ভাবনা থেকে যায়৷‌ আবার কাছাকাছি কোথাও সুনামি কম উচ্চতায় আঘাত করেছে মানেই যে অন্যত্রও কম উচ্চতায় আঘাত করবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই৷‌ তেমনি বহুদূরে কোথাও ভূমিকম্প হলেও তার প্রতিক্রিয়ায় দিনে-রাতে যে কোনও সময়ে সুনামি তৈরি হয়ে তা আঘাত করতে পারে৷‌ তৈরি হতে পারে ‘আকস্মিক বন্যা’র মতো পরিস্হিতি৷‌ তাই উপকূলবর্তী সমস্ত নিচু অঞ্চল, নদনদীর সান্নিধ্য এক্ষেত্রে অত্যম্ত বিপজ্জনক৷‌ সাধারণ ঢেউয়ের মতো সুনামির ঢেউ দ্রুত নিচু হয় না বা ভাঙে না এবং মানুষ যত জোরে দৌড়তে পারে তার থেকে বহুগুণ দ্রুত ধেয়ে আসে সুনামি৷‌ সংশ্লিষ্ট সমুদ্র উপকূলের গঠন ও ভূ-প্রকৃতির ওপর সুনামির তীব্রতা ও প্রকোপ বেশ কিছুটা নির্ভর করে৷‌ সচেতনতার প্রশ্নে সকলের এই বিষয়গুলি জানা দরকার৷‌ মেনে চলা উচিত ইউনেস্কো প্রচারিত সমস্ত ধরনের সুনামি-সতর্কতা৷‌

তবে সুনামি মোকাবিলায় ভূমিকম্পের নির্দিষ্ট পূর্বাভাস খুব জরুরি৷‌ পৃথিবীর ভেতরে পাত বা শিলাস্তরের চলন থেকে জীবজন্তুদের আচরণ– ভূমিকম্প গবেষণায় আজ সবই গুরুত্বপূর্ণ৷‌ ‘সিনথেটিক অ্যাপরচার রাডার’ সমন্বিত আধুনিকতম পর্যবেক্ষণ ব্যবস্হায় নাসা, শিলাস্তরের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম সঞ্চালন বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছে৷‌ সুতরাং আগামী দিনে সম্ভাব্য ভূমিকম্প ও সুনামির গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেতগুলি আরও আগেভাগে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে বলে মনে হয়৷‌ তাই একদিকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার, অন্যদিকে দক্ষ পরিকল্পনা ও ব্যবস্হাপনার সমন্বয়ে আগামী দিনে, ২০০৪ সালের ভয়ঙ্কর সুনামির মর্মাম্তিক এপিসোডের পুনরাবৃত্তি না হওয়ারই সম্ভাবনা৷‌ তবুও আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এ কথা খুব দ্বিধাহীনভাবেই বলা যায় যে সুনামি-সতর্কতা ও সুনামি মোকাবিলায় আমাদের এখনও অনেকটা পথ পেরোতে হবে৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || post editorial || nepathya bhasan || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited