Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ২ কার্তিক ১৪২১ সোমবার ২০ অক্টোবার ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
সুদিন মোদিরই ।। ফল দেখেই স্লোগান আকবর রোডে: ‘প্রিয়াঙ্কা লাও’ ।। বর্ধমানে মেয়েদের বহু অনুমোদনহীন মাদ্রাসার হদিশ ।। বহু বেআইনি মাদ্রাসায় তল্লাশি ।। কর্মীদের জয়া: আগুনের সমুদ্রে সাঁতার কাটছি সারা জীবন ।। ৩ রাজ্যে উপনির্বাচনে জয়ী বি জে পি, কং, বি জে ডি ।। কর্মীদের চাঙ্গা করতে ৫ নভেম্বর থেকে জেলা সফর শুরু মমতার ।। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক, অ্যাসিডের চরিত্র কী জানা নেই এখনও ।। কলকাতা ছেয়ে গেছে স্নাইপার, পিস্তলে!--সোমনাথ মণ্ডল ।। থিমের রমরমা কালীপুজোতেও--শিখর কর্মকার ।। বাধা ঠেলে জাঠা দাপাল জেলা ।। মুকুলের কলঙ্ক মমতা গায়ে মাখতে রাজি নন: অধীর
খেলা

ড্র-তে আপশোস নেই অ্যাটলেটিকোর

রেফারির সমালোচনায় দেল পিয়েরোরা

দেল পিয়েরো, গার্সিয়ারা মন ভরাতে পারল না

পুরনো ঝাল মেটাল আমাদের বোর্ড: হোল্ডিং

বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলবে ভারত-অস্ট্রেলিয়া

শুধু জয়টাই পেলেন না কাপডেভিয়ারা

৪০০ কোটি টাকা দাবি করতে পারে ভারত

মেসির ১ গোল, রেকর্ডের আরও কাছে

গোলের পরেই হৃদ‍্রোগ

পুনের নিয়মভঙ্গ

বিজয়া সম্মেলন

চ্যাম্পিয়ন স্বপ্নিল

সম্মানিত সানি

ড্র-তে আপশোস নেই অ্যাটলেটিকোর

এমন ফল হতেই পারে: সৌরভ

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

অগ্নি পান্ডে

রবিবারেব ষাট হাজারি যুবভারতীর রঙ লাল-সাদা৷‌ অ্যাটলেটিকো দি কলকাতার রঙে রঙিন৷‌ এই রবিবার ছিল না বলিউডি উদ্বোধন৷‌ তা সত্ত্বেও দুপুর ২টো থেকেই শহরের দলের খেলা দেখার জন্য উৎসুক জনতার ভিড়৷‌ সত্যি, কলকাতার ফুটবল সংস্কৃতি কি পাল্টাচ্ছে? এই প্রশ্ন রবি-যুবভারতী দেখলেই মনে হতে বাধ্য৷‌ পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে যুবভারতী যাওয়া৷‌ অ্যাটলেটিকো দি কলকাতা ইতিমধ্যেই কলকাতার নিজস্ব অধিকার অর্জন করে নিয়েছে৷‌ সেই নিজের দলের খেলা দেখা তো বটেই, পাশাপাশি পড়ম্ত দেল পিয়েরোকেও দেখা৷‌ দুটোই লাভ হল কলকাতার৷‌ আপশোস, প্রিয় দলের জয়টা দেখা গেল না৷‌

এক গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যম্ত ম্যাচ না জিতেই যুবভারতী ছাড়তে হল লুইস গার্সিয়ার দলকে৷‌ দেল পিয়েরোর দিল্লি অসাধারণ একটি গোলে সমতা ফিরিয়ে আনে৷‌ ম্যাচ শেষে অ্যাটলেটিকো দি কলকাতার কোচ হাবাস বলছিলেন, ‘না, কোনও আপশোস নেই ম্যাচ ড্র হওয়ায়৷‌ আমরা সাত দিনে তিনটে ম্যাচ খেলে ৭ পয়েন্ট পেলাম৷‌ এত বেশি ম্যাচ আর কোনও দল খেলেনি৷‌ এটাও মাথায় রাখা দরকার৷‌’ বিরতিতেই তুলে নিতে হয়েছিল অ্যাটলেটিকো দি কলকাতার অধিনায়ক লুইস গার্সিয়াকে৷‌ ম্যাচ শেষে কোচ জানাচ্ছেন, ‘গার্সিয়ার পেশি শক্ত হয়ে গিয়েছিল৷‌ ওই সময় ওকে তুলে না নিলে পরে আরও সমস্যা হতে পারত বলেই তুলে নেওয়া৷‌ আমার ধারণা, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ও ঠিক হয়ে যাবে৷‌’ ম্যাচ জেতার সুযোগ তো তৈরি হয়েছিল৷‌ শেষ পর্যম্ত ম্যাচ জিততে না পারায় কোনও আক্ষেপ নেই হাবাসের৷‌ ‘জেতার মতো কয়েকটা সুযোগ এসেছিল৷‌ কিন্তু জিততে না পেরে হতাশ নই৷‌ আমার দল যে ছন্দে রয়েছে সেটা ধরে রাখতে পারলে বাকিটা বুঝে নেওয়া সম্ভব৷‌’ গার্সিয়ার পরিবর্তে নামা রাকেশ মাসি বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে পারেননি৷‌ পরপর দুটো হলুদ কার্ডের ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়৷‌ অ্যাটলেটিকো দি কলকাতার কোচ অবশ্য রেফারির কোনও সমালোচনা করতে চাননি৷‌ ‘আমার যা মনে হয়েছিল তা অন্য কথা৷‌ মাঠের মধ্যে রেফারিই হলেন শেষ কথা৷‌ ওঁর যা মনে হয়েছে সেই সিদ্ধাম্তই জানিয়েছেন৷‌’ রবিবার দলের মাঝমাঠে বোরজা ফার্নান্ডেজ না থাকায় আক্রমণে সেই ঝাঁজ ছিল না৷‌ কী বলছেন কোচ? হাবাসের ছোট্ট উত্তর: ‘আমি তাদের কথাই বলতে চাই, যারা প্রথম একাদশে খেলেছে৷‌ অন্য কারও কথা বলার কোনও অর্থ হয় না৷‌’

অ্যাটলেটিকো দি কলকাতার নেতা গার্সিয়া ম্যাচের ফলাফল মেনে নিয়েছেন৷‌ ‘আমরা সুযোগ তৈরি করেছিলাম, কাজে লাগিয়েছি৷‌ কিন্তু বিপক্ষ যে গোলে সমতা ফিরিয়েছে তা নিয়ে কিছু বলার নেই৷‌ এমন গোল হলে তখন কিছু করার থাকে না৷‌’ নিজের চোট সম্পর্কে গার্সিয়ার বক্তব্য: ‘মাসল শক্ত হয়ে যায়৷‌ আমি নিজে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইনি৷‌ তাই বিরতিতে নিজেকে সরিয়ে নিই৷‌ আশা করি দ্রুত সুস্হ হয়ে যাব৷‌’ বিপক্ষে দেল পিয়েরো৷‌ কলকাতার অধিনায়ক উত্তর দিলেন, ‘ওর সম্পর্কে আলাদা করে কিছু বলার অপেক্ষা থাকে না৷‌ গোটা পৃথিবী জানে দেল পিয়েরো কেমন ফুটবলার৷‌ এদিনের ম্যাচেও নিজের জাত বুঝিয়ে দিয়েছে৷‌’ রবিবারের আগে পর্যম্ত একটাও গোল খাননি গোলকিপার শুভাশিস রায়চৌধুরি৷‌ তাঁর বক্তব্য: ‘পাভেলের শটটা শেষ মুহূর্তে এমন বাঁক নিল যে আমার আর কিছু করার ছিল না৷‌ এমন হতেই পারে৷‌ তবে এটাও ভাবার বিষয়, আমরা সাত দিনে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেললাম৷‌ অন্য কোনও দলের ক্ষেত্রে তা হয়নি৷‌ ক্লাম্তি বলে একটা ব্যাপার থেকেই যাচ্ছে৷‌ আমাদের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে কম সময়ের ব্যবধানে৷‌ আমাদের কিছু করার নেই৷‌ সূচি তো বদলানো যায় না৷‌’

দলের অন্যতম মালিক সৌরভ গাঙ্গুলি গোটা ম্যাচটাই মাঠে বসে দেখেছেন৷‌ ম্যাচের পরে সৌরভ বলেন, ‘প্রত্যেকটা ম্যাচ জিততে হবে এমন কোনও কথা নেই৷‌ ম্যাচের এমন ফল হতেই পারে৷‌ আমরা তো আর হারিনি৷‌ এটাই সবচেয়ে বড় কথা৷‌’ আরেক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কারও একই বক্তব্য৷‌ ‘রোজ রোজ ম্যাচ জেতা যায় না৷‌ একটা এই ফল হতেই পারে৷‌ তবে আমরা এখনও টেবিলের শীর্ষে রয়েছি৷‌ সেটা ধরে রাখতে পারলেই সবচেয়ে ভাল৷‌’





kolkata || bangla || bharat || editorial || khela || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited