Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ৫ বৈশাখ ১৪২২ রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  নেপথ্য ভাষন  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
নেপথ্য ভাষন -অশোক দাশগুপ্ত--নির্বেদবাবু ।। ফাঁকা মাঠেই গোল? ।। মানুষের একাংশ ভোট দিতে পারেনি: কমিশন--কাকলি মুখোপাধ্যায় ।। ইয়েচুরি না পিল্লাই?--দেবারুণ রায়, বিশাখাপত্তনম ।। ২০০০ বুথে পুনর্নির্বাচন না হলে ধর্মঘট: বামফ্রন্ট ।। পুরো নির্বাচনই বাতিল হোক: বি জে পি ।। আবার আলাদা রাজ্যের আন্দোলনে বংশীবদন--দেবব্রত দে সরকার ।। থমথমে শালিমার, বন্ধ কাজকর্ম--সি আই ডি চায় নিহতের পরিবার ।। রাহুল বসলেন কৃষকদের সঙ্গে--আজ রামলীলায় মস্ত সমাবেশ ।। ২৫ এপ্রিল আরও প্রতিরোধ দেখবে শাসক দল: সূর্যকাম্ত --ভোলানাথ ঘড়ই ।। মমতা: কিছু ছোট ঘটনা ঘটেছে ভোটে ।। ২৫ এপ্রিল তাপ তুঙ্গে
খেলা

ওয়াহিংডো ধসে ধ্বংস বাগান

গম্ভীরের মুখে হাসি ফোটালেন ব্যাটে-বলে-ফিল্ডিংয়ে সফল রাসেল

ডাবল ২০০ হল না ইস্টবেঙ্গলের

আমার ডাইভে সতীর্থরা ভয় পেয়েছিল

মুম্বই নাকি কিছুই বুঝতে পারছে না!

খেতাবের আরও কাছে চেলসি

রিও অলিম্পিকের জলে ভেসে উঠল ৩৭ টন মরা মাছ

ঋদ্ধি: আগে আমি কিপার

জয় ডুমিনির ব্যাটে-বলে

বথামের রেকর্ড ভাঙলেন অ্যান্ডারসন, টেস্ট ড্র

কে কে আরে খেলা কাজে এসেছে: সাকিব

অনুষ্কাকে প্রীতি: বিরাট সেঞ্চুরি পেলেই মাঠে নামো

ডাক্তারের সঙ্গে আমার কিছুই হয়নি: গুয়ার্দিওলা

১৯ সেকেন্ডের কমে ২০০ দৌড়নোই লক্ষ্য: বোল্ট

জিতে তিনে পুনে

ওয়াহিংডো ধসে ধ্বংস বাগান

রেফারিকে তুলোধোনা সঞ্জয়ের

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

মুনাল চট্টোপাধ্যায়

মোহনবাগান ২ (বলবম্ত, নর্ডি) রয়্যাল ওয়াহিংডো ৩ (জ্যাকিচাঁদ, থিওবল্ড)পেনাল্টি, নওবা-

ইস্টবেঙ্গল পারেনি শিলং পাহাড় থেকে পুরো পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে৷‌ রয়্যাল ওয়াহিংডোর কাছে হেরেছিল৷‌ মোহনবাগানও পারল না৷‌ ১২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর শিলংয়ের পাহাড়ে রয়্যাল ওয়াহিংডোর ধসের ধাক্কায় মোহনবাগানের বিজয়রথ মুখ থুবড়ে পড়ল৷‌ নেহরু স্টেডিয়ামে দু-দুবার এগিয়ে গিয়েও ২-৩ হেরে আই লিগ চ্যাম্পিয়নশিপে দৌড়ে আরও সুবিধাজনক অবস্হায় থাকার সুযোগ হাতছাড়া করলেন সঞ্জয় সেনের ফুটবলাররা৷‌ ১৩ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে এখনও শীর্ষে মোহনবাগান৷‌ তবে তাদের এই হারের ফলে দ্বিতীয় স্হানে থাকা ওয়াহিংডো (১৫ ম্যাচে ২৬) ও তিন নম্বরে থাকা বেঙ্গালুরু এফ সি (১৩ ম্যাচে ২২) উৎসাহিত হবে প্রতিপক্ষ সবুজ-মেরুন হাতের নাগালের বাইরে চলে না যাওয়ায়৷‌ শিলংয়ে খেলতে যাওয়ার আগেই মোহন-কোচ সঞ্জয় বলেছিলেন, রয়্যাল ওয়াহিংডোর বিরুদ্ধে জেতা সহজ হবে না৷‌ জিতলে ভাল, নইলে এক পয়েন্ট মন্দ নয়৷‌ কিন্তু ৯০ মিনিট ২-২ থাকার সময় যখন সবাই ধরে নিয়েছিলেন, মোহনবাগান অম্তত এক পয়েন্ট নিয়েই ঘরে ফিরবে, তখনই একদা ইস্টবেঙ্গলের হয়ে অনেক ম্যাচে নজরকাড়া অভি: নওবা সিংয়ের গোলে হারের মুখ দেখতে হল নর্ডিদের৷‌ ক্ষতি আরও হল৷‌ এই গোলের দু’মিনিট আগেই লাল কার্ড দেখেন বলবম্ত৷‌ গোল করে মোহনবাগানকে তিনিই এগিয়ে দিয়েছিলেন ম্যাচের শুরুতে৷‌ আর এদিন তিনি ম্যাচের শেষদিকে লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যেতেই হারের গোল হজম করতে হল দলকে৷‌ তবে এই হারের জন্য নিজেদের ত্রুটির থেকেও রেফারি প্রিয়ব্রত সিংয়ের ‘অপ্রিয় সিদ্ধাম্ত’, ‘পক্ষপাতমূলক’ ভূমিকাই বেশি বলে মনে করছেন মোহনবাগান কোচ, ফুটবলাররা৷‌ আগে একবার রেফারিং নিয়ে সমালোচনা করার জন্য সঞ্জয়ের দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ফেডারেশন৷‌ তার তোয়াক্কা না করে সঞ্জয় বলেই দিলেন, ‘খেলায় হারজিত আছে৷‌ কিন্তু জোর করে হারিয়ে দিলে ক্ষোভ হওয়াটাই স্বাভাবিক৷‌ নর্থ ইস্টের দলের খেলায় নর্থ ইস্টের রেফারি দিয়ে মোহনবাগানকে পুঁতে দেওয়া হল৷‌ এটাকে ফুটবলকে খুন করা, না বলাৎকার, তা বলতে পারবেন, যাঁরা মাঠে থেকে খেলা দেখেছেন এদিন৷‌ কাৎসুমি আর বলবম্তের গোল রেফারি অন্যায্যভাবে বাতিল না করলে আগেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যেত দল৷‌ যখন ম্যাচ ২-২, তখন রয়্যালের লাভডে বক্সের মধ্যে হাতে বল লাগালেও পেনাল্টি দিলেন না রেফারি৷‌ এ নিয়ে তর্ক করতে গিয়ে বলবম্ত দ্বিতীয়বার হলুদ ও লাল কার্ড দেখল৷‌ এটা বলবম্তের ঠিক হয়নি৷‌ কোনওরকম প্ররোচনায় পা দিতে বারণ করেছিলাম ফুটবলারদের৷‌ লাল কার্ড দেখায় ক্লাবকর্তারা ঠিক করবেন বলবম্তের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্হা নেবেন৷‌ তবে এই ধরনের রেফারিং হলে সত্যি মাথা ঠিক রাখা কঠিন৷‌ আই লিগ সি ই ও সুনন্দ ধর, রেফারিদের কর্তা গৌতম কর বলবেন কি, এই ধরনের অযোগ্য রেফারিরা আই লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলানোর সুযোগ পান কীভাবে? আর এঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা কে নেবে?’ সঞ্জয় আরও বলেন, ‘১২ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর হার৷‌ একটা দল কোনও ম্যাচ হারবে না এমন তো হয় না৷‌ তবে ফুটবলাররা জানে ওরা খারাপ খেলেনি৷‌ ওদের হারানো হয়েছে৷‌ হারে হতাশা সাময়িক আসবেই, কিন্তু ভেঙে পড়ার মতো কিছু হয়নি৷‌ তাই পুনের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য তৈরি হতে দেরি হবে না৷‌’ সহকারী কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীও বলেন, ‘যেভাবে দর্শকের ভূমিকায় থাকা রয়্যালের ফুটবলাররা চোরাগোপ্তা মেরেছে আমাদের ফুটবলারদের, তাতে মাথা ঠিক রাখা সত্যি কষ্টকর ছিল৷‌’ শুরুটা ভালই করেছিল মোহনবাগান৷‌ ৮ মিনিটে বলবম্তের গোলে এগিয়েও যায়৷‌ এরপর ম্যাচে প্রাধান্য ছিল মোহনবাগানের৷‌ কিন্তু ৬১ মিনিটে ম্যাচের সেরা নওবার থেকে বল পেয়ে জোরালো শটে মোহন- গোলকিপার দেবজিৎকে পরাস্ত করেন জ্যাকিচাঁদ৷‌ ৮০ মিনিটে মোহনবাগানের হাইতি স্ট্রাইকার সোনি নর্ডি ব্যক্তিগত ক্রীড়ানৈপুণ্যের জোরে দর্শনীয় গোল করে শিবিরে স্বস্তি এনে দেন৷‌ সম্তোষ কাশ্যপের দল অবশ্য এতে দমেনি৷‌ তেড়েফুড়ে আক্রমণে উঠে ৮৬ মিনিটে পেনাল্টি পায় ওয়াহিংডো, বক্সের মধ্যে বলবম্ত হাতে বল লাগালে৷‌ থিওবল্ড সমতা ফেরাতে ভুল করেননি৷‌ রেফারির নানা সিদ্ধাম্তে মোহনবাগান ফুটবলারদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল৷‌ তাতেই ৮৮ মিনিটে পেনাল্টির জন্য রেফারির সঙ্গে তর্ক করে দ্বিতীয়বার হলুদ ও লাল কার্ড দেখেন বলবম্ত৷‌ সেই ধাক্কাটা সামলে নেওয়ার আগে দূরপাল্লার দুরম্ত শটে নওবার লক্ষ্যভেদ৷‌ রয়্যালের ঘরে ৩ পয়েন্ট৷‌ মোহনবাগান: দেবজিৎ, প্রীতম, কিংশুক, বেলো, ধনচন্দ্র, কাৎসুমি, শেহনাজ, ডেনসন (শৌভিক), নর্ডি, বোয়া ও বলবম্ত৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || post editorial || nepathya bhasan || khela ||
Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited