Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৪ চৈত্র ১৪২১ রবিবার ২৯ মার্চ ২০১৫
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  সম্পাদকীয়  উত্তর সম্পাদকীয়  নেপথ্য ভাষন  খেলা  রবিবাসর   আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
নেপথ্য ভাষন -অশোক দাশগুপ্ত--গোঁফে তেল, ডাহা ফেল ।। দেবজিতের মাইলস্টোন--সুরজিৎ সেনগুপ্ত ।। ক্লার্কের শেষ ওয়ান ডে ।। ইতিহাস গড়ে ফাইনালে ।। হুমকি, হামলা, মারধর, ভয়, মনোনয়ন তুলল বিরোধীরা ।। প্রহসনের ভোট শুরু হয়ে গেল, অভিযোগ সমস্ত বিরোধীর ।। রোজভ্যালির কোর কমিটির সদস্যদের জেরা ।। ভোটের আগেই ৩ পুরসভা তৃণমূলের দখলে ।। যোগেন্দ্র, প্রশাম্তকে তাড়িয়ে ছাড়লেন কেজরিওয়াল ।। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ: উদ্বেগ জানালেন রাজ্যপাল, সিদ্ধার্থনাথ ।। খাগড়াগড়-কাণ্ডে ঢাকায় ধৃত ১ ।। আরেকটি উপগ্রহ
খেলা

ট্রফি হবে কেকের ওপর চেরি: ক্লার্ক | পাগল করে দেব: ম্যাকালাম

ইতিহাস গড়ে ফাইনালে

সঞ্জয়ের মাথা আকাশে, ‘পা মাটিতে’

ইস্টবেঙ্গল শিবির জুড়ে বাগান গোলকিপার, নেতার অভাব দেখছেন এলকো

দেবজিতের মাইলস্টোন

এখনও কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সেরা খেলাটা দেখিনি

অস্ট্রেলিয়ার অনেকেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে

ক্লার্কের শেষ ওয়ান ডে

আমার জীবনের সেরা ম্যাচ: দেবজিৎ

আর অপেক্ষা করতে পারছি না!

ক্লার্কের বিদায়ের সিদ্ধাম্তকে স্বাগত জানালেন গ্রেগ চ্যাপেল

চাইব, আমার মতোই বিদায় নিক ক্লার্ক

ফাইনালের টুকিটাকি

যুবভারতীতে দেবব্রত: এই তো আমার সংসার

সবার মুখে দেবজিৎ, জরিমানা বাগানের?

অগোছালো ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট লক্ষ্য মহমেডানের

আমাদের সামনে একটাই রাস্তা খোলা, জয়: দুঙ্গা

ফের অদ্ভুত গোল ইব্রাহিমোভিচের

ভেস্তে গেল ম্যাচ! আতশবাজি রুশ গোলরক্ষকের গায়ে

স্টিফেনকে রেখে মোটিভেট করছেন সেভিও মেডেরা

আশা জিইয়ে রাখল বাংলা

শেষ চারে হারিকা

জয়ী সালগাঁওকার

জোড়া সংবর্ধনা সি এ বি-র

ট্রফি হবে কেকের ওপর চেরি: ক্লার্ক | পাগল করে দেব: ম্যাকালাম

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

দেবাশিস দত্ত, মেলবোর্ন




২৮ মার্চ– বিশ্বকাপের স্মারক পাওয়া যাচ্ছিল অলিম্পিক স্ট্যান্ডের সামনে৷‌ বিশাল লাইন৷‌ হঠাৎ দেখি, কয়েকজন ভারতীয় বিশ্বকাপের প্রতিকৃতি কিনছেন? ধোনিবাহিনী যা জিততে পারেননি, তা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো দেশে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন৷‌ দেখতে একই রকম৷‌ ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার হিসেবে, এবার, বিশ্বকাপে, ওই রকম ট্রফি দেওয়া হচ্ছে৷‌ তারই একটি ছোট সংস্করণ ৪৫ ডলারে কিনে ওঁরা দেশে ফিরবেন৷‌ সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে শোক, হাহাকার, ধোনিরা ফাইনালে না ওঠায়৷‌ হোটেলের টাকা এবং বিমানের টিকিট আগে কাটতে হওয়ায় অনেকে, ইচ্ছে থাকলেও, দেশে ফিরে যেতে পারছেন না৷‌ তাঁদের কাছে, শনিবার হল এক নির্ভেজাল পিকনিক করার দিন৷‌ খাও, পিও, জিও– এই স্লোগানকে সামনে রাখছেন তাঁরা৷‌ এবং এই পরিস্হিতির কথা জেনে, নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাকালাম বলে দিলেন, ‘আমরা জানি, শনিবার গ্যালারিতে যে ভারতীয় সমর্থকরা থাকবেন, তাঁরা আমাদেরই সমর্থন করবেন৷‌ অস্ট্রেলিয়াই ছিটকে দিয়েছে ভারতকে, তাই মনে হয় না, ভারতীয় সমর্থকরা, মাইকেল ক্লার্কদের সমর্থন করবেন৷‌’

যুক্তি আছে বটে৷‌ সেখানে, অস্ট্রেলিয়ার সাজঘর চাইবে, তাঁদের অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের শেষ ম্যাচে তাঁরা নিজেদের উজাড় করে দিয়ে ট্রফি তাঁর হাতে তুলে দিতে৷‌ সতীর্থদের কাঁধে চড়ে এম সি জি প্রদক্ষিণ করছেন, হাতে ধরা ঝলমলে বিশ্বকাপ৷‌ ব্যাপারটা দেখতে হবে দারুণ৷‌ ফটোগ্রাফার বন্ধুরা, এক দিন আগের থেকেই এমন অসাধারণ মুহূর্ত নিজেদের ক্যামেরায় ধরে রাখার ব্যাপারে প্রস্তুত থাকতে পারেন৷‌ এই স্বপ্ন সফল হলে, আমরা বলব অসাধারণ বিদায় সংবর্ধনা পেলেন বটে মাইকেল ক্লার্ক৷‌ পঁচাশিতে বেনসন অ্যান্ড হেজেস কাপ জেতার পর, এভাবেই তো, এম সি জি সুনীল গাভাসকারকে সংবর্ধিত করেছিল৷‌ তফাত হল এই যে সেবার গাভাসকার, এ মাঠে, শুধুই একদিনের নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন৷‌ পরে, আরও ২ বছর, একদিনের ক্রিকেট খেলে যান৷‌ ক্লার্ক সেখানে একদিনের ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানিয়ে বসলেন৷‌

আবেগ ছেড়ে এবার বাস্তবে ফেরা যাক৷‌ রাত পোহালেই বিশ্বকাপ ফাইনাল৷‌ দু’দলের দাবি, ট্রফি তাঁরাই জিতবেন৷‌ কিন্তু সৃষ্টির আদি লগ্ন থেকেই ব্যাপারটা একই রকম আছে৷‌ জেতে এক দল, অন্য দলকে দ্বিতীয় স্হানে থেকে যেতে হয়৷‌ এমন টেনশনের আবহে, দুই অধিনায়কের ভাবনা চিম্তার খানিকটা অংশ এখানে তুলে ধরছি৷‌

মাইকেল ক্লার্ক: জানি না, রাতে ঘুমোতে পারব কিনা৷‌ অদ্ভুত এক অনুভূতিতে আচ্ছন্ন হয়ে আছি৷‌ ২০০৭ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে এমন কোনও টেনশন ছিল না৷‌ বিশ্বকাপ জেতাটা যে ঠিক কত বড় ঘটনা, তা সেবার বুঝেছিলাম ফাইনাল জেতার পর৷‌ ততক্ষণে ফাইনালে চুকেবুকে গেছে৷‌ এবার অদ্ভুত একটা চাপ অনুভব করছি৷‌ জীবনের শেষ একদিনের ম্যাচের শেষে ট্রফি জেতাটা হবে কেকের ওপর চেরি ফলের মতো৷‌

ব্রেন্ডন ম্যাকালাম: টস কে জিতবে, আগে ব্যাট না পরে ব্যাট, এ-সব নিয়ে আমাদের শিবিরে কোনও আলোচনা নেই৷‌ বিস্তর পরিশ্রম করে ফাইনাল পর্যম্ত ওঠা গেছে৷‌ এখন ট্রফিটা চাই৷‌ হারতে ভয় পাই না আমরা৷‌ কিন্তু যেহেতু শিবিরে রয়েছে, ‘আমরাও পারি’ মনোভাব, তাই ট্রফি না জিততে পারার কোনও কারণ দেখছি না৷‌ আমাদের শিবিরের স্লোগানটা জানেন তো? ‘কোনও কিছুই অসম্ভব নয়৷‌ ওটা আমরা মাথায় রাখছি সারাক্ষণ৷‌

মাইকেল ক্লার্ক: স্টিভ স্মিথের কাছে আরও একটা ১০০ রানের ইনিংস চেয়েছি৷‌ আমার কাছে, অনেকেই জানতে চাইছে, ফেবারিট কারা? আন্ডারডগই বা কোন দেশ? ভাল খেললে আমরাই জিতব৷‌ এটাও মাথায় রাখছি যে নিউজিল্যান্ড কিন্তু ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলে ফাইনাল পর্যম্ত উঠে এসেছে৷‌ একটিও ম্যাচে হারেনি আমার বন্ধু ম্যাকালামের দল৷‌ আমরাই বরং ওদের কাছে হেরে গিয়েছিলাম৷‌ ওই ধাক্কাটায় আমরা সতর্ক হয়ে গিয়েছি৷‌ এবার ওদের হারার পালা, আমাদের হাতে৷‌

ব্রেন্ডন ম্যাকালাম: কিউয়ি আমাদের জাতীয় পাখি৷‌ উড়তে পারে না৷‌ শনিবার মেলবোর্নে আমরা বিশ্বকাপ জেতার পর কিউয়ি উড়বে প্রথম৷‌ আমরা ফেবারিট বা আন্ডারডগ, কোনওটাই নই৷‌ শুধু জানি, ট্রফি জেতার খুব ভাল সম্ভাবনা রয়েছে রবিবার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে৷‌ এ মাঠ বড় তো বটেই৷‌ এ মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা আমাদের দলের খুব বেশি নেই৷‌ আবুধাবির মাঠটাও কিন্তু বেশ বড়৷‌ কলকাতার ইডেন উদ্যানে ৯০,০০০ দর্শকের সামনে খেলার অভিজ্ঞতা আছে আমাদের অনেকেরই৷‌ তাই, মেলবোর্নের বড় মাঠের কথা বলায়, আমরা ভয়ে গুটিয়ে যাচ্ছি না৷‌ শুধু এটুকু বলি, এমন পরিবেশে ফাইনাল খেলার জন্য আমরা উত্তেজিত৷‌ সবাই মুখিয়ে আছে রবিবারের ফাইনালের জন্য৷‌

মাইকেল ক্লার্ক: ব্রেন্ডন ম্যাকালাম আমার খুব ভাল বন্ধু৷‌ আমার ভাই ফিল হিউজের মৃত্যুর পর ব্রেন্ডন এবং নিউজিল্যান্ড যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তাতে আমাদের ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়ে গিয়েছে৷‌ আমি ওকে এবং নিউজিল্যান্ড দলকে শুভেচ্ছা জানাই৷‌ তবে, আমরাও প্রবল উত্তেজিত হয়ে আছি৷‌ জানাতে চাই যে আমাদের শিবিরে ফাইনাল শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই৷‌

ব্রেন্ডন ম্যাকালাম: অবিশ্বাস্য৷‌ যা ঘটছে তা, মাঝেমধ্যে বিশ্বাস করা কঠিন৷‌ জিতবই, এমন গ্যারান্টি কি দেওয়া যায়? তাই, জুয়ার দরে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে রাখা হলেও, আমরা বলছি, খেলা হবে ফিফটি-ফিফটি৷‌ হয়ত সব কিছুই অস্ট্রেলিয়ার অনুকূলে, তবু, আমরা মনে করি, অস্ট্রেলিয়াকে রবিবার হারানোর ভাল সম্ভাবনা রয়েছে৷‌ সত্যিই রবিবার আমাদের জীবনের এক বিশেষ দিন৷‌ লড়াই করে অস্ট্রেলিয়াকে পাগল করে দিতে চাইব৷‌

মাইকেল ক্লার্ক: নিজে মনে করি, একদিনের ক্রিকেটে তিন নম্বরই আমার জায়গা৷‌ স্পিন বোলিং সামলানোর জন্য মিডল অর্ডারে যাওয়ার পরামর্শ প্রথম দিয়েছিল রিকি পন্টিং৷‌ রবিবার, দলের পরিস্হিতি চাইলে চার নম্বরেও ব্যাট করতে যেতে পারি৷‌ সবই পরিস্হিতির ওপর৷‌

ব্রেন্ডন ম্যাকালাম: শুরুতে গিয়ে, যেভাবে চালিয়ে ব্যাট করি, সেভাবেই রবিবার ব্যাট করব৷‌ নিজের খেলার ধরন পাল্টাচ্ছি না৷‌





kolkata || bangla || bharat || editorial || post editorial || nepathya bhasan || khela ||
sunday || Tripura || Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited