Aajkaal: the leading bengali daily newspaper from Kolkata
কলকাতা ১৫ ভাদ্র ১৪২১ সোমবার ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪
 প্রথম পাতা   কলকাতা  বাংলা  ভারত  বিদেশ  সম্পাদকীয়  খেলা  আজকাল-ত্রিপুরা   পুরনো সংস্করন  বইঘর 
সেরা খাবড়া, দ্বিতীয় দীপক--অহেতুক ফাতাই-নির্ভরতা ।। হ্যাটট্রিক নিয়ে ভাবেননি, দাবি রন্টির--অগ্নি পান্ডে ।। সুভাষ: ওটা ধনচন্দ্রর বুট বাঁধার সময়?--নজরুল ইসলাম ।। কোচ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, হারলেই চলে যাবেন--মেহতাব হোসেন ।। তৃণমূলের সঙ্গে কোনও কথা নয়, দেখা হবে ময়দানেই: বুদ্ধদেব ।। সারদা-কাণ্ডের তদম্ত দ্রুত শেষ করুক সি বি আই: অসীম ।। সূর্যকাম্ত: মমতার সঙ্গে জোটের প্রশ্নই ওঠে না! ।। হিমঘর তৈরির নামে ৩০০ কোটি হাতান সুদীপ্ত সেন ।। ৩ দিনের ধর্মঘট থেকে পিছু হটলেন আলু ব্যবসায়ীরা ।। প্রতিরক্ষায় সহযোগিতা আরও বাড়াতে রাজি মোদি, অ্যাবে ।। আজ ১৫ বাম দলের মহামিছিল ।। বাগনানে তৃণমূলের গোষ্ঠীসঙঘর্ষ, জখম ১৪
খেলা

মোহনবাগানকে নিয়ে ওঁরা বিরক্ত

সেরা খাবড়া, দ্বিতীয় দীপক

ইংল্যান্ডের মাঠ ভারতের ব্যাটিংয়ের মতোই লজ্জার

সুভাষ: ওটা ধনচন্দ্রর বুট বাঁধার সময়?

কোচ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, হারলেই চলে যাবেন

আর্থিক পুরস্কারের বন্যা, পাঁচতারা হোটেলে ডিনার ইস্টবেঙ্গলের

কোচ, তোমার জন্য...

হ্যাটট্রিক নিয়ে ভাবেননি, দাবি রন্টির

ডানকান ফ্লেচারের পর চিগুম্বুরার হাত ধরে ইতিহাসে জিম্বাবোয়ে

বোলিং নিয়ে ভাবতে হবে: ধোনি

এগোচ্ছেন পেজ, সানিয়ারা

৩ গোলে জয় লিভারপুলের

আজ মান্নার জন্মদিনে নানা অনুষ্ঠান

ব্রাজিল ফুটবলে ফের বর্ণবিদ্বেষ!

জকোভিচকে চান বোপান্না

ক্লার্কের মাথায় এখন বিশ্বকাপ

লাইসেন্স নেই!

মোরিনহোকে দুষলেন রোনাল্ডো

গুয়ারদিওলা আর্জেন্টিনার কোচ হতে চেয়েছিল: মেনোত্তি

ভারত-পাকিস্তান ২৫ সেপ্টেম্বর

ফেরানো হল ব্রেসনানকে

রূপঙ্কর চ্যাম্পিয়ন

মোহনবাগানকে নিয়ে ওঁরা বিরক্ত

Google plus share Facebook share Twitter share LinkedIn share

অনির্বাণ সেনগুপ্ত

কলকাতা লিগের দেড়শোতম ডার্বি৷‌ এই মরশুমের প্রথম৷‌ রক্তে লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকার মতোই বাঙালির ফুটবল সংস্কৃতির ধমনীতে ধাবমান ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান৷‌ রবি-বিকেলে সেই মহারণের উত্তাপ নিতে ওঁরা কেউ গিয়েছিলেন মাঠে৷‌ কেউ আবার টিভির সামনে৷‌ খেলার পর সবাই একমত, ইস্টবেঙ্গলে ফুটে উঠছে আশার আলো৷‌ আর মোহনবাগান? সব্বাই বিরক্ত৷‌ আসুন চোখ বুলিয়ে নিই ওঁদের বক্তব্যে৷‌

পি কে ব্যানার্জি: বিশ্বাস করুন, দুই দলের মধ্যে এতটা ফারাক হবে, বুঝতে পারিনি৷‌ ১-১ বা ২-১ হলে ঠিক হত৷‌ তবুও বলব, যোগ্য দল হিসেবেই ইস্টবেঙ্গল জিতেছে৷‌ আগেই বলেছিলাম, ইস্টবেঙ্গল মানসিকতায় এগিয়ে থাকবে৷‌ আজ ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে, আর্মান্দোর ছেলেরা নেমেছিল জেতার জন্যই৷‌ প্রত্যেকে ভাল খেলেছে৷‌ রন্টি তো অসাধারণ৷‌ দলকে চাঙ্গা করার জন্য আর্মান্দোকে অভিনন্দন৷‌ মোহনবাগানের থেকে ভাল খেলা আশা করেছিলাম৷‌ খারাপ লাগছে ভোম্বলের (সুভাষ ভৌমিক) জন্য৷‌ প্রথম থেকেই খুব খাটছে ফুটবলারদের নিয়ে৷‌ তবে যতই পরিস্হিতি কঠিন হোক না কেন, ভোম্বলের উচিত হয়নি ডার্বি ম্যাচেই ফাতাইকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া৷‌ দুই দলের নতুন বিদেশিদের নিয়ে বলতে পারি, কেউই আহামরি কিছু না৷‌ তবে সময় দিলে ধীরে ধীরে খোলস ছাড়তে পারে৷‌ যেমন বার্তোসের উন্নতি চোখে পড়েছে৷‌

সুধীর কর্মকার: এই ম্যাচের আগে দুই দলের ডিফেন্সেই সমস্যা ছিল৷‌ কিন্তু এদিন ইস্টবেঙ্গলকে দেখলাম, দারুণভাবে গুছিয়ে নিয়েছে৷‌ অর্ণব, রাজু, দীপক, রবার্ট– সবাই লোড নিয়েছে৷‌ জায়গা নিয়ে খেলেছে৷‌ কিন্তু মোহনবাগান থেকে গেছে তথৈবচ অবস্হায়৷‌ টিমটা ছুটতেই পারছে না৷‌ দমে ঘাটতি রয়েছে৷‌ গোল শোধের পর কোথায় আরও মরিয়া হয়ে উঠবে তা না, দ্বিতীয়ার্ধে দেখলাম, ইস্টবেঙ্গলই আরও তেড়েফুঁড়ে উঠল৷‌ ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি পাওয়া? ন্যায্য পেনাল্টি৷‌ ওই ট্যাকল করা উচিত হয়নি ফাতাইয়ের৷‌ সামনে যাওয়া উচিত ছিল৷‌ আমি কোচ থাকলে ফাতাইকে না খেলিয়ে যারা প্রথম থেকে খেলছে, তাদেরই খেলাতাম৷‌ নতুন বিদেশিদের মধ্যে কাউকেই চোখে পড়ল না সেভাবে৷‌ কিন্তু অভি: রন্টির কথা বলতেই হবে৷‌ ওকে মার্ক না করলে যে বিপক্ষ এখনও বিপদে পড়তে পারে, আবার বোঝা গেল৷‌

শ্যাম থাপা: ভাল স্ট্রাইকার নেই মোহনবাগানে৷‌ আই লিগের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই ভাবতে হবে সুভাষকে৷‌ ডিফেন্সে বড় বড় ফাঁক৷‌ ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর মোহনবাগান ঝাঁপাল না? আমি তো অবাক হয়ে গেলাম এটা দেখে৷‌ অন্য দিকে ইস্টবেঙ্গল নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে এই জয়ের পর৷‌ আর্মান্দো বড় কোচ৷‌ খুবই অভিজ্ঞ৷‌ সেইভাবেই টিমটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে৷‌

সুব্রত ভট্টাচার্য: (একটি টিভি চ্যানেলকে বলেছেন) দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বলতে পারব না৷‌ দৃষ্টিনন্দন ফুটবল চোখে পড়েনি৷‌ এই ধরনের ম্যাচে যে আকর্ষণ, ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, পাসিং বৈচিত্র্য থাকে, তাও চোখে পড়েনি৷‌ তবে ভাল লেগেছে, দুই দলই জেতার মানসিকতা নিয়ে নেমেছিল৷‌ মোহনবাগানে অনেক জুনিয়র ফুটবলার খেলেছে৷‌ যারা প্রথম ডার্বি খেলল৷‌ তাই তাদের নিয়ে এতটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা না করলেই ভাল হত৷‌ এই জয়টা ইস্টবেঙ্গলের কাছে টার্নিং পয়েন্ট? আমি বলব, না৷‌ পুরো মরশুম বাকি৷‌ আরও অনেক বড় ম্যাচ খেলতে হবে৷‌

প্রসূন ব্যানার্জি: এ কোন মোহনবাগানকে দেখলাম? এই মোহনবাগান হারার আগেই হেরে বসেছিল! রীতিমতো আত্মসমর্পণ করল৷‌ কোথায় মাঝমাঠ? ১-৩ যখন হারছে, তখনও মিস পাসের বহর দেখলে লজ্জা লাগে৷‌ আজ স্ট্র্যাটেজিতে ভোম্বলদাকে টেক্কা দিল আর্মান্দো৷‌ ফাতাইকে না নামিয়ে ভোম্বলদা কী করত? ওর হাতে তো কেউ ছিল না৷‌ যারা আছে, তাদের মধ্যে এই ম্যাচ খেলার জন্য যে আগুন লাগে, তা কোথায়? আমার ব্যক্তিগত মত, বোয়াকে আরও আগে নামালে ভাল হত৷‌ আর্মান্দো দলকে ঠিকঠাক উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছে৷‌ রন্টির সোনালি সময় হয়ত অতীত, কিন্তু এখনও দায়বদ্ধতা দেখার মতো৷‌ নতুন বিদেশিদের মধ্যে বার্তোসের কথা বলব৷‌ এখনও সেট না হলেও ভাল পাস দিয়েছে৷‌ দৌড়েছে৷‌ টার্নগুলো ভাল লেগেছে৷‌ একটু সময় পেলে দাঁড়িয়ে যেতে পারে৷‌ যাই হোক, এই ম্যাচ জিতে ইস্টবেঙ্গল লিগ জমিয়ে দিল৷‌

গৌতম সরকার: ইস্টবেঙ্গল যে খুব ভাল খেলেছে, বলব না৷‌ কিন্তু যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছে৷‌ কিন্তু মোহনবাগান নিয়ে যে কী বলি! এটা একটা টিম? ম্যাচ ফিটনেস অনেক-অনেক কম৷‌ শিলটন ডুবিয়েছে৷‌ আর ওই ফাতাই! ওইভাবে ট্যাকল করে? বোয়া কবে ফিট হবে? দেখুন, কোচের ঠিক করা ফর্মেশন যদি না-ও খাটে, ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে ফুটবলারদের কোয়ালিটি, এবিলিটি থাকলে৷‌ কাৎসুমি ছাড়া কোনও সবুজ-মেরুন ফুটবলারকে তো চোখেই পড়ল না৷‌ ইস্টবেঙ্গলের অর্ণবের প্রশংসা না করে পারছি না৷‌ অসাধারণ খেলেছে৷‌ বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাদ্রিদ যেতে পারবে৷‌

মানস ভট্টাচার্য: শরীরী ভাষাই পার্থক্য গড়ে দিল৷‌ তারুণ্যকে হারিয়ে দিল অভিজ্ঞতা৷‌ মানসিকতায় অনেক এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল৷‌ স্ট্র্যাটেজি বদলেছে আর্মান্দো৷‌ গোলে অভিজিৎ৷‌ রক্ষণে দীপক, রাজুকে খেলিয়েছে৷‌ যখন ৩-১ এগিয়ে দল, বার্তোসকে তুলে ডুডুকে দেখে নেওয়া প্রশংসনীয়৷‌ গোয়াতে ডেম্পোকে যেভাবে খেলাত আর্মান্দো, এখানে ইস্টবেঙ্গলকেও সেভাবে খেলাতে চাইছে৷‌ মোহনবাগানে রক্ষণ খুবই খারাপ৷‌ ফাতাইকে আউটস্ট্যান্ডিং মনে হয়নি৷‌ যতই প্রথম ম্যাচ খেলুক না কেন৷‌ কিংশুকও পারেনি নির্ভরতা দিতে৷‌ আজ পুরনো রন্টিকে দেখলাম৷‌ হ্যাটট্রিক পেলে আরও ভাল লাগত৷‌

বিদেশ বসু: মোহনবাগানে কোনও স্ট্রাইকার নেই৷‌ মাঝমাঠের এই অবস্হা? লালকমল খেলা ধরেও খেই হারিয়ে ফেলল৷‌ কোনও পেনিট্রেশন নেই৷‌ বোয়া নড়তে পারছে না৷‌ দলগঠনে আর্মান্দোর থেকে পিছিয়ে ভোম্বলদা৷‌ ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠ ভাল খেলেছে বলেই আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে অনেক৷‌ জেতার মতোই খেলেছে ওরা৷‌ বার্তোসের খেলা খুলছে৷‌ টাচ আছে৷‌


kolkata || bangla || bharat || bidesh || editorial || khela || Tripura ||
Error Report || archive || first page

B P-7, Sector-5, Bidhannagar, Kolkata - 700091, Phone: 30110800, Fax: 23675502/5503
Copyright © Aajkaal Publishers Limited

Designed, developed & maintained by   Remote Programmer Private Limited